করোনাভাইরাস: গতি কমেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78043-করোনাভাইরাস_গতি_কমেছে_বাংলাদেশের_বিভিন্ন_উন্নয়ন_প্রকল্পের
চীনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে গতি কমেছে বাংলাদেশের পদ্মাসেতু, পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে। নতুন বছর উদযাপনে দেশে গিয়ে ফিরতে পারেনি এসব প্রকল্পে কর্মরত চীনের প্রকৌশলী ও কর্মীদের বড় একটা অংশ। বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল আনাও রয়েছে বন্ধ। এমন অবস্থায় অনেকটাই গতি হারিয়েছে প্রকল্পগুলো।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
মার্চ ০৬, ২০২০ ১৪:১৮ Asia/Dhaka
  • চীনা কর্মীদের অনুপস্থিতির কারণেই থমকে গেছে পদ্মাসেতুর কাজ
    চীনা কর্মীদের অনুপস্থিতির কারণেই থমকে গেছে পদ্মাসেতুর কাজ

চীনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে গতি কমেছে বাংলাদেশের পদ্মাসেতু, পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে। নতুন বছর উদযাপনে দেশে গিয়ে ফিরতে পারেনি এসব প্রকল্পে কর্মরত চীনের প্রকৌশলী ও কর্মীদের বড় একটা অংশ। বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল আনাও রয়েছে বন্ধ। এমন অবস্থায় অনেকটাই গতি হারিয়েছে প্রকল্পগুলো।

বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারীদের বড় একটা অংশ চীনের। বিভিন্নখাতের মেগাপ্রকল্পগুলোর নির্মাণ ও দেখভাল করছেন তারা। চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, তাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে ৮ হাজার চীনা কর্মী। অন্যান্য কোম্পানিতে কর্মরত লোকবলও কম নয়। সব মিলিয়ে ১৪/১৫ হাজারের বেশি চীনা কর্মী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করছেন। যাদের মধ্যে ছুটিতে গিয়ে ফিরতে পারেনি অন্তত ৪০ শতাংশ।

আগামী বছরের জুনে পদ্মাসেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই দিনে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত অংশে রেল চালুর সিদ্ধান্ত আছে। সেতু প্রকল্পের ৮৬ শতাংশ অগ্রগতি হলেও রেল সংযোগে সার্বিক উন্নতি মাত্র সাড়ে ২৩ শতাংশ। তাই লক্ষ্য অর্জন নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে চীনা কর্মীদের অনুপস্থিতির কারণেই থমকে আছে কাজ। পরিস্থিতি মোকাবেলায় নতুন প্রকৌশলী ও কর্মী আনতে চায় কোম্পানিগুলো। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের পরিচালক গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, যেসব প্রকল্প চীনা কর্মী ছিল, প্রত্যেকটিতেই কম বেশি কাজের গতি কমেছে। নববর্ষ উদযাপনে ছুটিতে গিয়ে করোনাভাইরাসের কারণে অনেকে আটকে পড়েছে। এ অবস্থায় কাজের গতি বাড়াতে নতুন জনবল আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বেইজিং দূতাবাসকে চিঠি দেয়ার কথাও জানান তিনি।

কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন কর্মী ও মালামাল আনার অনুমোদন পাওয়া গেলে বাড়বে কাজের গতি। আর করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন কর্মীদের বিষয়ে নিয়ম মেনেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তারা।#

পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।