রিও অলিম্পিকে ভারোত্তলনে সোনা জিতলেন ইরানের কিয়ানুশ রোস্তামি
রিও অলিম্পিকে ভারোত্তলনে সোনা জিতে ইরানকে প্রথম পদক এনে দিয়েছেন ভারোত্তলক কিয়ানুশ রোস্তামি। পুরুষদের ৮৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে ৩৯৬ কেজি ওজন তুলে তিনি এ পদক লাভ করেন। এই ইভেন্টে রোমানিয়ার ভারোত্তলক গাবরিয়াল সিনক্রাইয়ান ৩৯০ কেজি ওজন তুলে রৌপ্য পদক জেতেন।
২৫ বছর বয়সী ইরানি অ্যাথলেট কিয়ানুশ রোস্তামি স্ন্যাচ বিভাগে ১৭৯ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ২১৭ কেজি তুলে নিজের রেকর্ড ভাঙেন। গত মে মাসে তিনি মোট ৩৯৫ কেজি ওজন তুলে রৌপ্য পদক জিতে রেকর্ড গড়েছিলেন। ওই রেকর্ড গড়ার সময় তিনি চীনের তিয়ান তাওকে পরাজিত করেন।
এর আগে ২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে ভারোত্তলনে ৩৮০ কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন কিয়ানুশ রোস্তামি। পুরুষদের ৮৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে স্ন্যাচে ১৭১ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ২০৯ কেজি তুলে তিনি এ পদক লাভ করেন।

কোচ ছাড়াই অলিম্পিকে সোনা!
কিয়ানুশ রোস্তামি রিও অলিম্পিকে গেছেন কোনো কোচের অধীনে প্রশিক্ষণ না নিয়েই। বিশ্ব রেকর্ড গড়ে সোনা জিতে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ইরানে অনেক ভালো ভালো কোচ আছে। কিন্তু আমি নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে চেয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেউ ভাবেনি অলিম্পিকের মতো বড় প্রতিযোগিতায় কোচ ছাড়া যাওয়া যায়! কিন্তু আমি তো এসেছি। বিশ্ব রেকর্ড গড়ে সোনাও জিতলাম।’

ইরানের অলিম্পিক ইতিহাসের ১৬ তম সোনার পদক এল এই ভারোত্তোলকের হাত ধরে। তবে, এখানেই শেষ নয়। রিও অলিম্পিকেই ভারোত্তলনে পুরুষ বিভাগে অন্তত আরও দুটো সোনার সম্ভাবনা দেখছেন রোস্তামি। ৯৪ কেজিতে সোহরাব মোরাদি আর সুপার হেভিওয়েটে বেহদাদ সালিমির ওপর অনেক আশা রোস্তামির। তিনি বলেন, ‘আমরা আরও সোনার পদক পাব। আরও বিশ্ব রেকর্ড দেখব। আমি জিতেছি। আমি মনে করি অন্যরাও সোনা নিয়েই দেশে ফিরবে।’ #
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১২