জম্মু-কাশ্মীরে পৃথক সংঘর্ষে ৩ পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৬
-
নিহত এক পুলিশের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে অজ্ঞাত গেরিলা হামলায় মুহাম্মাদ ইউসুফ ও সুহাইল আহমদ নামে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্য দু’টি পৃথক ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিন গেরিলা ও পুলিশের এক বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা ‘এসপিও’ নিহত হয়েছেন।
আজ (শুক্রবার) শ্রীনগরের বাঘত বারজুল্লায় প্রকাশ্য দিবালোকে অজ্ঞাত এক গেরিলার এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের ফলে পুলিশের দুই জওয়ান নিহত হওয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। হামলাকারী স্বয়ংক্রিয় বন্দুকধারী গেরিলা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সন্ত্রাসী হামলায় দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। কাশ্মীর রেঞ্জের পুলিশের আইজি বিজয় কুমার বলেন, ওই হামলার ঘটনায় লস্কর-ই-তাইয়্যেবার দুই সন্ত্রাসী যুক্ত।
এনডিটিভি হিন্দি ওয়েবসাইট সূত্রে প্রকাশ, হামলাকারী খুব কাছ থেকে গুলিবর্ষণ করলে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। ওই পুলিশ জওয়ানরা একটি চায়ের দোকানে ছিলেন। আহত জওয়ানদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তারা মারা যান। শ্রীনগরে গত তিনদিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় হামলার ঘটনা।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, হামলাকারীদের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আজ শ্রীনগরের বাঘত বারজুল্লা এলাকায় একটি বাজার সংলগ্ন এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় গুলিবর্ষণের দৃশ্য ধরা পড়েছে। এ সময়ে স্থানীয় দোকানদার ও মানুষজন আতঙ্কে দৌড়োদৌড়ি শুরু করে দেন।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ানের বাদিগামে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ৩ গেরিলা নিহত হয়েছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত থেকে নিরাপত্তা বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।
একইসঙ্গে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মধ্য কাশ্মীরের বাডগামের বীরবাহতে নিরাপত্তা বাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষে মুহাম্মাদ আলতাফ আহমদ নামে পুলিশের এক ‘এসপিও’ নিহত এবং মনজুর আহমদ নামে এক পুলিশ কনস্টেবল গুরুতর আহত হয়েছেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।