হানিয়ার সাথে ফোনালাপে পেজেশকিয়ানের ঘোষণা
‘কঠিন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনকে একা ফেলে যাবে না ইরান’
-
ইসমাইল হানিয়া ও পেজেশকিয়ান
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইল যে বর্বর গণহত্যা চালাচ্ছে তার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
গতকাল (রোববার) ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পলিট ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়ার সাথে ফোনালাপের সময় এই ঘোষণা দেন ইরানের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।
তিনি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, চলমান কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফিলিস্তিনিদেরকে একা ফেলে যাবে না ইরান। গাজার খান ইউনুস শহরের আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে সম্প্রতি ইহুদিবাদী ইসরাইল যে ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইসরাইলের ওই হত্যাযজ্ঞে ৯০ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং তিনশ’র বেশি আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে বহুসংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে।
ফোনালাপে পেজেশকিয়ান বলেন, এই ভয়াবহ অপরাধযজ্ঞ প্রমাণ করে- ইহুদিবাদী ইসরাইল গণহত্যা চালিয়ে যেতে চায় এবং তারা ফিলিস্তিনিদের মনোবল ভেঙে দিতে চেষ্টা করছে কিন্তু তারা তা করতে পারবে না।
ইরানের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আরো ঘোষণা দেন, ফিলিস্তিনি সমস্যা যেহেতু মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রীয় সমস্যা, সে কারণে তার প্রশাসন ফিলিস্তিন ইস্যুকে অগ্রাধিকারের শীর্ষে রাখবে। চলমান এই যুদ্ধ এবং গণহত্যা বন্ধের জন্য ইরান সবকিছু করবে বলেও মাসুদ পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন।
ফোনালাপে ইসমাইল হানিয়া ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আবারো মাসুদ পেজেশকিয়ানকে অভিনন্দন জানান। এরপর তিনি গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের চলমান ঘৃণ্য গণহত্যা ও আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করেন। আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরের গণহত্যার কথা তিনি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।
হানিয়া বলেন, প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতাদের হত্যার জন্য অভিযান পরিচালনার মিথ্যা দাবির মধ্য দিয়ে ইহুদিবাদী ইসরাইল মূলত তার হত্যাযজ্ঞকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছে। হানিয়া বলেন, হামাস-সহ অন্য প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থান গ্রহণের পরও ইসরাইল এই বর্বরতা চালিয়েছে। গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান যে অবস্থান নিয়েছে তারও প্রশংসা করেন ইসমাইল হানিয়া।#
পার্সটুডে/এসআইবি/১৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।