যেসব কারণে রেডিও তেহরানের খ্যাতি আকাশ ছোঁয়া
মহাশয়, শুরুতে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নেবেন। আমি রেডিও তেহরান-এর একজন পুরাতন শ্রোতা। আমার দৃষ্টিতে রেডিও তেহরান-এর বাংলা অনুষ্ঠান হলো- আমার কুড়ানো মানিক, সাত রাজার ধন।
সেই জন্ম (১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল) যাতনার দুই বছর পর ১৯৮৪ সালের কোনো এক জোৎস্না বিধৌত রাতে বাড়ির আঙিনায় বসে কুড়িয়ে পেয়েছি। আজ সে রূপালী জয়ন্তী পেরিয়ে স্বর্ণ জয়ন্তীর জয়ধ্বনির দিকে ধাবমান। শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক মহীরূহ রূপে জ্বাজল্যমান।
এতোগুলো বছর মজলুম-নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পাশে থেকে বলিষ্ঠ ক্ণ্ঠস্বর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সেই সাথে নৈতিকতা ন্যায়পরায়ণতা, চরিত্রবান ও আলোকিত মানুষ হিসেবে এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলোর বড় ভূমিকা কান্ধ পেতে নিয়েছে।
আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, আধ্যাত্মিক, চারিত্রিক সকল বিষয়ের দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে অবিরতভাবে। সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানগুলো যেন এক একটা হিরে-মুক্তোর ডালি। এতে বিভিন্ন জ্ঞানের সমাহারে সবাইকে মুগ্ধ করে। তাই রেডিও তেহরানের এতো আকাশ ছোঁয়া খ্যাতি।
অন্যদিকে, শ্রোতাদের নবীন-প্রবীণ পার্থক্য রাখে না রেখে সবার আবদারে সাড়া দেয় বলে আজ রেডিও তেহরান জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। তাই ভালোবাসি প্রাণের বেতার- ভালোবাসি রেডিও তেহরান।
আব্দুস সালাম সিদ্দিক
সভাপতি, সকাল-সন্ধ্যা রেডিও লিসেনার্স ক্লাব
কান্দুলিয়া, বড়পেটা, আসাম, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।