ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-২ (স্লাইডশো)
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i32361-ইরানের_ইসলামি_বিপ্লবের_সময়কার_কিছু_খণ্ডচিত্র_২_(স্লাইডশো)
ইমাম খোমেনী (রহ:)-র নির্বাসিত জীবনের সূচনা হয় ১৯৬৪ সালের ৪ নভেম্বর। তুরস্কে ১১ মাস রাখার পর ইমামকে ইরাকে পাঠানো হয়। ইমাম খোমেনী (রহ:)-কে ইরান থেকে সরিয়ে দেয়ার পর শাহ বিরোধী আন্দোলন সাময়িকভাবে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:৫২ Asia/Dhaka

ইমাম খোমেনী (রহ:)-র নির্বাসিত জীবনের সূচনা হয় ১৯৬৪ সালের ৪ নভেম্বর। তুরস্কে ১১ মাস রাখার পর ইমামকে ইরাকে পাঠানো হয়। ইমাম খোমেনী (রহ:)-কে ইরান থেকে সরিয়ে দেয়ার পর শাহ বিরোধী আন্দোলন সাময়িকভাবে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।

এ সময় শাহের নিরাপত্তা বাহিনী খোঁজে খোঁজে আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করতে থাকে এবং গ্রেফতারকৃতদের অনেককেই হত্যা করে। শাহের বাহিনীর নির্যাতনে অনেকেই পঙ্গু হয়ে যায়। শাহের স্বৈরাচারী সরকার তার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা সাভাককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করে। সাভাক সদস্যদের প্রধান দায়িত্বই ছিল শাহ বিরোধীদের সনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা এমনকি প্রয়োজনে হত্যা করা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইসরাইলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ, ইরানের সাভাকের সদস্যদেরকে এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।