ইসরাইলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় ১৯৮ ফিলিস্তিনি শহীদ, আহত দেড় সহস্রাধিক
গাজায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত ১৯৮ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন এক হাজার ৬১০ জন।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মজলুম ফিলিস্তিনিরা দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে 'আল-আকসার তুফান' নামক অভিযান চালানোর পর ইসরাইলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী আকাশ থেকে একাধারে বোমা ফেলছে। এর ফলে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
ইসরাইলের কোনো কোনো সূত্র বলছে, গাজায় স্থল অভিযানের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
গাজার বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনে বোমাবর্ষণ করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী আকাশ থেকে একাধারে বোমা ফেলছে। এর ফলে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
ইসরাইলের কোনো কোনো সূত্র বলছে, গাজায় স্থল অভিযানের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
গাজার বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনে বোমাবর্ষণ করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবতার ওপর যে জুলুম চালানো হচ্ছে তা ইতিহাসে বিরল। গতকালও চার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। নিজেদের অধিকার আদায় তথা আত্মরক্ষার জন্য সংগ্রাম করছে ফিলিস্তিনিরা। আজকের আল-আকসার তুফান-ও ছিল এমনি এক প্রতিরোধমূলক অভিযান।
এই অন্যায় ও জুলুম মেনে নেওয়া মানে গোটা মানব জাতির অপমান ও অবমাননাকে সহ্য করা। এরপরও ফিলিস্তিনিদের একটা অংশ ইউরোপ,আমেরিকা ও দখলদারদের নানা প্রতিশ্রুতি বিশ্বাস করে চুক্তির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে সহাবস্থানের চেষ্টা করেছে কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করা হয় নি। এখনও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হয়নি।
শরণার্থীদের স্বদেশে ফেরার অধিকার মেনে নেওয়া হয়নি। গত ৭৫ বছরে ফিলিস্তিনিরা জবরদখল, হত্যা-নির্যাতন ও নিপীড়ন ছাড়া আর কিছুই পায় নি।
জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রত্যেক মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। পবিত্র ইসলাম ধর্মও মানুষকে জুলুম ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার শিক্ষা দিয়েছে। আর এই শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করেই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে নির্যাতিত ফিলিস্তিনিরা।#
পার্সটুডে/এসএ/ ৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।