তাইওয়ানের আশপাশে চীনের সামরিক মহড়া নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/event-i155652-তাইওয়ানের_আশপাশে_চীনের_সামরিক_মহড়া_নিয়ে_ট্রাম্পের_প্রতিক্রিয়া
পার্সটুডে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নিকট ভবিষ্যতে তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে চীনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা বলে তিনি কম মনে করেন।
(last modified 2025-12-30T12:59:26+00:00 )
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫ ১৮:৩১ Asia/Dhaka
  • তাইওয়ানের আশপাশে চীনের সামরিক মহড়া নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

পার্সটুডে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নিকট ভবিষ্যতে তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে চীনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা বলে তিনি কম মনে করেন।

তাইওয়ানের আশপাশে চীনের সামরিক মহড়াকে সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "চীন গত ২০ থেকে ২৫ বছর ধরেই এ ধরনের মহড়া চালিয়ে আসছে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।"  

এদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানান, তাইওয়ানের উপকূলে চীনা সেনাবাহিনীর পরিচালিত সামরিক মহড়াগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের সরাসরি জবাব। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সম্পর্ক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

চীনের সেনাবাহিনী তাইওয়ানের আশপাশে “মিশন অব জাস্টিস ২০২৫” নামের সামরিক মহড়া পরিচালনার জন্য স্থল, নৌ, বিমান ও আর্টিলারি বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট মোতায়েন করেছে।

এই মহড়া ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত চীনের পরিচালিত ষষ্ঠ দফার সামরিক মহড়া। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছে ১১.১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার ১১ দিন পর এই মহড়া শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবিলায় চীনের নতুন বৈদেশিক বাণিজ্য আইন সংশোধন

অন্যদিকে, চীন ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর তাদের বৈদেশিক বাণিজ্য আইনে সংশোধনী অনুমোদন করেছে। এই সংশোধনীর লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক যুদ্ধ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে কৌশলগত ধাতুর রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং প্রায় ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা।

চীনের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থায় অনুমোদিত এই সংশোধনীগুলো ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। এটি বৈদেশিক বাণিজ্য আইন আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তিতে যোগদানের সম্ভাবনা বাড়ানো।

এই বাণিজ্য চুক্তিতে জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আরও কয়েকটি বড় অর্থনীতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মূলত এটি চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রভাবের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গঠিত হলেও এখন বেইজিং নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে এই অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে একটি অবস্থান নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।#

পার্সটুডে/এমএআর/৩০