‘আমার রেডিও তেহরান শোনার হাতেখড়ি হলো আমার বাবা’
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মাহমুদুল হাসান, লিখছি ঠাকুরগাঁও, বাংলাদেশ হতে। রেডিও তেহরানের বাংলা কার্যক্রম ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল চালু হলেও আমার রেডিও তেহরান শোনার হাতেখড়ি হলো আমার বাবা। সাল মনে নেই।
তাহলে বলি সেই কথা- গ্রামে তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। আমরা ভাই-বোনেরা সন্ধ্যায় হারিকেন বা কুপি/ চেরাগ জ্বালিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করে পড়তে বসতাম। বাবা শিক্ষক ছিলেন, তাই তিনি সব সময় দেশ-বিদেশের খবর রাখতেন। কোনো দিন ইশার সালাতের আগে আবার কোনোদিন ইশার সালাতের পরে রেডিও নিয়ে বসতেন। তাই পড়ার টেবিলে বসেও খবর শুনতে পেতাম।
বাবার কাছে নাকি এই সংবাদই বিশ্বস্ত মনে হতো। তাই তিনি প্রতিদিনিই এই সংবাদ শুনতেন। যেদিন বাবা কোনো কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন, সেদিন মা আমাকে বলতেন রেডিও অন করে তেহরানের খবর শোনাতে।
প্রতিদিনই বিশ্বসংবাদ শুনি। আগে রেডিওতে শুনতাম, এখন ফেসবুকে লাইভে। অফিস হতে বাসায় ঢুকতেই রেডিও তেহরানের খবরের সময় হয়ে যায়। তাই সে অবস্থাতে লেপটপ ছেড়ে আগে খবর শুনি। অনেক ভালো লাগে, সংবাদসহ অন্যান্য পরিবেশনা।
চিঠিপত্রের আসর নিয়মিত শুনতে না পারলে অনিয়মিত শ্রোতা হিসেবে বেশ ভালোই লাগে।
মা’য়াস সালাম
মাহমুদুল হাসান
গ্রাম: জগদল, পো: মুজাহিদাবাদ-৫১২০
উপজেলা: রাণীশংকৈল, জেলা: ঠাকুরগাঁও।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।