'রেডিও তেহরানের প্রতিটি অনুষ্ঠানই আমার হৃদয় ছুঁয়ে যায়'
প্রিয় মহোদয়, রেডিও তেহরানের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে জানাই সালাম ও শুভেচ্ছা। আমি আজই প্রথম রেডিও তেহরানে চিঠি লিখছি। একসময় আমি জানতামই না যে, বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র ছাড়া অন্যকোনো বেতার কেন্দ্র আছে। কিংবা বিদেশি কোনো বেতার কেন্দ্র হতে বাংলা ভাষায় অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়।
কিন্তু সম্প্রতি আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জ-এর সভাপতি মোঃ শাহাদত হোসেন (স্যার) এর সহযোগিতায় রেডিও তেহরানের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরেছি। জানতে পেরেছি, রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান সম্পর্কে। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছ থেকে একটি অনুষ্ঠানসূচি ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে এখন আমি নিয়মিত রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনি। রেডিওতে আমার এখানে শোনা যায় না বলে আমি আপনাদের ওয়েবসাইট ও ফেসবুকের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুনে থাকি।
রেডিও তেহরানের প্রতিটি অনুষ্ঠানই আমার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। বিশেষ করে, রেডিও তেহরানের রংধনুর আসর অনুষ্ঠানটি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। একজন মানুষের জীবন গড়ার মূল সময় হচ্ছে শিশু বা শৈশবকাল। আর সেই শিশুদের উৎসাহ এবং সঠিক পরামর্শ খুব গোছানোভাবে দেওয়া হয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তাই আমি মনে করি, সঠিক মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে রেডিও তেহরান। এক কথায় ভালো মানুষ গড়ে তোলার কারিগর হচ্ছে রেডিও তেহরান। এত সুন্দরভাবে গোছানো ও শিক্ষণীয় অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
এছাড়া আপনাদের ইরান ভ্রমণ অনুষ্ঠানটিও আমার খুব ভালো লাগে। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা ইরানের বিভিন্ন স্থানের আকর্ষণীয় বর্ণনা পেয়ে থাকি। তবে অনুষ্ঠান শুনে আমার সেই জায়গা ভ্রমণের ইচ্ছে জাগে। জানি না কোনদিন ইরানের সেইসব সুন্দর সুন্দর জায়গায় ভ্রমণ করতে পারব কিনা।
রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সবাইকে আবারো ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করলাম।
শুভেচ্ছান্তে,
মোঃ আজহারুল ইসলাম তামিম
সভাপতি, লাইট অব নলেজ রেডিও লিসেনার্স ক্লাব
ক্রীড়া সম্পাদক, আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জ
পশ্চিম জিনারাই, চৌদ্দশত, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।