ঢাকা সিটি নির্বাচনে ইভিএম চায় না বিএনপি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i76274-ঢাকা_সিটি_নির্বাচনে_ইভিএম_চায়_না_বিএনপি
আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার চায় না বিএনপি। ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অনড় অবস্থানের সমালোচনা করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে নজিরবিহীন কেলেঙ্কারির পর ঢাকা সিটি নির্বাচনেও সরকারের ইচ্ছে পূরণে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন। ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে কারসাজি করে সরকারের পক্ষে রায় নেয়ার জন্য জনগণের ইচ্ছের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সিইসি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯ ১১:৫০ Asia/Dhaka
  • সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
    সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার চায় না বিএনপি। ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অনড় অবস্থানের সমালোচনা করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে নজিরবিহীন কেলেঙ্কারির পর ঢাকা সিটি নির্বাচনেও সরকারের ইচ্ছে পূরণে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন। ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে কারসাজি করে সরকারের পক্ষে রায় নেয়ার জন্য জনগণের ইচ্ছের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সিইসি।

আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময়, ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেফতার বন্ধ, ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবানও জানান রিজভী।

ফল জালিয়াতির আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ইভিএম ২৮ বছরের পুরনো একটি প্রযুক্তি। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, ইভিএম সহজেই টেম্পার করা যায়। এরপরও জনগণের ভোটাধিকার হরণের জন্য নির্বাচন কমিশন ইভিএম নিয়ে দহরম-মহরম শুরু করেছে। কারণ এই যন্ত্রটি দিয়ে দ্রুতই ভোটের ফলাফল পাল্টে দেয়া সম্ভব।

২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোট ডাকাতি হয়েছিল দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগের রাতেই ভোট ডাকাতি হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর কালো রাতে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয় আওয়ামী লীগ। সেদিন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। তাই ৩০ ডিসেম্বর কোনো ভোট হয়নি। তাই এ রাতটি দেশবাসীর কাছে ভোটাধিকার হরণের কালোরাত হিসেবে কলংকিত হয়ে থাকবে।

সুষ্ঠু নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে রিজভী বলেন, দেশে এখন বিচারের নামে চলছে অবিচার। আর এ কারণেই জামিন পাচ্ছেন না সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছের প্রতিফলন-ই ঘটছে আদালতের সিদ্ধান্তে। তার জামিন পাওয়ার সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে ৩০শে ডিসেম্বরকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি। রিজভী জানান, গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে সোমবার সারাদেশে সভা-সমাবেশ-মিছিল-কালো ব্যাজ ধারণ এবং দলীয় কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করবে বিএনপি। অনুমতি পেলে সোমবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলা ২টায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।#

 

পার্সটুডে/ শামস মন্ডল /এমবিএ/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।