জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানি সেনার গুলিতে আরেক বিএসএফ জওয়ান নিহত
-
বিএসএফ সদস্য সুশীল কুমার
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে আরেক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন। হরিয়ানা রাজ্যের কুরুক্ষেত্র এলাকার বাসিন্দা সুশীল কুমার রোববার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাক সেনাদের গুলিতে দুই বিএসএফ জওয়ান নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এল। সুশীল কুমার নামে নিহত ওই জওয়ান বিএসএফের হেড কনস্টেবল ছিলেন।
রোববার রাতে জম্মুর আরএসপুরা সেক্টরে ভারত এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের সময় ওই বিএসএফ জওয়ান গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় দুই নারীসহ তিন বেসামরিক ব্যক্তিও আহত হন। বিএসএফ জওয়ানসহ আহত সকলকেই দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু গতরাতে মারা যান ওই জওয়ান।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর পাক রেঞ্জার্সদের গুলিতে হীরানগর সেক্টরে মোতায়েন গুরনাম সিং আহত হন। গত ২২ অক্টোবর রাতে মারা যান গুরনাম। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই ২৩ অক্টোবর রাতে ফের আরেক বিএসএফ জওয়ান নিহত হলেন।
গতকালই বিএসএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল- তারা যে কোনো পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। রোববার বিএসএফের ওয়েস্টার্ন কমান্ডের অতিরিক্ত মহানির্দেশক অরুণ কমার নিহত বিএসএফ জওয়ান গুরুনাম সিংয়ের লাশে পুস্পস্তবক দেয়ার পর পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘বিএসএফের কোনো জওয়ানকে টার্গেট করা হলে তাদের মারাত্মক পরিণাম ভোগ করতে হবে। আমরা পুরোপুরি তৈরি রয়েছি। ওরা যদি কিছু করার চেষ্টা করে তাহলে তার যোগ্য জবাব দেয়া হবে।’
কার্যত বিএসএফ কর্মকর্তা অরুণ কুমার এ ধরণের দাবি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রোববার রাত থেকে একনাগাড়ে পাকিস্তানের দিক থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়। পাক রেঞ্জার্সরা অরনিয়া, প্লানবলা, বালা এবং আখনুর সেক্টরসহ কমপক্ষে ২০ টি বিএসএফ শিবির লক্ষ্য করে গুলি এবং মর্টার হামলা চালায়। ভারতীয় সেনারাও পাল্টা গুলি চালিয়ে এর জবাব দেয়।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৪