বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক একাত্তরের রক্তের রাখিবন্ধনে আবদ্ধ: কাদের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i82177-বাংলাদেশ_ভারতের_সম্পর্ক_একাত্তরের_রক্তের_রাখিবন্ধনে_আবদ্ধ_কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক একাত্তরের রক্তের রাখিবন্ধনে আবদ্ধ। শেখ হাসিনা সরকার ও ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল বিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক আস্থাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সমুদ্রজয়ের মামলায় ভারত আপিল না করে বন্ধুসুলভ যে আচরণ করেছে, তা সম্পর্কের সূত্রকে করেছে আরও সুদৃঢ়।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ১১, ২০২০ ১১:২৫ Asia/Dhaka
  • আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক একাত্তরের রক্তের রাখিবন্ধনে আবদ্ধ। শেখ হাসিনা সরকার ও ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল বিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক আস্থাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সমুদ্রজয়ের মামলায় ভারত আপিল না করে বন্ধুসুলভ যে আচরণ করেছে, তা সম্পর্কের সূত্রকে করেছে আরও সুদৃঢ়।

আজ (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্মাষ্টমী পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে যেমন প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা, তেমনি প্রয়োজন প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো দেশই প্রতিবেশি দেশের সাথে খারাপ সম্পর্ক রেখে এগুতে পারে না। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া থাকলে অনেক অমীমাংসিত ইস্যু সহজেই সমাধান সম্ভব, যার প্রমাণ বাংলাদেশ ও ভারত।

ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের যে সেতুবন্ধ তৈরি হয়েছে, তার মাধ্যমে তিস্তা সমস্যা ও অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই গড়ে তুলতে হবে এ দেশের সমৃদ্ধির সোপান। সনাতন ধর্মের অনুসারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে একজন মুসলমানের রাষ্ট্রের প্রতি যে অধিকার আছে, আপনাদেরও সমান অধিকার আছে। নিজেদের মাইনরিটি ভাববেন না। তা না হলে আপনারা মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকবেন।’

মন্ত্রী এ সময় স্মরণ করিয়ে দেন, ‘২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর কী অমানুষিক নির্যাতন নেমে এসেছিল, তা নিশ্চয়ই মনে আছে? সে নির্যাতন একাত্তরের পাকিস্তানি হানাদারদের নির্যাতনকে মনে করিয়ে দেয়। তাদের অপচেষ্টা এখনো চলছে। ইতিমধ্যে তাদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে সামাজিক সখ্য এবং ঐক্য, একতা ধরে রেখেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে।  শেখ হাসিনা সরকার যত দিন আছে, আপনাদের কোনো ভয় নাই।’#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার/ ১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।