ভারতে একদিনেই সোয়া ১ লাখ করোনা আক্রান্ত, বিভিন্ন রাজ্যে রাত্রিকালীন কারফিউ
https://parstoday.ir/bn/news/india-i89798-ভারতে_একদিনেই_সোয়া_১_লাখ_করোনা_আক্রান্ত_বিভিন্ন_রাজ্যে_রাত্রিকালীন_কারফিউ
ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশে করোনার প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউ কার্যত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে!
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
এপ্রিল ০৮, ২০২১ ১৩:৩২ Asia/Dhaka
  • ভারতে একদিনেই সোয়া ১ লাখ করোনা আক্রান্ত, বিভিন্ন রাজ্যে রাত্রিকালীন কারফিউ

ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশে করোনার প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউ কার্যত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে!

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশ, গতকাল (বুধবার) সকাল ৮ টা থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৮৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত একদিনে এটিই সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে করোনায় ৬৮৫ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। 

সরকারি সূত্রে প্রকাশ, এ পর্যন্ত মোট করোনার রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৫৭৪। করোনায় মোট মারা গেছেন, ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৩ জন। বর্তমানে, দেশে ৯ লাখ ১০ হাজার ৩১৯ জন সক্রিয় করোনা রোগী হাসপাতাল অথবা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন। 

ভারতে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো একদিনে করোনায় নয়া আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখের উপরে উঠেছে। করোনার প্রথম ঢেউয়ে কখনও এক লাখের বেশি আক্রান্তের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে একদিনে তিনবার করোনা সংক্রমণের সংখ্যা এক লাখেরও বেশি সংখ্যায়   ছাড়িয়ে গেছে। গত (সোমবার) করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩ হাজার ৫৫৮। করোনায় মারা গিয়েছিলেন ৪৭৮ জন। গতকাল (বুধবার) করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৬। মৃত্যু হয় ৬৩০ জনের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে দিল্লী সরকার গোটা রাজ্যে ৬ এপ্রিল থেকে রাত্রিকালীন কারফিউ কার্যকর করেছে। 

মধ্য প্রদেশে ৮ এপ্রিল থেকে সমস্ত শহর এলাকায় রাত্রিকালীন কারফিউের ঘোষণা করা হয়েছে।পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাত ১০ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত কারিফিউ কার্যকর থাকবে। এছাড়া প্রত্যেক রোববার সমস্ত শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন থাকবে।রাজস্থানে রাজ্যের ১০ টি শহরে রাত ১০ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ কার্যকর রয়েছে। 

উত্তর প্রদেশে লক্ষনৌ ও বারানসীতে ৮ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলায় ছত্তিসগড়ের রায়পুর শহরে ৯ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।  গুজরাটে উদ্বেগজনক করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ৮টি পৌরসভা এবং ২০টি শহরে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এসব রাজ্য ছাড়াও মহারাষ্ট্রে আগেই করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।    

পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার/৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।