ওয়াশিংটন বিশ্বের প্রধান পারমাণবিক হুমকি: মার্কিন মিডিয়া
-
ওয়াশিংটন বিশ্বের প্রধান পারমাণবিক হুমকি
পার্সটুডে-বিশ্ব সম্প্রতি একটি বিরল এবং আপাতদৃষ্টিতে ইতিবাচক রেকর্ড অতিক্রম করেছে।
আল-আলম নিউজ নেটওয়ার্কের বরাত দিয়ে পার্সটুডে আরও জানায়, শেষ পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর আট বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু যখন আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর ইতিহাস এবং ভূমিকার দিকে তাকাই, তখন সত্যটি আমাদের কল্পনার চেয়েও তিক্ত।
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে উত্তর কোরিয়ার শেষ পারমাণবিক পরীক্ষার পর প্রায় আট বছর হয়ে গেছে, যে বিষয়টিকে মার্কিন মিডিয়া আউটলেট ভক্স বিশ্ব শান্তির জন্য খুব একটা ভালো লক্ষণ বলে মনে করে না। প্রকাশনাটি গতকাল এক বিশ্লেষণে লিখেছে-কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও, প্রধান পারমাণবিক হুমকি এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের কাছ থেকে আসে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের দশকগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার দীর্ঘকালীন মিত্র ব্রিটেন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনের কথা বিবেচনা না করেই নির্মমভাবে কয়েক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করেছে। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে কয়েক ডজন পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে এবং এই পরীক্ষাগুলোর বেশিরভাগই ভূমির উপরে পরিচালিত হয়েছে। বিশ্বকে সামরিক শক্তিমত্তা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের ভয় দেখানোর জন্য পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই পরীক্ষাগুলো কেবল রাজনৈতিক ও সামরিক ছিল না বরং লক্ষ লক্ষ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারাও যায়। নরওয়েজিয়ান পিপলস এইডের মতো বেসরকারি সংস্থাগুলো অনুমান করেছে যে পারমাণবিক পরীক্ষার ফলে ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে চার মিলিয়ন অকাল মৃত্যু হতে পারে। এই দেশগুলো কখনই বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা চাইছিল না; তাদের আসল লক্ষ্য ছিল শক্তি প্রদর্শন এবং ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য দেখানো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা বাস্তবায়িত হলে কেবল বিশ্ব শান্তিই বিপন্ন হবে না বরং বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতাও তীব্রতর হবে।#
পার্সটুডে/এনএম/২৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন