৪ সেপ্টেম্বর রাজনাথের নেতৃত্বে কাশ্মিরে যাচ্ছে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল
https://parstoday.ir/bn/news/india-i18532-৪_সেপ্টেম্বর_রাজনাথের_নেতৃত্বে_কাশ্মিরে_যাচ্ছে_সর্বদলীয়_প্রতিনিধি_দল
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীনগরে যাচ্ছে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল। তারা সেখানে কাশ্মির পরিস্থিতি নিয়ে সম্মিলিতভাবে চিন্তাভাবনা করবে। গতকাল (রোববার) রাজনাথ সিং কাশ্মির উপত্যকার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ২৯, ২০১৬ ১১:১১ Asia/Dhaka
  • ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং (ফাইল ফটো)
    ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং (ফাইল ফটো)

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীনগরে যাচ্ছে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল। তারা সেখানে কাশ্মির পরিস্থিতি নিয়ে সম্মিলিতভাবে চিন্তাভাবনা করবে। গতকাল (রোববার) রাজনাথ সিং কাশ্মির উপত্যকার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখেন।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের চলমান অশান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে এরইমধ্যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে।

রাজনাথ সিং এর আগে দুইবার কাশ্মির সফর করে সেখানকার সহিংসতা বন্ধ করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।এ সময় রাজনাথ বলেন,‘যারা ইনসানিয়াত(মানবিকতা),জমহুরিয়াত(গণতন্ত্র) এবং কাশ্মিরিয়াতে বিশ্বাস করেন তাদের সবার জন্য আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। সরকার তাদের সঙ্গে সংলাপের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। যদিও তার এ ধরণের আহ্বান সত্ত্বেও মূলধারার রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিশেষ সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই এবার নয়া উদ্যোগে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, কাশ্মিরে হিজবুল মুজাহিদীন কমান্ডার বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার পর থেকে একটানা ৫১ দিন পর অবশেষে আজ (সোমবার) থেকে কারফিউ তুলে নেয়া হয়েছে। যদিও কাশ্মিরের পুলওয়ামা, শ্রীনগরের এম আর গঞ্জ এবং নৌহাট্টা এলাকায় কারফিউ বলবত রয়েছে। অন্যদিকে, কাশ্মিরি নেতাদের চলমান বনধ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে কাশ্মির উপত্যকা থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বড় মাপের প্রতিবাদ বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তি বাড়ানো হয়েছে। ১৪৪ ধারার মতো নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় ১০ জন বা তার বেশি মানুষ একসঙ্গে জড়ো হতেও  পারবে না। গত ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৭০ জন নিহত এবং কমপক্ষে ১১ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এদের মধ্যে বেসামরিক ব্যক্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মীরাও রয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/জিএআর/২৯