‘তেলের বিনিময়ে পণ্য আমদানির চিন্তাভাবনা করছে ইরান’
-
ইরানের শহীদ রাজায়ি বন্দর; বিদেশ থেকে আমদানি করা বেশিরভাগ পণ্য এই বন্দরে খালাস করা হয় (ফাইল ছবি)
যেসব দেশ ইরানের কাছ থেকে তেল কিনবে বিনিময়ে সেসব দেশের কাছ থেকে পণ্য আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করছে তেহরান। এ খবর জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জ্বালানী বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য আসাদুল্লাহ কাররেখানি।
তিনি বলেছেন, তেলের বিনিময়ে পণ্য আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইরানের তেল খাতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
কাররেখানি বলেন, “ব্যাংকিং সমস্যার কারণে আমরা ডলার বা ইউরো ইরানে আনতে পারব না। কাজেই আমরা ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো তেল ক্রেতা দেশগুলোর কাছ থেকে পণ্য আমদানি করব যেটা আমরা এর আগেরবারের নিষেধাজ্ঞার সময় করেছি।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত মে মাসে পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করা হবে।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের ব্যবহারে বিধিনিষেধ আসার পাশাপাশি ইরানের তেল কেনা বা দেশটির তেলখাতে কোনো বিদেশি কোম্পানি পুঁজি বিনিয়োগ করতে পারবে না।
ইরান বর্তমানে দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাত হচ্ছে তেল। প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি অবশ্য দু’দিন আগে সুইজারল্যান্ড সফলে গিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তার দেশ তেল রপ্তানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোনো দেশ তেল রপ্তানি করতে পারবে না। #
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৫