‘রেডিও তেহরান মানবিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও পরধর্ম সহিষ্ণুতার বাণী প্রচার করছে’
https://parstoday.ir/bn/news/letter-i99858-রেডিও_তেহরান_মানবিকতা_ভ্রাতৃত্ব_ও_পরধর্ম_সহিষ্ণুতার_বাণী_প্রচার_করছে’
সালামুন আলাইকুম! বাংলাদেশের বর্তমান ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক সংবাদ সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে একদিকে যেমন আছে সম্প্রীতির বার্তা আবার তার বিপরীতে আছে ঘৃণা ছড়ানোর অপচেষ্টা।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
নভেম্বর ১১, ২০২১ ০৮:০১ Asia/Dhaka
  • ‘রেডিও তেহরান মানবিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও পরধর্ম সহিষ্ণুতার বাণী প্রচার করছে’

সালামুন আলাইকুম! বাংলাদেশের বর্তমান ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক সংবাদ সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে একদিকে যেমন আছে সম্প্রীতির বার্তা আবার তার বিপরীতে আছে ঘৃণা ছড়ানোর অপচেষ্টা।

আমরা বেশিরভাগ মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে বিশ্বাস করি। সুযোগসন্ধানী কতিপয় দুর্বৃত্তরা আগুন লাগানোর ছুতো খোঁজে ও ঘোলা জলে মাছ ধরতে চায়। সেই সকল দুর্বৃত্তদের থেকে আমাদের সাবধান থাকতে হবে; তাদের চিনে রাখতে হবে।

দুই দেশই এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে বার বার। যেকোনো দেশেই সংখ্যালঘুরা একটু হলেও অত্যাচারের শিকার হয়। সেই দেশের সরকারকেই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সর্বাগ্রে। দেশের সংবিধানে সেই রক্ষাকবচ রয়েছে, তাই রাজ ধর্ম পালন করে সংখ্যালঘুদের রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকেই।

রেডিও তেহরানের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ইরানের সংখ্যালঘুরাও সব রকমের সুবিধা পেয়ে থাকে রাষ্ট্রের মাধ্যমে। কিন্তু পাশ্চাত্যের গণমাধ্যমে সেসবের ইতিবাচক খবর বা তথ্য আমরা বেশিরভাগ সময়ই পাই না। সেখানে তাদের দুর্দশার কথা প্রচার করে থাকে।

আমার জানতে ইচ্ছে করছে, ইরানের সংখ্যালঘুরা কী কী সুবিধা ও অধিকার ভোগ করে থাকে? ইরানের সংখ্যালঘুরা কেমন আছেন? রাষ্ট্র তাদের জন্যে কী করছে? আর সকল সুবিধা দেবার অঙ্গীকার কি ইসলামী ব্যবস্থাপনায় নেই? -এমন একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুনতে চাই।

বর্তমান জাতি বিদ্ধেষী মনোভাব ও ধর্মে ধর্মে হানাহানি বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে আমাদের উপমহাদেশে এর সূচনা করে গেছে ইংরেজরা।

মহা গৌরবের মাস রবিউল আউয়ালে মহানবী (সা.) এর মানবিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও পরধর্ম সহিষ্ণুতা নিয়ে আলোচনার প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে। তাই এমন আরও আলোচনা প্রত্যাশা করি।

রেডিও তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই এই শাশ্বত বাণী প্রচার করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সব ধর্মের প্রতি সম্মান ও মর্যাদা দিতে কার্পণ্য করেনি। যাঁর ফলশ্রুতিতে সকল ধর্মের শ্রোতাদের মন জয় করে নিতে পেরেছে রেডিও তেহরান।

সারা বিশ্বে হানাহানি বন্ধ হোক, মানবতা জেগে উঠুক। সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে উঠুক সকল ধর্ম, জাতি ও বর্ণের মানুষের মাঝে। সারা বিশ্বের অসংখ্য মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে রেডিও তেহরান আমাদের মাঝে বিরাজ করবে এমনটাই কামনা করি।

 

শুভেচ্ছান্তে,

এস এম নাজিম উদ্দিন

ইন্টারন্যাশনাল ডিএক্স রেডিও শ্রোতা সংঘ

মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।