অসমের ১৭ জেলা বন্যা কবলিত: ৪ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরছাড়া
https://parstoday.ir/bn/news/india-i71904-অসমের_১৭_জেলা_বন্যা_কবলিত_৪_লাখেরও_বেশি_মানুষ_ঘরছাড়া
ভারতের অসমের ১৭টি জেলা বন্যাকবলিত হয়ে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অসমের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে,  ব্রহ্মপুত্র নদীর অতিরিক্ত পানির জন্য রাজ্যের ১৭টি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এরফলে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৮৬ জন মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বন্যার জন্য ১৬ হাজার ৭৩০.৭২ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুলাই ১২, ২০১৯ ১৫:২৭ Asia/Dhaka
  • অসমে বন্যা
    অসমে বন্যা

ভারতের অসমের ১৭টি জেলা বন্যাকবলিত হয়ে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অসমের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে,  ব্রহ্মপুত্র নদীর অতিরিক্ত পানির জন্য রাজ্যের ১৭টি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এরফলে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৮৬ জন মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বন্যার জন্য ১৬ হাজার ৭৩০.৭২ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

অন্যদিকে, নদী ভাঙনের জন্য ১৯টি গ্রামের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ৬৪টির বেশি সড়ক ও কমপক্ষে এক ডজন সেতু পানিতে ডুবে রয়েছে। ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত সেনা ও এনডিআরএফ টিম পানির মধ্যে আটকে পড়া মানুষজনকে উদ্ধার করছে।

বন্যায় ধেমাজী, লাখিমপুর, বিশ্বনাথ, বরপেটা, চিরাং, গোলাঘাট, জোরহাট বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে, রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য পাঁচটি ত্রাণ শিবির গড়ে তুলেছে।

ব্রহ্মপুত্র নদীতে অতিরিক্ত পানি প্রবাহ

বঙাইগাঁও জেলার মানস নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নাম্বারপাড়া, তৃতীয়, চতুর্থ ও প্রথম খণ্ড চর, বাংলাপাড়া, মাত্ৰাঘোলা, বড়ইচালা ইত্যাদি এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যা কবলিত হয়েছে। কৃষিপ্রধান নাম্বারাপাড়া তৃতীয় খণ্ড, বাংলাপাড়া, শৌলমারি, নোয়াগাঁও, ঝাউবাড়ি প্রভৃতি অঞ্চলের কয়েক হাজার বিঘা ধান, পাটের খেত ইত্যাদি প্লাবিত হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম সঙ্কট দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

অসম ও মিজোরাম সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পাহাড়ী এলাকায় ভূমিধসের সতর্কতা জারি করেছে। ইটানগরে ধারাবাহিক বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসে গত বুধবার এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

অতিবর্ষণের ফলে ভূমিধস

এদিকে, উত্তর প্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পশ্চিম বিহার ও পূর্ব উত্তর প্রদেশের অনেক জেলায়, গত চারদিন ধরে একনাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। এরফলে গন্দক, নারায়ণি, কোসি, রাপতী ও ঘাঘরাসহ বেশকিছু নদীর পানিরস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এসব নদী এখনো বিপদসীমার নীচে প্রবাহিত হচ্ছে।# 

 

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১২