এক দশক পর খুলনার স্কুল ছাত্র বাপ্পী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i83492-এক_দশক_পর_খুলনার_স্কুল_ছাত্র_বাপ্পী_হত্যা_মামলার_রায়_ঘোষণা
দীর্ঘ ১০ বছর পর খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের প্লাটিনাম জুট মিল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মফিজুল ইসলাম বাপ্পীকে (১৬) পিটিয়ে হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ ১৫:২৩ Asia/Dhaka
  • এক দশক পর খুলনার স্কুল ছাত্র বাপ্পী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা

দীর্ঘ ১০ বছর পর খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের প্লাটিনাম জুট মিল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মফিজুল ইসলাম বাপ্পীকে (১৬) পিটিয়ে হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি রকিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন-মো. নজরুল, রবিউল, আল আমিন, মিলন ও মুজিব হাওলাদার।

মামলায় দুই অভিযুক্ত ইব্রাহিম ওরফে বাহাদুর ও মো. হাসানকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয় । অপর আসামি আনোয়ারের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

মামলা বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্লাটিনাম স্কুল মাঠে বাপ্পী ও তার বন্ধু রাজু বসে গল্প করছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা হকিস্টিক ও রড নিয়ে রাজুর ওপর হামলা চালায়। বাপ্পী রাজুকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে। এই সুযোগে রাজু পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বাপ্পীকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে রাতে তার মৃত্যু হয়।

পরদিন নিহত বাপ্পীর বড় ভাই হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মানস রঞ্জন ঘোষ ২০১২ সালের ৩১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।#

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।