ভারতের ৯ রাজ্যে হিন্দুদের 'সংখ্যালঘু মর্যাদা' দেয়ার আবেদন খারিজ
-
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট হিন্দুদের 'সংখ্যালঘু মর্যাদা' দেয়ার জন্য দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি করতে অস্বীকার করেছে। আবেদনকারী অশ্বিনী উপাধ্যায় সাফাই দিয়েছিলেন- দেশের ৯টি রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু এবং সেখানকার সংখ্যালঘুদের জন্য নির্ধারিত কোনও সুযোগ সুবিধা তারা পাচ্ছে না। তাঁর দাবি, এসব রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষজন সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে।
আজ (বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্ট এ সংক্রান্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আবেদনকারীকে তাঁর বক্তব্য হাইকোর্টে রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছে। বিচারপতি আর এফ নরিমন এবং বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাটের সমন্বিত বেঞ্চ এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উচ্চ আদালতের কাছে আবেদন করতে বলেছে।
আইনজীবী ও বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায় সাফাই দিয়েছিলেন যে, লাদাখের হিন্দু জনসংখ্যা এক শতাংশ। মিজোরামের ২.৭৫ শতাংশ, লাক্ষাদ্বীপে ২.৭৭ শতাংশ, কাশ্মীরের চার শতাংশ, নাগাল্যান্ড ৮.৭৪ শতাংশ, মেঘালয় ১১.৫২ শতাংশ, অরুণাচল প্রদেশে ২৯.২৪ শতাংশ, পাঞ্জাবে ৩৮.৪৯ শতাংশ এবং মণিপুরে ৪১.২৯ শতাংশ হিন্দু জনসংখ্যা রয়েছে। কিন্তু এসব রাজ্যে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার সময় তারা সংখ্যালঘুদের জন্য নির্দিষ্ট কোনও সুবিধা পায় না।
বিজেপি নেতা তাঁর আবেদনে ২০০২ সালের একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সেসময় বলেছিল, কোনও অঞ্চলে যারা সংখ্যায় কম তাদের ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য সংবিধানের ৩০(১) অনুচ্ছেদের অধীনে স্কুল-কলেজ খোলার অধিকার রয়েছে।
অশ্বিনী উপাধ্যায় তাঁর আবেদনে বলেন, গোটা দেশে যেভাবে সংখ্যালঘু পরিচালিত পরিচালিত স্কুল বা মাদ্রাসা খোলা হয় একইভাবে, হিন্দুদেরও উল্লেখিত নয়টি রাজ্যে এই জাতীয় অনুমতি দেওয়া উচিত। এই স্কুলগুলোর বিশেষ সরকারী সুবিধা পাওয়া উচিত বলেও দাবি জানান।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।