কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আরও ১ যুবক নিহত
https://parstoday.ir/bn/news/india-i18772-কাশ্মিরে_নিরাপত্তা_বাহিনীর_গুলিতে_আরও_১_যুবক_নিহত
কাশ্মিরে বারামুল্লায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আজও আরও এক প্রতিবাদী যুবক নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। এ নিয়ে কাশ্মিরে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। 
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
আগস্ট ৩১, ২০১৬ ১১:৩৮ Asia/Dhaka
  • কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আরও ১ যুবক নিহত

কাশ্মিরে বারামুল্লায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আজও আরও এক প্রতিবাদী যুবক নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। এ নিয়ে কাশ্মিরে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। 

দানিশ মনজুর নামে (২৮) নিহত ওই যুবকের বাড়ি উত্তর কাশ্মিরের বারামুল্লা জেলার নাদিহালে। সংঘর্ষে আহতদের প্রথমে বারামুল্লা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এদের মধ্যে ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্রীনগরে পাঠানো হয়।

ফল বোঝাই ট্রাক নিতে বাধা দেয়ায় বিক্ষুব্ধরা নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশ্যে পাথর ছুঁড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। উত্তর কাশ্মিরের লাদোরাতে মানুষজন বিক্ষোভ দেখাতে সড়কে নেমে আসে। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত জওয়ান পাঠানো হয়েছে।  

আজ (বুধবার) দক্ষিণ কাশ্মিরের সোপিয়ানে প্রতিবাদী জনতাকে সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী পেলেট গান থেকে ছররা গুলি চালালে কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের শ্রীনগরে স্থানান্তর করা হয়। এখানে ক্ষুব্ধ জনতা নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়লে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এদিকে, আজ বান্দিপোরার গুলশান চকে প্রতিবাদী যুবক এবং সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এখানে একটি ব্যাংকের কাছে অবরুদ্ধ সড়ক মুক্ত করতে গেলে প্রতিবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গোলযোগের সূত্রপাত হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে পাথর ছোঁড়া যুবকদের প্রতিহত করতে প্রথমে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয় এবং পরে পেলেট গানের ছররা গুলি চালানো হয়।

এছাড়া,আজ বাঘ বান্দিপোরা এবং নোয়াপোরাতেও ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, গোটা কাশ্মির উপত্যাকা থেকে কারফিউ প্রত্যহার করে নেয়া হয়েছে যদিও ১৪৪ ধারা মোতাবেক ৫ বা তার বেশি লোক এক জায়গায় একসঙ্গে জড়ো হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকছে।

কারফিউ প্রত্যাহার করার পর শ্রীনগরে লোকজন বাজার থেকে সবজি, দুধ, রুটি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটা করেন। শহরে বেসরকারি যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেলেও প্রধান মার্কেট, গণপরিবহণ ব্যবস্থা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ ৫৪ দিনেও বন্ধ হয়ে রয়েছে। কাশ্মিরে আন্দোলনকারী নেতারা আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বনধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৩১