কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের কঠোর সমালোচনা করল মার্কিন কংগ্রেস
https://parstoday.ir/bn/news/india-i74713-কাশ্মীর_পরিস্থিতি_নিয়ে_ভারতের_কঠোর_সমালোচনা_করল_মার্কিন_কংগ্রেস
কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে এক শুনানিতে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট উপ-কমিটি। আজ (বুধবার) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিভাগীয় কর্মকর্তা অ্যালিস জি ওয়েলসও তাঁর রিপোর্টে কাশ্মীরে ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। একইসঙ্গে মৌলবাদী সংগঠনগুলোকে একনাগাড়ে মদদ দেয়া নিয়ে পাকিস্তানেরও সমালোচনা করেছেন ওয়েলস।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ২৩, ২০১৯ ১৭:১৭ Asia/Dhaka
  • অ্যালিস জি ওয়েলস
    অ্যালিস জি ওয়েলস

কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে এক শুনানিতে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট উপ-কমিটি। আজ (বুধবার) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিভাগীয় কর্মকর্তা অ্যালিস জি ওয়েলসও তাঁর রিপোর্টে কাশ্মীরে ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। একইসঙ্গে মৌলবাদী সংগঠনগুলোকে একনাগাড়ে মদদ দেয়া নিয়ে পাকিস্তানেরও সমালোচনা করেছেন ওয়েলস।

ওয়েলস বলেন, ‘আমরা জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা অপসারণকে সমর্থন করলেও উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা জম্মু-কাশ্মীরের নেতাদের এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের গৃহবন্দি ও কারাবন্দি রাখায় ভারত সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ভারত সরকারকে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে বলেছি। এর পাশাপাশি আমরা উপত্যকার সমস্ত পরিসেবা যারমধ্যে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন পরিসেবা পুনরুদ্ধার করতে বলেছি।’

অ্যালিস বলেন, ‘স্থানীয় ও বিদেশি সাংবাদিকরা কাশ্মীরের ঘটনা নিয়ে খবর করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নিরাপত্তার কঠোরতার জন্য অধিকাংশ জায়গায় যেতেই পারেননি। প্রকৃত সংখ্যা না পেলেও আমাদের ধারণা বিপুল সংখ্যক মানুষকে গত দু’মাস আটক করে রাখা হয়েছে। পরে অবশ্য অনেককে ছেড়ে দেয়াও হয়েছে।’

অ্যালিস বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন যেখানে গত ৫ আগস্ট থেকে প্রায় ৮০ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটির শুনানিতে সেনেটর প্রমীলা জয়পাল বলেন, ‘কাশ্মীরে বিনা অভিযোগে প্রায় ১২ জন শিশুকে আটক করার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।’

ইলহান ওমর

 

সিনেটর ইলহান ওমর বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপরেও নির্ভরশীল। নরেন্দ্র মোদি সরকার ও বিজেপি ওই মূল্যবোধকে সঙ্কটে ফেলছে।’

মার্কিন কংগ্রেসের কমিটির ওই বৈঠকের আগে আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ওই কমিটির সদস্যদের কাছে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে নয়াদিল্লীর পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করেন। কাশ্মীর থেকে সেই রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা সম্বলিত ৩৭০ ধারা বাতিলের যৌক্তিকতা ও উপত্যকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা নিয়ে সরকারের প্রয়াসকে তুলে ধরেন। কিন্তু এর পরেও মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাশ্মীর নিয়ে কঠোর মনোভাব তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।