এস্তোনিয়ায় পৌঁছাল ব্রিটিশ ট্যাংক ও সাঁজোয়া বহরের প্রথম চালান
https://parstoday.ir/bn/news/world-i34944-এস্তোনিয়ায়_পৌঁছাল_ব্রিটিশ_ট্যাংক_ও_সাঁজোয়া_বহরের_প্রথম_চালান
ব্রিটিশ সাঁজোয়া গাড়ি ও ট্যাংক বহরের প্রথম চালান এস্তোনিয়ায় পৌঁছেছে। রাশিয়ার কথিত আগ্রাসনের মোকাবেলায় ন্যাটো মিত্রদের সামরিক তৎপরতার অংশ হিসেবে এ বহরকে দেশটিতে পাঠানো হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ২৩, ২০১৭ ১১:৪৫ Asia/Dhaka
  • ব্রিটিশ সাঁজোয়া গাড়ি ও  ট্যাংক বহরের  চালান  নামান হচ্ছে
    ব্রিটিশ সাঁজোয়া গাড়ি ও ট্যাংক বহরের চালান নামান হচ্ছে

ব্রিটিশ সাঁজোয়া গাড়ি ও ট্যাংক বহরের প্রথম চালান এস্তোনিয়ায় পৌঁছেছে। রাশিয়ার কথিত আগ্রাসনের মোকাবেলায় ন্যাটো মিত্রদের সামরিক তৎপরতার অংশ হিসেবে এ বহরকে দেশটিতে পাঠানো হয়েছে।

এস্তোনিয়ার পালডিস্কি বন্দরে সাঁজোয়া বহরের ১৩০টি গাড়ি, চ্যালেঞ্জার ট্যাংক ও অত্যাধুনিক কামান নামানো হয়েছে। এর আগে তাপা শহরে দুইশ' ব্রিটিশ ও ৫০ ফরাসি সেনা মোতায়েন করা হয়।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালোন এক বিবৃতিতে এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। শীতল যুদ্ধের পর পূর্ব ইউরোপে এর মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সেনা মোতায়েনের কাজ শুরু হলো বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই এ দেশটিতে আটশ' ব্রিটিশ সেনা মোতায়েন হবে বলেও জনান তিনি।

এস্তোনিয়ায় ব্রিটিশ বাহিনী সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করছে এবং পোল্যান্ডে মার্কিন মিত্রদের সহায়তা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ন্যাটো রক্ষা করার বৃহত্তর অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

২০১৬ সালের জুলাই মাসে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের অগ্রবর্তী বাহিনী এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং পোল্যান্ডে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রাশিয়ার সঙ্গে ক্রিমিয়ার একত্রীভূত হওয়াকে কেন্দ্র করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।# 

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২৩