বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১০৩৪ জনের করোনা শনাক্ত, আরও ১১ জনের মৃত্যু
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79781-বাংলাদেশে_একদিনে_সর্বোচ্চ_১০৩৪_জনের_করোনা_শনাক্ত_আরও_১১_জনের_মৃত্যু
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৩৯ জনে। এ ছাড়া, নতুন করে আরও এক হাজার ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুই মাসে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৯১ জন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ১১, ২০২০ ১০:২৮ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১০৩৪ জনের করোনা শনাক্ত, আরও ১১ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৩৯ জনে। এ ছাড়া, নতুন করে আরও এক হাজার ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুই মাসে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৯১ জন।

আজ (রোববার) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, নতুন করে মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ এবং ছয়জন নারী। তাদের মধ্যে ৭১-৮০ বছরের মধ্যে একজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে চার জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন। ১১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আট জন, চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন এবং রংপুর বিভাগে একজন মারা গেছেন। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৫২ জন। এ পর্যন্ত  সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০২ জন। সুস্থতার হার ১৮.৯২ আর মৃত্যুর হার ১.৫৩ শতাংশ।

দেশে এখন মোট ৩৭টি ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৭ হাজার ২৬২টি। এর মধ্যে আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ২০৮টি।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। আর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। পরে পঞ্চমবারের মতো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।