‘ইমাম তাকি (আ.)'র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য ও শিক্ষণীয়’
২১ ফেব্রুয়ারি, রোববার রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো হল- বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, আসমাউল হুসনা, কথাবার্তা ও একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রতিটি অনুষ্ঠানই ছিল দারুণ উপভোগ্য ও শিক্ষণীয়। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে যে অনুষ্ঠানটি আমার হৃদয়কে আপ্লুত করেছে সেটি হল- হযরত ইমাম মোহাম্মাদ তাকি (আ.)'র পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত বিশেষ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি এতটাই ভালো লেগেছে যে, অনুষ্ঠান শোনা শেষ করেই চিঠি লিখতে বসলাম।
হজরত ইমাম মোহাম্মাদ তাকি (আ.)'র পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন গাজী আব্দুর রশিদ ও রেজোয়ান হোসেন। শ্রোতাদের অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তাঁদের সাবলীল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য ও শিক্ষণীয়।
অনুষ্ঠান থেকে আমরা জানতে পারি যে, ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ইমাম ছিলেন ইমাম মোহাম্মাদ তাকি (আ.)। তাঁর জন্ম হয় মদীনায়। দানশীলতা ও দয়ার জন্য তিনি ‘জাওয়াদ’ উপাধি পান।
ইসলামের মূল শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে পুনর্জীবিত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাঁর উদারতা ও মহানুভবতা সবার মনোযোগ আকর্ষণ করত। তিনি মাত্র আট বছর বয়সে ইমামতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি শৈশব ও কৈশোরে ছিলেন জ্ঞানে-গুণে অতুলনীয়। অল্প বয়সেই তিনি বড় বড় পণ্ডিতের সাথে বিতর্কে অংশ নিতেন।
ইমাম মোহাম্মাদ তাকি (আ.)’র জ্ঞান ও অলৌকিকতা সবার হৃদয়ে নাড়া দিয়েছিল। তিনি ইসলামের আদর্শ প্রচার করতেন। আবার শাসকদের জুলুমের বিরুদ্ধেও কথা বলতেন। তাঁর বক্তব্যে জনগণের মধ্যে জালিমের বিরুদ্ধে জাগরণের সৃষ্টি হয়। তাই ভীত হয়ে তৎকালীন আব্বাসীয় শাসকরা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি শহীদ হন।
এমন চমৎকার তথ্যবহুল একটি অনুষ্ঠানের জন্য রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
ধন্যবাদান্তে,
শরিফা আক্তার পান্না
ছায়াপ্রস্থ, ২০৬/১ খড়ম পট্টি, কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।