শেষ পর্যন্ত আফগান জনগণের টাকা লুট করার সিদ্ধান্ত নিলেন বাইডেন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i103716-শেষ_পর্যন্ত_আফগান_জনগণের_টাকা_লুট_করার_সিদ্ধান্ত_নিলেন_বাইডেন
তালেবান ক্ষমতায় আসার আগে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭০০ কোটি ডলারের [বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা] যে সম্পদ নিউইয়র্কে জমা রেখেছিল তা লুট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। লুট করা ওই সম্পদের অর্ধেক অর্থাৎ, ৩৫০ কোটি ডলার তিনি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার শিকার নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির আত্মীয়দের দেবেন এবং বাকি অর্থ কথিত মানবিক ত্রাণ সহায়তা হিসেবে কাজে লাগানো হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২ ০৭:০০ Asia/Dhaka
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

তালেবান ক্ষমতায় আসার আগে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭০০ কোটি ডলারের [বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা] যে সম্পদ নিউইয়র্কে জমা রেখেছিল তা লুট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। লুট করা ওই সম্পদের অর্ধেক অর্থাৎ, ৩৫০ কোটি ডলার তিনি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার শিকার নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির আত্মীয়দের দেবেন এবং বাকি অর্থ কথিত মানবিক ত্রাণ সহায়তা হিসেবে কাজে লাগানো হবে।

বাইডেন গতকাল (শুক্রবার) এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।তিনি এমন সময় আফগান জনগণের সম্পদ ডাকাতি করে ১১ সেপ্টেম্বরের ভুক্তভোগীদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন যখন ৯/১১ হামলায় আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্টতা আজ পর্যন্ত প্রমাণ করা যায়নি। 

আফগান অর্থ লুটের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছেন বাইডেন। তিনি শুক্রবার একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন যাতে নিউইয়র্কে আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ৭০০ কোটি ডলারের সম্পদ একত্রিত ও জব্দ করার জন্য জরুরি ক্ষমতার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখান থেকে ৩৫০ কোটি ডলার ৯/১১ হামলার শিকার ব্যক্তিদের জন্য দেয়া হবে। বাকি ৩৫০ কোটি ডলার আফগানিস্তানে অবিলম্বে মানবিক ত্রাণ প্রচেষ্টার জন্য একটি ট্রাস্টে স্থানান্তর করার জন্য তিনি বিচারকদের অনুমতি চেয়েছেন।

বিশ্বে মানবাধিকারের প্রবক্তা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এই অত্যন্ত অস্বাভাবিক পদক্ষেপগুলো এমন সময় নিলেন যখন আফগানিস্তানে ২০ বছরের মার্কিন দখলদারিত্বের জের ধরে দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, যার ফলে সেখানে ব্যাপক অনাহার সৃষ্টি হচ্ছে যা শরণার্থীদের একটি বিশাল এবং অস্থিতিশীল নতুন ঢেউ তৈরি করতে যাচ্ছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ মানবিক ত্রাণ প্রয়োজন বলে জাতিসংঘ একাধিকবার জানিয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/১২