ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশের চূড়ান্ত পতন হয়েছে: জেনারেল সোলায়মানি
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i48689-ইরাক_ও_সিরিয়ায়_দায়েশের_চূড়ান্ত_পতন_হয়েছে_জেনারেল_সোলায়মানি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি চিঠি লিখেছেন। জেনারেল সোলায়মানি ওই চিঠিতে ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশের চূড়ান্ত পরিণতির কথা ঘোষণা করেছেন এবং এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার বিষয়টিও উন্মোচন করেছেন।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
নভেম্বর ২১, ২০১৭ ১৬:১৫ Asia/Dhaka

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি চিঠি লিখেছেন। জেনারেল সোলায়মানি ওই চিঠিতে ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশের চূড়ান্ত পরিণতির কথা ঘোষণা করেছেন এবং এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার বিষয়টিও উন্মোচন করেছেন।

সিরিয়ার বুকামালে দায়েশের সর্বশেষ ঘাঁটির পতনের প্রতি ইঙ্গিত করে বিশ্ব মানচিত্র থেকে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে মুছে ফেলার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

দায়েশের পরাজয়ের পেছনে ইরানের ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আরব বিশ্বসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ইরানকে তাই ত্রাণকর্তা হিসেবে প্রশংসা করছে।

গতরাতে হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ দায়েশের হাত থেকে সিরিয়া ও ইরাককে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ইরানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। কোনো কোনো আরব দেশের উদ্দেশে তিনি বলেন, "জেনারেল সোলায়মানি দায়েশ বিরোধী যুদ্ধে লড়াকুদের সম্মুখভাগে ছিলেন, কিন্তু আপনারা কোথায় ছিলেন?"

ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশের চূড়ান্ত পরাজয়ের সময় কায়রোয় কয়েকটি আরব দেশ বৈঠক করেছে। তারা চেষ্টা করেছে ভিত্তিহীন অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে ইরানের জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করতে। কিন্তু তা সম্ভব হয় নি। কেননা বহু আরব দেশই ইরান-বিরোধী ওই ভিত্তিহীন অভিযোগে সাড়া দেয় নি।

অপরদিকে ইরান, রাশিয়া এবং তুরস্ক দায়েশমুক্ত সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল (বুধবার) তারা মস্কোয় বৈঠকে বসবে এবং সিরিয়ার সরকারের অবস্থান নির্ণয় করাসহ যুদ্ধের সময় দেশ ছেড়ে যাওয়া উদ্বাস্তুদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।

একদিকে ইরান ও তার মিত্রদের বিজয় অপরদিকে রিয়াদের পরাজয়ের কারণে আলে-সৌদ আবারও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কাতারে যুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবার পর তারা এখন লেবাননে উত্তেজনা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

কিন্তু সিরিয়া ও ইরাকে দায়েশের পরাজয়ের পর ইয়েমেনে সৌদি সরকার গ্যাঁড়াকলে আটকে যাওয়ায় এ অঞ্চলের কোনো দেশ আর রিয়াদের সামরিক হুমকিতে ভয় পাবে বলে মনে হয় না। এই বাস্তবতা সৌদি যুবরাজের উপলব্ধি করা উচিত বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।#

পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/২১