শ্রোতাদের মতামত
'রেডিও তেহরানের ধর্মীয় আঙ্গিকের অনুষ্ঠান আমি মন দিয়ে শুনি'
প্রথমেই রেডিও তেহরানের সকল কলাকুশলীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। সেইসঙ্গে আইআরআইবি বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতা, পাঠক ও পত্রপ্রেরকগণকে জানাই বিনম্র সালাম।
মুর্শিদাবাদের ‘ইন্টারন্যাশনাল ডি এক্স রেডিও শ্রোতা ক্লাব’ আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ পত্রলেখক’ প্রতিযোগিতায় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের সেরা পত্রলেখকের পুরস্কার হাতে পেয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। সেইসঙ্গে আয়োজক ক্লাব ও রেডিও তেহরানের কাছেও কৃতজ্ঞ যারা আমার মত ক্ষুদ্র মানুষকেও প্রাপ্যধিক গুরুত্ব দিয়েছে।
আমার অত্যন্ত ভালো লাগে যখন 'প্রিয়জন' অনুষ্ঠানে বহু পত্র লেখকের জ্ঞানগর্ভ চিঠি পড়া হয়। তাঁদের চেতনার ব্যাপ্তিতে আমি অনুপ্রাণিত হতে থাকি।
ধর্মীয় আঙ্গিকের অনুষ্ঠান আমি মন দিয়ে শুনি। ইরানকে আমি সফল মনে করি, তাদের সমাজে ধর্মীয় অনুশাসন ও রাষ্ট্রীয় অনুশাসনকে মোহমুক্ত বৈজ্ঞানিকভাবে এমন সুষম সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে যা সমাজকে জীবনমুখী করে তুলেছে।
আমার অত্যন্ত দুঃখ লাগে, মুসলিম অধ্যুষিত উপসাগরীয় অঞ্চলে যখন মুসলিমরাই নিপীড়িত হয়। ফিলিস্তিনিদের অবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অজ্ঞতার পরিচয় বহন করে। এক্ষেত্রে ইরানের অবস্থানের প্রতি আমি পূর্ণ সমর্থন জানাই এবং সৌদি আরব এবং তুরস্কের দ্বিমুখী নীতিকে ভর্ৎসনা করি।
রেডিও তেহরানের দৃষ্টিপাত ও দর্পন অনুষ্ঠান আমার খুব ভালো লাগে। তাছাড়া, সোনালী সময় অনুষ্ঠানটি আমার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে সূচনাতেই। প্রথম পর্বেই পরবর্তী পর্বের আলোচ্য বিষয়ের আভাস রয়েছে। কবি কাজী নজরুল এই তারুণ্যেরই জয়গান করেছেন। যাদের জীবন-প্রত্যয় সমাজ ও সভ্যতা পরিবর্তন করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। শ্রোতাবন্ধুদেরও এই অনুষ্ঠানটি পছন্দ হবে আশা রাখি এবং তারাও এই অনুষ্ঠান শুনবেন। আজ এই পর্যন্তই। ভালো থাকুন সবাই!
ইতি
মহম্মদ ঘোরী শাহ
গড়বেতা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৪