বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১,২৭৩ জন শনাক্তের দিনে মৃত্যু ১৪, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শঙ্কা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79961-বাংলাদেশে_সর্বোচ্চ_১_২৭৩_জন_শনাক্তের_দিনে_মৃত্যু_১৪_স্বাস্থ্যমন্ত্রীর_শঙ্কা
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২৭৩ জন। এটি গত ৮ মার্চের পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের সংখ্যা। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ২২ হাজার ২৬৪ জন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ১৭, ২০২০ ১০:৩৩ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১,২৭৩ জন শনাক্তের দিনে মৃত্যু ১৪, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শঙ্কা

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২৭৩ জন। এটি গত ৮ মার্চের পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের সংখ্যা। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ২২ হাজার ২৬৪ জন।

রোববার (১৬ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, মৃত্যুদের মধ্যে ১৩ জনই পুরুষ, একজন নারী। ঢাকা সিটিতে এবং চট্টগ্রামে পাঁচজন করে মৃত্যুবরণ করেছেন। ১৩ জন হাসপাতালে এবং একজন বাড়িতে মারা যান।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৮ হাজার ৫৭৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮ হাজার ১১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪০৮টি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, নতুন করে ২৫৬ জন করোনা থেকে সুস্থ হওয়ায় মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৩ জন। সুস্থতার হার ১৯.৬৪ শতাংশ।

ডা. নাসিমা সুলতানা

এদিকে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলেও মানুষ ঘরে না থেকে বাইরে ভিড় করায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ (রোববার) রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে কোভিড-১৯ অস্থায়ী হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন। এই হাসপাতালে দুই হাজার ১৩টি শয্যা রয়েছে। আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে এটি দেশে সবচেয়ে বড়। এখানে ৪০০টি বেডে অক্সিজেন দেওয়ার সুবিধা আছে।

বসুন্ধরা কোভিড-১৯ হাসপাতালের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন দেখি যে বিভিন্ন যানবাহনে, বিশেষ করে রিকশায় সিএনজিতে জটলা পাকায়; অনেক লোক চলাফেরা করে; দোকানে, শিল্প কারখানার সামনে, ফেরীঘাটে অনেক লোক একত্রিত হয়। এসব দেখে আমরা আতঙ্কিত হই। সংক্রমণ তো বৃদ্ধি পাবে। আপনারা লক্ষ্য করছেন, সংক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। আমরা যদি বাইরে যাওয়া না কমাই তাহলে সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে।”

তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ ভাইরাস ‘হঠাৎ করে’ এসেছে; এর চিকিৎসা না থাকায় উন্নত-অনুন্নত সব দেশই বিপাকে পড়েছে। চায়না বৃহৎ শক্তি, তারাও এলোমেলো হয়ে গেছে, এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ইউরোপ-আমেরিকাও হিমশিম খাচ্ছে এই রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে। সব জায়গায় আঘাত করেছে। আমরাও এর বাইরে নয়। আমরা শুরুতেই রোগটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।”

বসুন্ধরা কোভিড-১৯ আইসোলেশন হাসপাতাল

জাহিদ মালেক জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার ১৪টি হাসপাতালে ৩ হাজার শয্যা আছে। বসুন্ধরার হাসপাতাল এবং সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী আইসোলেশন হাসপাতাল মিলিয়ে সাড়ে সাত হাজার আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ৪০টি ল্যাব প্রস্তুত, আরও ১৫টি ল্যাব তৈরির কাজ চলছে। এগুলো হলে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।