ইমাম খোমেনী (রহ.)'র মাজারে সন্ত্রাসী হামলায় আহত দুই ব্যক্তির সাক্ষাৎকার
-
মাহদি কুদরাতি (বামে) ও সাঈদ মিরাকি (ডানে)
ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত ইমাম খোমেনী (রহ.)'র মাজারে ৭ জুনের সন্ত্রাসী হামলায় আহত দুই ব্যক্তি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাদের একজন হলেন মাজারের নিরাপত্তারক্ষী মাহদি কুদরাতি এবং অপর ব্যক্তি হলেন মাজার এলাকার সাধারণ কর্মী সাঈদ মিরাকি। সন্ত্রাসীদের হামলার ধরণ নিয়ে কথা বলেছেন তারা।
মাহদি কুদরাতি বলেছেন, "তখন ঘড়িতে সময় ১০টা ১০ মিনিট। আমি নিরাপত্তা চৌকিতে বসে ছিলাম। এ সময় দেখলাম দুইজন ব্যক্তি দু'টি কালাশনিকভ রাইফেল নিয়ে আমার দিকে আসছে। তাদের হাতে ব্যাগও ছিল। তারা দূর থেকেই আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাদের একটি গুলি নিরাপত্তা চৌকির কাচে এসে লাগে। আরেকটি গুলি আমার মুখমণ্ডলে এসে আঘাত হানে। আমি টেবিলের ওপর পড়ে যাই। এরপর প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। আমার সহকর্মীরা আমাকে মাজারের ক্লিনিকে নিয়ে যায়। আমার শরীর থেকে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়। নাক, কান ও চোখ থেকেও রক্ত ঝরেছে। ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। একটি অপারেশন হয়েছে। আরেকটি অপারেশন হবে। "
আরেক আহত ব্যক্তির নাম সাঈদ মিরাকি। তিনি মাজার এলাকায় সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করেন। সন্ত্রাসীদের গুলি এসে তার ঘাঁড়ে লেগেছে। তিনিও এখন তেহরানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সন্ত্রাসীদের গুলিতে কীভাবে আহত হলেন তার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, " আমি একটি গাড়ীর সাহায্যে কিছু জিনিসপত্র স্থানান্তর করছিলাম। এ সময় দুই ব্যক্তিকে গুলি ছুড়তে দেখি। একটি গুলি এসে আমার ডান ঘাড়ে ঢুকে আবার বের হয়ে যায়। এ সময় আমার কয়েক জন সহকর্মী গুলিবিদ্ধ হয় এবং সাব্য আলী নামের একজন শাহাদাৎবরণ করেন।"
ওই দিনের সন্ত্রাসী হামলায় ইমাম খোমেনী (রহ.)'র মাজারে এক ব্যক্তি শহীদ এবং কয়েক জন আহত হয়।#
পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/১০