জম্মু-কাশ্মিরে পিডিপি নেতা নিহত, নয়াদিল্লিতে মোদি-মেহবুবা বৈঠক
-
মেহবুবা মুফতি ও নরেন্দ্র মোদি
জম্মু-কাশ্মিরে ক্ষমতাসীন দল পিডিপির পুলওয়ামা জেলার সভাপতি আব্দুল গণি দার অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছে। গতকাল (সোমবার) পুলওয়ামা জেলার পিংলেনা এলাকায় তিনি হামলার স্বীকার হন। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজ্যে সাম্প্রতিক উপ-নির্বাচনের পর থেকে এ নিয়ে তৃতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিহত হলেন।
পুলিশ বলছে, গত ৯ এপ্রিল সংসদীয় উপনির্বাচনের পরে কমপক্ষে ৩ রাজনৈতিক নেতা নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জন ক্ষমতাসীন পিডিপি এবং একজন ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের নেতা।
অন্যদিকে, উপ-নির্বাচনের দিন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সেখানে চলমান বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশি পদক্ষেপে কমপক্ষে ১০ যুবক নিহত হয়েছে।
এদিকে, আজ রাজ্যের অস্থির পরস্থিতি সম্পর্কে অবগত করাতে নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি আগামী ২/৩ মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। মেহবুবা যেকোনো উপায়ে সংলাপের রাস্তা বের করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর পথ অনুসরণ করার উপরে জোর দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মেহবুবা সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংলাপের মাধ্যমেই কাশ্মির সমস্যার সমাধান বেরোবে।’
তিনি বলেন, ‘বাজপেয়ীর নীতিতে সংলাপের মাধ্যমে কাশ্মির সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসবে। প্রথমে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে এবং পরে আলোচনা চালাতে হবে।’
অন্যদিকে, রাজ্যের পরিস্থিতি খারাপের জন্য কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পিডিপি-বিজেপি জোট সরকারকে দায়ী করেছেন। কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা গুলামনবী আজাদ বলেন, রাজ্যে যতদিন পিডিপি-বিজেপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকবে ততদিন উপত্যাকার পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
অন্যদিকে, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞাসহ স্কুল কলেজ বন্ধ করে রাখার দিকে ইঙ্গিত করে ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ডা. ফারুক আবদুল্লাহ বলেছেন, সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে কী ফায়দা হবে? বরং এতে পরিস্থিতি বেশি খারাপ হবে।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৫