করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৬৩৬, মৃত ৮, সুস্থ ৩১৩
-
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২১৪ জন মারা গেলেন। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৩৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৭০ জনে।
আজ (শনিবার) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যে আট জন মারা গেছেন তাদের সবাই পুরুষ। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে আট জনের মধ্যে ৭১-৮০ বছর বয়সের মধ্যে দুজন, ৬১-৭০ বছর বয়সের মধ্যে দুজন, ৫১-৬০ বছর বয়সের মধ্যে একজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ২১৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫ হাজার ২৪৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আগের কিছু মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৪৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এক লাখ ১৬ হাজার ৯১৫টি।
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩১৩ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন। সুস্থতার হার ৯১.৮ আর মৃত্যুর হার ৮.২ শতাংশ।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। আর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। পরে পঞ্চমবারের মতো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।
ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।