জুলাই ৩১, ২০২২ ১২:২৪ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতাবন্ধুরা! আজ ৩১ জুলাই রোববারের কথাবার্তার আসরে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • ভোলায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক-প্রথম আলো
  • বিএনপি রাস্তাঘাট বন্ধ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না-কালের কণ্ঠ
  • ব্লুমবার্গের রিপোর্ট-বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়ছে-মানবজমিন

  • সরকারি কর্মকর্তাদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ বিদেশ ভ্রমণ বন্ধে রিট’- যুগান্তর
  • দেশের মানুষ বড়ই কষ্টে আছে : নজরুল ইসলাম- প্রতিদিন

ভারতের শিরোনাম:

  • ‘আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়!’ টাকা উদ্ধার নিয়ে এক দিনে দ্বিতীয় বার মুখ খুললেন পার্থ আনন্দবাজার পত্রিকা
  • সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রাখলে দেশে বিভেদের সৃষ্টি হবে: রঘুরাম রাজন  –আজকাল
  • যারা এক ভাষা, এক ধর্ম চাপিয়ে দিতে চায় তারা দেশের শত্রু’, বিজেপিকে তোপ স্ট্যালিনের-সংবাদ প্রতিদিন

জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার বিশ্লেষণে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। জনাব সিরাজুল ইসলাম,

কথাবার্তার প্রশ্ন (৩১ জুলাই)
১. ইসি’র সংলাপ: ইভিএমে ‘না’, নির্বাচনকালীন সরকারের বিকল্প প্রস্তাব। এটি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম। কী বলবেন আপনি?
২. মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পোলোসির তাইওয়ান সফরকে কেন্দ্র চীন ও আমেরিকার মধ্যে প্রচণ্ড উত্তেজনা বিরাজ করছে। কার অবস্থান এ ক্ষেত্রে যৌক্তিক?

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:

ভোলায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক-প্রথম আলো

ভোলা সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে জেলা সদরের মহাজনপট্টিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবিতে বিএনপির ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে এ সংঘর্ষ হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আবদুর রহিম। তিনি সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

বিএনপির দাবি, পুলিশ অতর্কিতভাবে তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিয়ে গুলি চালিয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমাবেশের অনুমতি নিয়ে মিছিল বের করায় পুলিশ বাধা দিলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। ভোলা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম খান আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, জেলা সদরের মহাজনপট্টিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলেন দলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় ঘটনাস্থলে এসে বাধা দেয় পুলিশ। তাঁরা প্রতিবাদ জানালে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে। এরপর দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের ছোড়া গুলিতে তাঁদের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪৫ জন।

বিএনপি রাস্তাঘাট বন্ধ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না-কালের কণ্ঠ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বিএনপি নিয়মতান্ত্রিক মিটিং, সভা, প্রচার করলে এগুলোতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। যখনই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করার চেষ্টা করবে, জানমালের ওপর আঘাত করবে, সেখানে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী চুপচাপ বসে থাকবে না, তাদের কাজও তারা করবে।

আজ রবিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। তাদের রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে। রাজনৈতিক কৌশলে তারা নির্বাচনে যাবে কি যাবে না, এটা তাদের বিষয়। কিন্তু তারা রাস্তা-ঘাট বন্ধ করবে, জান-মালের ক্ষতি করবে, এটা আমরা করতে দেব না। তারা প্রেস ক্লাবের সামনে রোজ মিটিং করছে, এতে আমরা বাঁধা দিচ্ছি না।

সরকারি কর্মকর্তাদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ বিদেশ ভ্রমণ বন্ধে রিট’- যুগান্তর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধে সরকারি আদেশ অমান্য করে কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা বন্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

রোববার সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জনস্বার্থে এ রিট করেন। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির অনুমতি নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন আদালতকে বলেন, সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে একজন মন্ত্রীর পিএস বিদেশে গেছেন। এভাবে অনেক কর্মকর্তা সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে বিদেশে যাচ্ছেন। পরে আদালত রিট আবেদনটির অনুমতি দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ১২ মে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধের বিষয়ে পরিপত্র জারি করে সরকার।

ব্লুমবার্গের রিপোর্ট-বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়ছে-মানবজমিন

জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। ডলারের রিজার্ভে চাপ পড়েছে। এ জন্য অর্থ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল আইএমএফ সহ ঋণদাতাদের কাছে সহায়তা চাইছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ঢাকাভিত্তিক পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও আইএমএফের সাবেক অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আইএমএফ’র ঋণ প্যাকেজ অনুমোদন দিলে বাজার স্থিতিশীল হবে এবং আমরা কিছু তহবিল পাবো, যা দিয়ে রিজার্ভকে উন্নত করা যাবে।  দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির ৪১৬০০ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে রয়েছে শক্তিশালী গার্মেন্ট খাত। তারা এইচএন্ডএম হেন্স অ্যান্ড মরিটজ এবি এবং গ্যাপ ইনকরপোরেশনকে পোশাক সরবরাহ দিয়ে থাকে। এই দেশটি আইএমএফ’র কাছে সহায়তা চেয়েছে। এই সহায়তাকে ঢাকার কর্মকর্তারা পূর্ব প্রস্তুতি বলে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানের মতো একে বেইলআউট তহবিলের সমতুল্য নয় বলে তারা দাবি করেছেন।  বুধবার অর্থমন্ত্রী এএইচএম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো অর্থনৈতিক সংকটে নেই।

ভবিষ্যতের যেকোনো প্রয়োজনের জন্য আমরা এই তহবিল সংগ্রহ গড়ে তুলছি। যখন দরকার হবে তখন আমরা টাকা কোথায় পাবো? তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমদানি খরচ অনেক বেড়েছে।

দেশের মানুষ বড়ই কষ্টে আছে : নজরুল ইসলাম- প্রতিদিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘এই প্রতিবাদ শুধু বিএনপির না, এই প্রতিবাদ এদেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। কারণ, এদেশের মানুষ আজ বিপদাপন্ন, বড়ই কষ্টে আছে। আজকে যেভাবে দেশ চলছে, তাতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।’ 

আজ রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঢাকা জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন যারা সরকারে আছেন আমরা জানি তারা ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হননি। রাতের বেলা ভোট করে তারা ক্ষমতা দখল করে আছেন। যেহেতু তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, সেকারণে জনগণের কাছে তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। কোনো জবাবদিহি নেই। যদি থাকতো তাহলে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্যে তারা কাজ করতেন। তারা নিজেদের আপন লোকদের স্বার্থে কাজ করছেন বলে দেশের মানুষ অবর্ণনীয় দুর্দশার মধ্যে পড়েছে এবং আরও বেশি দুর্দশার আশঙ্কা করছে।’

তিনি বলেন, ‘রেকর্ড বলছে বাংলাদেশের এক বছরের যতো বাজেট তার চেয়েও বেশি ব্যয় করা হয়েছে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের জন্য। বলা হয়েছিল আমাদের যতটা প্রয়োজন তার চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন ক্ষমতা হয়ে গেছে। আমরা বিদ্যুৎ রফতানি করতে পারব। অথচ ফল উল্টো।

‘আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়!’ টাকা উদ্ধার নিয়ে এক দিনে দ্বিতীয় বার মুখ খুললেন পার্থ আনন্দবাজার পত্রিকা

স্বাস্থ্যপরীক্ষা করতে হাসপাতালে ঢোকার আগে জানিয়েছিলেন, তাঁর কোনও টাকা নেই। বেরোনোর সময় আবার একই কথা বললেন পার্থ। তবে এ বার একটু অধৈর্য তাঁর সুর। সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, উদ্ধার হওয়া টাকা কার? জবাবে পার্থ টানা তিন বার একই উত্তর দিলেন। বললেন, ‘‘আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়।’’

রবিবার জোকার ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে এসে এই প্রথম টাকা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ। এর আগে তিনি ‘ষড়যন্ত্রের’ কথা বলেছেন। তাঁকে সাসপেন্ড করা নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তবে এর আগে টাকা নিয়ে কোনও মন্তব্য শোনা যায়নি তাঁর মুখ থেকে। রবিবার সকালে প্রথম পার্থকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমার কোনও টাকা নেই।’’ তাঁকে হাসপাতালে ঢোকার মুখে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন টাকা কার? তাতেই ওই জবাব দেন পার্থ। এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়েছিল পার্থকে। তিনি সেগুলিরও জবাব দেন। স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে বেরোনোর পথে তাঁকে আবার একই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তবে এ বার আরও বিশদে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, উদ্ধার হওয়া টাকা কার? জবাবে পার্থ কিছুটা অধৈর্য ভাবেই জবাব দেন, তাঁর নয়। তবে এক বার নয়। এক টানা তিন বার একই জবাব দেন পার্থ।

যারা এক ভাষা, এক ধর্ম চাপিয়ে দিতে চায় তারা দেশের শত্রু’, বিজেপিকে তোপ স্ট্যালিনের-সংবাদ প্রতিদিন

যারা দেশের উপরে ‘এক ভাষা, এক ধর্ম, এক সংস্কৃতি’ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তারা দেশের শত্রু। এভাবেই নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন (MK Stalin)। এক ডিজিটাল ইভেন্টে এমন কথা বলতে শোনা গেল তাঁকে।

স্ট্যালিনকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ভারতের মতো দেশে এক ভাষা, এক ধর্ম ও এক সংস্কৃতি সম্ভব নয়। যারা এক ভাষা ও এক ধর্মের প্রচার করছে তারা আমাদের ঐক্যে ভাঙন ধরাতে চাইছে। তারা ভারত ও ভারতীয়দের শত্রু। ভারতের উন্নতির একমাত্র উপায় হল শক্তিশালী, স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র।” সেই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোই দেশের ভিত্তি।

হিন্দি বনাম আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বিতর্ক গত কয়েক মাস ধরেই চলছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হিন্দি ভাষার আগ্রাসনের অভিযোগ তুলেছে বহু রাজ্য়ই। বিরোধীদের অভিযোগ, দেশের বৈচিত্রে আঘাত হেনে আরএসএস-এর ‘হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্তান’ নীতি কার্যকর করতে উঠেপড়ে লেগেছে বিজেপি। তাই তারা এবার দেশের মানুষের উপর ‘রাষ্ট্রভাষা’ হিসেবে হিন্দি (Hindi) চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়াস করছে। আর এই নিয়ে বরাবরই সরব থেকেছেন স্ট্যালিন। এমনকী, খোদ প্রধানমন্ত্রীর সামনে একই মঞ্চে থেকে তাঁকে দাবি করতে দেখা গিয়েছে, দেশের কাজের ভাষা হিসেবে হিন্দির মতোই এবার তামিলকেও রাখা হোক। এবার ফের সেই বিষয়ে আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীকে।

সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রাখলে দেশে বিভেদের সৃষ্টি হবে: রঘুরাম রাজন –আজকাল

সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখা হলে বিভেদের সৃষ্টি হবে এবং তা দেশের অভ্যন্তরে গণ্ডগোল বাঁধাবে।

এ কথা বললেন ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন। ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরে পঞ্চম অল ইন্ডিয়া প্রফেশনালস কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন তিনি। সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানোর বিরোধিতা করে তিনি বললেন এখন সময় হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ এবং কর্তৃত্ববাদের মোকাবিলা করা। তিনি আরও বলেন, জিও-পলিটিক্যাল যুগে এমনটা হলে তা আমাদের দুর্বল করে তুলবে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের পথ সুগম করবে। এ ব্যাপারে শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্ত দিয়েছেন রঘুরাম রাজন। তাঁর কথায়, ‘আমাদের স্রেফ দক্ষিণ দিকে তাকাতে হবে। একটা দেশ কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না এবং সংখ্যালঘুদের আক্রমণের চেষ্টা চলছে। এতে ভাল হওয়ার নয়।’অর্থনীতির মান উন্নীত করতে উদার গণতন্ত্রের গুরুত্বের কথাও মনে করালেন রঘুরাম। তিনি বললেন, ‘উদার গণতন্ত্র এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুদৃঢ় করার মধ্যেই আমাদের ভবিষ্যত নিহিত রয়েছে, দুর্বল করার মধ্যে নয়।’ উদারনীতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘আমি অবশ্যই জোর দিয়ে বলব, উদারনীতি মোটেই ধর্ম-বিরোধী নয়। প্রত্যেক ধর্মের মূল কথাই হল প্রত্যেকের মধ্যের ভালটা খুঁজে নেওয়া। উদার গণতন্ত্রেরও এটাই সারাংশ।’#  

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৩১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন