পাকিস্তানের কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগ: কাশ্মির পুলিশের কর্মকর্তা বরখাস্ত
https://parstoday.ir/bn/news/india-i22924-পাকিস্তানের_কাছে_তথ্য_পাচারের_অভিযোগ_কাশ্মির_পুলিশের_কর্মকর্তা_বরখাস্ত
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মির পুলিশের সিনিয়র এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টের কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তানভীর আহমদ নামে ওই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে বরখাস্ত করা হয়েছে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
অক্টোবর ১৪, ২০১৬ ১১:৩৯ Asia/Dhaka
  • কাশ্মির পুলিশ
    কাশ্মির পুলিশ

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মির পুলিশের সিনিয়র এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টের কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তানভীর আহমদ নামে ওই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ডিএসপি পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত তথ্য পাক গোয়েন্দা এজেন্টকে জানিয়েছেন বলে অভিযোগ।   

আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে প্রকাশ, ওই পাকিস্তানি এজেন্ট ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘মেজর’ পরিচয় দিয়ে তানভীরকে ফোন করে। তানভীর সেসময় শ্রীনগর পুলিশ কন্ট্রোল রুমে মোতায়েন ছিলেন। ‘মেজর সঞ্জীব’ পরিচয় দিয়ে ওই এজেন্ট নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন, তাদের প্রস্তুতি সংক্রান্ত তথ্য জানতে চায়। তানভীরের কাছ থেকে কুপওয়াড়া এবং বারামুল্লা এলাকার তথ্য ভালোভাবে জেনে নেয় ওই এজেন্ট।

হিজবুল মুজাহিদীন কমান্ডার বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার পর কাশ্মির উপত্যাকায় যখন সহিংসতা চরমে সেসময় ওই পাক এজেন্ট এসব তথ্য জেনে নেয়। গত ২০ আগস্ট তানভীর নামে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন করে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট।

তানভীর ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেয়া এজেন্টকে জানান, দুটি জেলায় ১২ কোম্পানি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন আছে। পাক ওই এজেন্ট একটি ইমেইল আইডি দেয় এবং তাতে সমস্ত তথ্য জানানোর জন্য বলে।

কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই ফোন কলের বিষয়টি জানতে পারে এবং জম্মু-কাশ্মিরের ডিজিপিকে বিষয়টি জানায়। এরপর এ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয় এবং তানভীর নামে সিনিয়র ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনিচ্ছাকৃতভাবে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   

গণমাধ্যমের একটি সূত্র বলছে, অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার সাফাইতে দাবি করেছেন, প্রায় এক মাস আগে কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। ফোন করা ব্যক্তি নিজেকে ‘আর্মি কমান্ডার’ বলে পরিচয় দেয় এবং উপত্যাকার বিভিন্নস্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়েছিল। তথ্য শেয়ার করার আগে তিনি এসপি’র অনুমতি নিয়েছিলেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করেছেন বলে অভিযোগ।

গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশ, গত কয়েক বছর ধরে কাশ্মির উপত্যাকার পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে পাকিস্তান থেকে এ ধরণের ফোন আসছে। ফোন করা ব্যক্তি সাধারণত নিজেকে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন এবং অবস্থান সম্পর্কে জানতে চায়। কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা অবশ্য সাধারণভাবে এ ধরণের কথাকে প্রত্যাখ্যান করে সঠিক অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে আসার কথা বলেন। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৪