মিনাব স্কুলে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের জন্য ইরানের আহ্বান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i160698-মিনাব_স্কুলে_হত্যাকাণ্ডে_জড়িতদের_বিচারের_জন্য_ইরানের_আহ্বান
পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত দক্ষিণ ইরানের মিনাব স্কুলের "ভয়াবহ অপরাধ"-এর নিন্দা জানিয়েছেন এবং এ নৃশংসতার সাথে জড়িত সকল অপরাধী, পরিকল্পনাকারী ও কমান্ডারদের পূর্ণ জবাবদিহিতার দাবি করেছেন।
(last modified 2026-06-25T07:04:30+00:00 )
জুন ২৫, ২০২৬ ১৩:০১ Asia/Dhaka
  • •  জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি
    • জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি

পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত দক্ষিণ ইরানের মিনাব স্কুলের "ভয়াবহ অপরাধ"-এর নিন্দা জানিয়েছেন এবং এ নৃশংসতার সাথে জড়িত সকল অপরাধী, পরিকল্পনাকারী ও কমান্ডারদের পূর্ণ জবাবদিহিতার দাবি করেছেন।

ইরানিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, জাতিসংঘ মহাসচিবের ২০২৫ সালের প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা পরিষদের "শিশু ও সশস্ত্র সংঘাত" বিষয়ক বার্ষিক সভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, "জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি শাসনের ১২ দিনের আগ্রাসী যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক পরিণতি, বিশেষ করে শিশুদের উপর এর প্রভাব, যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি, যেখানে ১২ দিনের ওই আগ্রাসনের সময় ৪৭ জন ইরানি শিশু শহীদ হয়েছে।"

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল কর্তৃক ইরানি শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যতম ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি সমাধান না করে আমরা শিশু সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে পারি না।

ইরাভানি বলেন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সাম্প্রতিক আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই আগ্রাসনের সময়, অন্যান্য বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি অসংখ্য স্কুল এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আঘাত হানা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলায় পাঁচ বছরের কম বয়সী ১৭ জন শিশুসহ ২২০ জন শিশু শহীদ হয়েছে।

তিনি বলেন: সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধটি ঘটেছে হরমুজগান প্রদেশের মিনাব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুল চলাকালীন সময়ে, যখন ২৬৪ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে ছিল, তখন স্কুলটিতে দুটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এই হামলায় ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী ১৬৮ জন ছাত্রী, তাদের শিক্ষক ও অভিভাবক শহীদ হন এবং আরও ৯৬ জনেরও বেশি আহত হন। অনেক ভুক্তভোগী ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছিলেন এবং বেশ কয়েকটি মৃতদেহ এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছিল যে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ইরভানি বলেন: “ইরান দ্ব্যর্থহীনভাবে এই জঘন্য যুদ্ধাপরাধের নিন্দা জানায় এবং সকল অপরাধী, পরিকল্পনাকারী ও কমান্ডারদের পূর্ণ জবাবদিহিতা দাবি করে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন: “মিনাবের শিশুদের স্মৃতির জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখানে নীরবতা গ্রহণযোগ্য নয়। শিশুদের সুরক্ষা বেছে বেছে হওয়া উচিত নয়। আন্তর্জাতিক আইন অবশ্যই সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/২৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ