করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৬৫ জন শনাক্ত, মৃত্যু কমেছে
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79562-করোনাভাইরাস_বাংলাদেশে_একদিনে_সর্বোচ্চ_৬৬৫_জন_শনাক্ত_মৃত্যু_কমেছে
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৭৭ জনের। একইসময়ে নতুন করে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছেন ৬৬৫ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৫৫ জনে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ০৩, ২০২০ ১০:৪৭ Asia/Dhaka
  • অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা
    অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৭৭ জনের। একইসময়ে নতুন করে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছেন ৬৬৫ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৫৫ জনে।

আজ (রোববার) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নতুন করে যে ২ জন মারা গেছেন তারা একজন ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী, আরেকজন ষাটোর্ধ্ব। মৃতরা রাজধানীর বাইরের বাসিন্দা। এদের একজন রংপুরের অন্যজন নারায়ণগঞ্জের। বয়স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এক জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে। অপর জনের বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে। ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটির তৈরি করা গাইড লাইন অনুসারে, এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের মধ্যে ৬২৪ জন। ঢাকার বাইরে অন্য বিভাগীয় শহরে ৪৩৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ হাজার ২১৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬৮টি। সর্বমোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮১ হাজার ৪৩৪টি।

নাসিমা সুলতানা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৬৫ জন। মোট আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৬৩৭ জন।

তিনি বলেন, সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে নয় হাজার ৭৩৮টি। ঢাকার ভেতরে রয়েছে তিন হাজার ৯৪৪টি। ঢাকা সিটির বাইরে শয্যা রয়েছে পাঁচ হাজার ৭৯৪টি। আইসিইউ সংখ্যা রয়েছে ৩৪১টি, ডায়ালাসিস ইউনিট রয়েছে ১০২টি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৩ জনসহ ৮৫৪ পুলিশ করোনায় আক্রান্ত

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় বলে জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।