আমেরিকা-তালেবান চুক্তি সই; প্রত্যাহার করা হবে মার্কিন সেনা
https://parstoday.ir/bn/news/world-i77862-আমেরিকা_তালেবান_চুক্তি_সই_প্রত্যাহার_করা_হবে_মার্কিন_সেনা
আফগানিস্তানে ১৮ বছরের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দেশটির তালেবান গোষ্ঠীর সঙ্গে আমেরিকার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ (শনিবার) কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি সই হয়। চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০ ১৬:২১ Asia/Dhaka
  • আমেরিকা-তালেবান চুক্তি সই
    আমেরিকা-তালেবান চুক্তি সই

আফগানিস্তানে ১৮ বছরের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দেশটির তালেবান গোষ্ঠীর সঙ্গে আমেরিকার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ (শনিবার) কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি সই হয়। চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

ওয়াশিংটন থেকে দোহায় নেমে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানির সঙ্গে বৈঠক করেন পম্পেও। কাবুলে মার্কিন দূতাবাস এক টুইটার বার্তায় বলেছে, আফগানিস্তানের জন্য স্মরণীয় একটি দিন শনিবার। অন্যদিকে, আমেরিকার ইতিহাসের এটি হচ্ছে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, এই চুক্তির ফলে আফগানিস্তানে মোতায়েন সৈন্যদের ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাহার করে নেবে আমেরিকা। তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না তা নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

আফগানিস্তানে মোতায়েন মার্কিন সেনা

তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, “চুক্তি সইয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে জাতির কল্যাণের জন্য আফগানিস্তানে যেকোনো ধরনের হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে সব যোদ্ধাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, শান্তি চুক্তি এবং সমঝোতার সময় আমেরিকা তাদের অঙ্গীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকবে।”

জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “তালেবান অধ্যুষিত এলাকার আকাশে বিদেশি যুদ্ধবিমান এখনো ধারাবাহিকভাবে উড়ছে; এটা অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং উসকানিমূলক। কিন্তু যোদ্ধারা আমাদের নির্দেশের প্রতি অটল রয়েছে।”

আফগানিস্তানের লাখ লাখ মানুষের আশা- এই চুক্তির ফলে দেশের ভেতরে আমেরিকার দীর্ঘদিনের যুদ্ধ অবসানের পথ তৈরি হবে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক এবং ওয়াশিংটনে কথিত সন্ত্রাসী হামলার অজুহাতে আমেরিকা আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায়। ১৮ বছর ধরে আফগানিস্তানে মার্কিন হামলায় লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে কিন্তু তালেবানকে দুর্বল করতে পারে নি। ফলে আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২৯