পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন: বিজেপি-কংগ্রেসের আবেদন হাইকোর্টে খারিজ
https://parstoday.ir/bn/news/india-i56294-পশ্চিমবঙ্গে_পঞ্চায়েত_নির্বাচন_বিজেপি_কংগ্রেসের_আবেদন_হাইকোর্টে_খারিজ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কোলকাতা হাইকোর্ট। আজ (মঙ্গলবার) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বিরোধীদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে 'রাজ্য নির্বাচন কমিশন আদালতের নির্দেশে কাজ করছে' বলে মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
এপ্রিল ২৪, ২০১৮ ১৪:৪১ Asia/Dhaka
  • কোলকাতা হাইকোর্ট
    কোলকাতা হাইকোর্ট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কোলকাতা হাইকোর্ট। আজ (মঙ্গলবার) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বিরোধীদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে 'রাজ্য নির্বাচন কমিশন আদালতের নির্দেশে কাজ করছে' বলে মন্তব্য করেন।

গতকাল (সোমবার) পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় বিভিন্ন জেলায় শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে কোলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কংগ্রেস ও বিজেপি।

অন্যদিকে, গতকাল যারা হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট আজ তাদেরকে বৈধতা দিয়েছে। আদালতের ওই সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাচ্ছে না। গতকাল সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার বর্ধিত দিনে ভাঙড়ের ৯ প্রার্থী হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়নপত্র পাঠান সমষ্টি উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে। আজ (মঙ্গলবার) পঞ্চায়েত নির্বাচন মামলার শুনানির সময় হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ওই মনোনয়নপত্রগুলো গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়।

তৃণমূলের এমপি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের এমপি ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইকোর্টে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার দিন বাড়াতে কংগ্রেস যে রিট পিটিশন মুভ করেছে সে প্রসঙ্গে মাননীয় বিচারপতি বলেছেন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ীই নির্বাচন কমিশন কাজ করেছে সুতরাং ওই আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি ইত্যাদি অভিযোগ করে বিজেপি যে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন তার পাল্টা জবাবে বলেছে গতকাল বিজেপি’র পক্ষে কতজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। সেজন্য একই যুক্তিতে আদলতে বিজেপি’র আবেদন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।’

সিপিএম নেতা মুহাম্মদ সেলিম

এদিকে, সিপিএম নেতা মুহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেয়া নিয়ে যা কিছু ঘটছে খুনোখুনি, মারামারি, বস্ত্রহরণ থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে ঢুকে কর্মীদের মারা হয়েছে। এমনকি মৃতদেহ নিয়েও এটা আমার লোক, ওটা ওর লোক- এভাবে রাজ্যে কোনোদিন আমরা নির্বাচন হতে দেখিনি।’

রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘বিচারপতিরা চাচ্ছেন মানুষ নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পাক। কিন্তু বাংলার তৃনমূল নেতৃত্ব ও পুলিশ তারা তা চাচ্ছে না। সেজন্য তারা গোটা বাংলা জুড়ে সহিংসতা ও আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করেছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি বাংলার।’#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৪