‘মাদক চোরাচালানের মতো ন্যক্কারজনক অপরাধ দমনে রুখে দাঁড়িয়েছে ইরান’
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i94746-মাদক_চোরাচালানের_মতো_ন্যক্কারজনক_অপরাধ_দমনে_রুখে_দাঁড়িয়েছে_ইরান’
লিপিকার শুরুতে জানাই একরাশ আন্তরিক প্রীতিময় শুভেচ্ছা। বিশ্বের বেশ কয়েকটি বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান শুনে থাকলেও রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠানে-এর মত তথ্যবহুল, সময়োপযোগী, ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যধর্মী অনুষ্ঠান শুনতে পাওয়া যায় না। তাইতো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পরিবেশনাগুলো আমায় দারুণভাবে আকৃষ্ট করে আর এজন্যই অধীর আগ্রহ ভরে নিয়মিত অনুষ্ঠান শুনে যাচ্ছি।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
জুলাই ১৮, ২০২১ ০৯:০৮ Asia/Dhaka
  • ‘মাদক চোরাচালানের মতো ন্যক্কারজনক অপরাধ দমনে রুখে দাঁড়িয়েছে ইরান’

লিপিকার শুরুতে জানাই একরাশ আন্তরিক প্রীতিময় শুভেচ্ছা। বিশ্বের বেশ কয়েকটি বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান শুনে থাকলেও রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠানে-এর মত তথ্যবহুল, সময়োপযোগী, ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যধর্মী অনুষ্ঠান শুনতে পাওয়া যায় না। তাইতো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পরিবেশনাগুলো আমায় দারুণভাবে আকৃষ্ট করে আর এজন্যই অধীর আগ্রহ ভরে নিয়মিত অনুষ্ঠান শুনে যাচ্ছি।

এসব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুষ্ঠান শুনতে গিয়ে ১৩ জুলাই ২০২১ 'দর্পণ' অনুষ্ঠানে 'মাদকবিরোধী অভিযানে ইরানের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনাটি মনোমুগ্ধকর লেগেছে।

আলোচনা থেকে জানতে পারি যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাদক চালান হওয়ার সময় ইরানের রাস্তা ব্যবহার করা হয়। আর এই মাদক চালান রোধ করতে গিয়ে ইরানের অনেক অর্থ ব্যয় হয়। বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে মাদক (আফিম) উৎপাদন করে ইরানের প্রতিবেশী রাষ্ট্র আফগানিস্তান। এছাড়া পাকিস্তান ও ইরাকও মাদক উৎপাদন করে। আফগানিস্তানের মাদক ইরানের রাস্তা ব্যবহার করে ইউরোপের বাজারে চালান হয়। এমনকি ভারত ও পাকিস্তানের মাদক চোরাচালান ইরানের রাস্তা হয়ে।

আফগানিস্তানে প্রচুর পরিমাণে আফিম চাষ হয়ে থাকে। তিন দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মার্কিন জুলুম ইত্যাদি আফিম চাষের কারণ। আফগানিস্তানে মার্কিন সেনারা ও মাদক চোরাচালানের মুনাফা লুটছে। মাদক ব্যবসায় লাভবান হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। 

মাদক শুধু একটা পরিবার বা সমাজ ধ্বংস করে না। গোটা মানব সমাজকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। ১৯৮৭ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা সম্মেলনে আলোচনা করে শিক্ষায়তনে মাদকের খারাপ বিষয় নিয়ে আলোকপাত এবং যেসব জমিতে মাদক চাষ হয়ে থাকে সেগুলো উচ্ছেদ করা নিয়ে চুক্তি হয়। তবুও মাদক চাষ ও তার ব্যবসা, পাচার রোধ করা যায় নি।

ইরানের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। মাদক চালান রোধে ইরান নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করে। মাদক চালান রোধ করতে গিয়ে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। চল্লিশ বছরে চার হাজারের বেশি নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

ইরান জানে অন্যায় দমন করতে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে, তাইতো মাদকদ্রব্য চোরাচালানের মতো ন্যক্কারজনক অপরাধ দমন করতে রুখে দাঁড়িয়েছে। ইরান যদি মাদক বিরোধী অভিযান না নিত তাহলে ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশ মাদকে সয়লাব হয়ে যেতো।

মাদক নিয়ে এমন তথ্যপূর্ণ প্রতিবেদন আমার অত্যন্ত ভালো লেগেছে। সত্য, নিরপেক্ষ পরিবেশনের জন্য রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ কর্তৃপক্ষকে জানাই অজস্র ধন্যবাদ।

 

শুভেচ্ছান্তে

মনীষা রায়

গ্রাম ও পোস্ট: ধুলিয়া খালিসা

থানা: মেখলিগঞ্জ, জেলা: কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।