বিদেশে ইরানি জনগণ ও স্বার্থে আঘাত সহ্য করা হবে না: তেহরান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i133946-বিদেশে_ইরানি_জনগণ_ও_স্বার্থে_আঘাত_সহ্য_করা_হবে_না_তেহরান
গত দু’দিনে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে ইরানকে একাধিক বার্তা দেয়া হয়েছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, বিদেশে অবস্থানরত ইরানি নাগরিক কিংবা স্বার্থে আঘাত হানা হলে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ৩১, ২০২৪ ০৭:১৭ Asia/Dhaka
  • বিদেশে ইরানি জনগণ ও স্বার্থে আঘাত সহ্য করা হবে না: তেহরান

গত দু’দিনে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে ইরানকে একাধিক বার্তা দেয়া হয়েছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, বিদেশে অবস্থানরত ইরানি নাগরিক কিংবা স্বার্থে আঘাত হানা হলে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে।

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে গতকাল (মঙ্গলবার) এই গুঞ্জন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে যে, আমেরিকার একাধিক বার্তার জবাবে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দিয়েছে যে, মার্কিন বাহিনী যদি সরাসরি ইরানের ভূমিতে আঘাত হানে তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানবে তেহরান।

কিন্তু মঙ্গলবারই জাতিসংঘের ইরান মিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, তেহরান এ ধরনের কোনো বার্তা গ্রহণ করেনি এবং ওয়াশিংটনকে কোনো হুঁশিয়ারিও দেয়নি।  তবে ইরানের মৌলিক নীতি হচ্ছে- যে কোনো পক্ষ যদি ইরানের ভূমিতে কিংবা বিদেশে ইরানি স্বার্থ ও নাগরিকদের ওপর হামলা চালায় তাহলে তেহরান তার সমুচিত জবাব দেবে। এই নীতি সব সময় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

গত ২৮ জানুয়ারি জর্দানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী একটি ছোট মার্কিন ঘাঁটিতে অজ্ঞাত ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত ও অপর ৪০ জনেরও বেশি আহত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ওই হামলার জন্য ‘ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের’ দায়ী করে এর প্রতিশোধ গ্রহণের হুমকি দেন।

এরপর জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের প্রধানের কাছে লেখা এক চিঠিতে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে তৎপর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কোনো ধরনের তৎপরতার দায় ইরান নেবে না।  তিনি বলেন, এ অঞ্চলের প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর প্রতি ইরানের নৈতিক সমর্থন থাকলেও  এসব সংগঠন তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং সেখানে তেহরানের কোনো হাত নেই।

গত ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইল ভয়াবহ গণহত্যা শুরু করার পর সিরিয়া ও ইরাকের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরাইল ও তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানতে শুরু করে। এসব আন্দোলন বলছে, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের অভিযান চলবে। #

পার্সটুডে/এমএমআই/৩১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।