বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবর
ইভিএম ব্যবহার না করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিকদের আহ্বান
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতাবন্ধুরা! আজ ৭ সেপ্টেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে গোলাগুলি চলছে, আতঙ্ক–দৈনিক প্রথম আলো
- ইভিএম ব্যবহার না করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিকদের আহ্বান-দৈনিক মানবজমিন
- বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সবচেয়ে উদার দেশ : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ভাগে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন -দৈনিক ইত্তেফাক
- এখন ৮৭টি ছোট বড় সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় : কাদের: দৈনিক নয়াদিগন্ত
- শক্তি ও সক্ষমতা বাড়ছে হাইওয়ে পুলিশের-দৈনিক যুগান্তর
ভারতের শিরোনাম:
- আবার ১৪ দিনের জেল হেফাজত অনুব্রতের, আদালতে পরবর্তী শুনানি আগামী ২১ সেপ্টেম্বর-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- জলমগ্ন রাস্তাঘাট, বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভারী বৃষ্টিতে স্তব্ধ বেঙ্গালুরুর জনজীবন-দৈনিক আজকাল
- গোমাংস খাওয়ার অভিযোগ, রণবীর-আলিয়াকে মহাকাল মন্দিরে ঢুকতেই দিল না বজরং দল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
শ্রোতাবন্ধুরা! এবরে গুরুত্বপুর্ণ খবরের বিশ্লেষণে যাওয়া যাক।
জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার বিশ্লেষণে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
১. অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা জাপানের। এটা দৈনিক মানবজমিনের শিরোনাম। কী বলবেন আপনি?২. ইরাকের কুর্দিস্তান থেকে ইসরাইলে পাঠানো হয়েছে ১৭ লাখ ব্যারেল তেল এবং এ কাজে সহযোগিতা করে চলেছে তুরস্ক। কীভাবে দেখছেন বিষয়টিকে?
এবারে বাংলাদেশের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবরের দিকে নজর দেয়া যাক।
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে গোলাগুলি চলছে, আতঙ্ক–দৈনিক প্রথম আলো
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে আজ বুধবার সকাল থেকে আবার গোলাগুলি শুরু হয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত গুলিবর্ষণের পাশাপাশি থেমে থেমে আর্টিলারি ও মর্টার শেল ছোড়া হয়েছে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি। তবে এই সময় পর্যন্ত আকাশে ফাইটার জেট ও হেলিকপ্টারের ওড়াউড়ি দেখা যায়নি।
পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, গত শনিবার পর্যন্ত টানা ২৩ দিন রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল লড়াই চলছিল। এ সময় আরাকান আর্মির লক্ষ্যবস্তুতে ফাইটার জেট ও হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ, মর্টার শেল ও বোমা নিক্ষেপ করে আসছিল মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। রোববার সকাল থেকে হঠাৎ গোলাগুলি থেমে যায়। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই দিন সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির কোনো শব্দ আসেনি।
কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে গোলাগুলির শব্দে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এবং শূন্যরেখার আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাজারের কোনারপাড়া এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ওয়ালিডং ও খ্য মং সেক পাহাড়ে মধ্যভাগের জায়গাটুকু নো ম্যানস ল্যান্ড। এই শূন্যরেখায় আশ্রয়শিবির গড়ে তুলে পাঁচ বছর ধরে বাস করছে রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা। আশ্রয়শিবিরের পাশ ঘেঁষেই কাঁটাতারের বেড়া। কাঁটাতারের দক্ষিণে পাহাড়ের সারি। পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপন করা হয়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) একাধিক চৌকি। ঘুমধুমের তুমব্রু বাজার থেকে এসব খালি চোখেই দেখা যায়।
বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সবচেয়ে উদার দেশ : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
ভারতীয় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সবচেয়ে উদার দেশ। বাংলাদেশের অবকাঠামো জ্বালানি ও পরিবহন খাতে আরো বেশি বিনিয়োগ করুন। আজ বুধবার নয়াদিল্লির আইটিসি মৌর্য হোটেলে আয়োজিত বাংলাদেশ-ভারত ব্যাবসায়িক ফোরামের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, চার দিনের ভারতের সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে জ্বালানি তেল, পেঁয়াজ, চাল ও গমের মতো অত্যাবশ্যক পণ্য নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে ভারত। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনেও সহযোগিতা করবে বলে জানানো হয়েছে।
শক্তি ও সক্ষমতা বাড়ছে হাইওয়ে পুলিশের-দৈনিক যুগান্তর
শিগগিরই হাইওয়ে পুলিশকে দেখা যাবে নতুন চেহারায়। বদলে যাবে খোলনলচে। উন্মোচিত হবে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। এজন্য বিপুল শক্তি ও সক্ষমতার গতিতে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ এ ইউনিটকে অত্যাধুনিক করা হচ্ছে।
বলা যায়, মহাসড়কের অতন্দ্র প্রহরী হবে হাইওয়ে পুলিশ। এ উদ্দেশ্যে পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটের জনবল চারগুণ করা হচ্ছে। কেনা হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ যানবাহন এবং বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামাদি। দেশব্যাপী কার্যক্রম বাড়ানোর অংশ হিসাবে হাইওয়ে পুলিশের বিদ্যমান ৫টি অঞ্চলের সঙ্গে নতুন করে আরও ৩টি হাইওয়ে অঞ্চল বা রিজিয়ন যুক্ত করা হচ্ছে।
পাশাপাশি এই বাহিনীর জন্য নতুন ৭২টি থানা স্থাপনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। এছাড়া মাদারীপুরের শিবচরে একটি অত্যাধুনিক ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। সারা দেশের ১ হাজার ১৪ কিলোমিটার মহাসড়ককে হাইওয়ে পুলিশের মাধ্যমে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর এবং হাইওয়ে পুলিশের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাইওয়ে পুলিশের জনবল আরও তিনগুণ বাড়িয়ে বর্তমানের তুলানায় প্রায় চারগুণ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ২ হাজার ৮৭৪ জন জনবলের মাধ্যমে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আরও ৮ হাজার ১১২টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের জনবল কাঠামোতে বর্তমানে একজন অতিরিক্ত আইজিপি, পাঁচজন ডিআইজি, নয়জন অতিরিক্ত ডিআইজি, নয়জন এসপি, পাঁচজন অতিরিক্ত এসপি, ১২ জন এএসপি এবং অন্যান্য পদমর্যাদার সদস্য আছেন ২ হাজার ৮৭৪ জন। জনবল বাড়ানোর যে প্রস্তাব বিবেচনাধীন তাতে যুক্ত করা হয়েছে একজন করে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি, আটজন এসপি, ২৭ জন অতিরিক্ত এসপি, ছয়জন এএসপি এবং ৮ হাজার ৭৯ জন অন্য পদমর্যাদার সদস্য রয়েছেন। প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো অনুমোদন হলে হাইওয়ে পুলিশের মোট জনবল হবে ১০ হাজার ৯৯৬টি।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নতুন ১ হাজার ৩০০ যানবাহন কেনার প্রস্তাব দিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। প্রস্তাবটি পুলিশ সদর দপ্তর হয়ে এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। এছাড়া এই বাহিনীর জন্য বিপুলসংখ্যক সরঞ্জামাদি কেনার প্রস্তাবও বিবেচনাধীন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২২টি জেলায় হাইওয়ে পুলিশের কোনো স্থাপনা নেই। তবে নতুন তিনটি রিজিয়নের মাধ্যমে এসব জেলায় হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে খুলনা, রংপুর ও ময়মনসিংহ রিজিয়ন অনুমোদন হয়েছে। এছাড়া নতুন ৭২টি থানার প্রস্তাব করা হয়েছে। থানাগুলো হলো-কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ, বাবরাং ও মহেশখালী হাইওয়ে থানা, রাঙামাটির সদর ও কাপ্তাই, খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালা, বান্দরবানের চিম্বুক ও নীলাচল, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, নওগাঁর মান্দা, পত্নীতলা ও নওহাটা, বগুড়ার মহাস্থানগড় ও শেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট, জয়পুরহাটের কালাই, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, রংপুরের কাউনিয়া, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, লালমনিরহাটের আদিতমারী, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, সদর ও ঘোড়াঘাট, ঠাকুরগাঁও সদর, নীলফামারীর জলঢাকা, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে কাঞ্চন, টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও এলেঙ্গা, গাজীপুরের চন্দ্রা, নরসিংদীর ঘোড়াশাল, ময়মনসিংহের শম্বুগঞ্জ ও মুক্তাগাছা, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, শেরপুরের গৌড়দ্বার, ফরিদপুরের মুন্সীবাজার, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও ভাটিয়াপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বাগেরহাটের মোল্লারহাট, খানজাহান আলী ও মোংলা, সাতক্ষীরা সদর, ঝিনাইদহের আরাপপুর, নড়াইলের লোহাগড়া, কুষ্টিয়ার গড়াই, চুয়াডাঙ্গার সদর ও দর্শনা, মেহেরপুর সদর, মাদারীপুরের মোস্তফাপুর, যশোরের খাজুরা, পিরোজপুর সদর, ঝালকাঠির গাবখান ও দপদপিয়া, ভোলার বাংলাবাজার ও চরফ্যাশন, পটুয়াখালীর পায়রা, লেবুখালী ও কুয়াকাটা, বরগুনার আমতলী, কিশোরগঞ্জের মিঠামইন, সিলেটের চারখাই, ফেঞ্চুগঞ্জ ও ভোলাগঞ্জ, হবিগঞ্জের মাধবপুর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৈয়দাবাদ হাইওয়ে থানা। প্রতিটি থানা ভবন হবে ছয় তলা ভিতবিশিষ্ট চতুর্থ তলা ভবন। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন।
হাইওয়ে পুলিশের পদস্থ একজন কর্মকর্তা বলেন, মাদারীপুরের শিবচরে আড়িয়াল খাঁ নদীর পারে পাঁচ একর জমির ওপর একটি অত্যাধুনিক ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেনিং সেন্টারের জন্য ১৩৫ জনের জনবল কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এর নেতৃত্বে থাকবেন একজন ডিআইজি (কমান্ড্যান্ট)। এছাড়া একজন অতিরিক্ত ডিআইজি (অতিরিক্ত কমান্ড্যান্ট), দুইজন এসপি, চারজন অতিরিক্ত এসপি, চারজন অতিরিক্ত এএসপি ও ১২৩ জন অন্যান্য পদমর্যাদার পুলিশ ও নন পুলিশ সদস্য।
সূত্রমতে, মহাসড়কগুলোকে ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আনার অংশ হিসাবে ১ হাজার ১৪ কিলোমিটার মহাসড়কে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি। এজন্য পাঁচটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে হাইওয়ে পুলিশ। প্রকল্পের আওতায় আছে পোস্তগোলা থেকে মোংলা পোর্ট পর্যন্ত ২২৩ কিলোমিটার, ঢাকা থেকে সিলেট ২৩৯ কিলোমিটার, আমিনবাজার থেকে হাটিকুমরুল ১৬০ কিলোমিটার, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ ১৭২ কিলোমিটার এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ২২০ কিলোমিটার মহাসড়ক। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার রাস্তায় সিসিটিভি স্থাপনের কাজ চলমান।
জানতে চাইলে হাইওয়ে পুলিশের প্রধান ও বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মল্লিক ফখরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সরকারের রূপকল্প ২০৪১ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল সামনে রেখে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসাবে এশিয়ান হাইওয়ে, সার্ক হাইওয়ে, এসএএসইসি হাইওয়ে, বিমসটেক করিডর এবং বিবিআইএন হাইওয়ের কার্যক্রম চলমান। এছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর, নির্মাণাধীন মহেশখালী মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, সরকারি-বেসরকারি ১০০ ইকোনমিক জোন, নৌবন্দরগুলোর সংযোগ সড়ক, ২৪টি স্থলবন্দরের সংযোগ সড়ক এবং অনেক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে ওঠায় মহাসড়কগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মহাসড়কে যানবাহনের ক্রমাগত চাপ মোকাবিলা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় হাইওয়ে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ২০০৫ সালের ১১ জুন। সেসময় ২৪টি হাইওয়ে থানাসহ ফাঁড়ি ছিল ৪৮টি। ৩ হাজার ৮১৩ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক এবং ৪ হাজার ২৪৭ কিলোমিটার আঞ্চলিক হাইওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্র। বর্তমানে ৫টি রিজিয়ন, ১০টি সার্কেল এবং ৭৩টি থানা ফাঁড়ির মাধ্যমে পুলিশের এই বিশেষায়িত ইউনিটের বিশদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ভাগে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন -দৈনিক ইত্তেফাক
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে বঙ্গবন্ধু টানেল আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ভাগে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কর্ণফুলী টানেলের দুইটি টিউব, এর মধ্যে একটি অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন আরেকটি উদ্বোধন করবেন নভেম্বরে। এ বছরেই আমাদের মেগাপ্রকল্প কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন হবে।’
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। কাদের বলেন, ‘মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগাঁরগাও অংশ উদ্বোধন করা হবে আগামী ডিসেম্বরে। এবং আগামী বছরের ডিসেম্বরের আগেই মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ শেষ হবে। বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ করেছি। আমার হাতে এখন ৮৭টি ছোট বড় সেতু উদ্বোধনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। পাহাড়ে যোগাযোগে একটা বিশাল পরিবর্তন এসেছে, সেজন্য সেখানকার পণ্য দ্রুত শহরে চলে আসতে পারছে।’
এদিকে, সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’- এ সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস। উপস্থাপনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।
ইভিএম ব্যবহার না করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিকদের আহ্বান-দৈনিক মানবজমিন
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে ইভিএম ব্যবহার না করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিক। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমরা মনে করি, কমিশনের এ সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। এটি রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দেবে এবং কমিশনের বর্তমান আস্থার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলবে। আমরা আবারও একটি ব্যর্থ নির্বাচনের কবলে পড়ব, যা জাতি হিসেবে আমাদেরকে চরম সংকটের দিকে ধাবিত করবে।
কমিশনের সিদ্ধান্তের অযৌক্তিকতার একটি কারণ হলো যে, প্রযুক্তিগতভাবে ইভিএম একটি দুর্বল যন্ত্র। এতে 'ভোটার ভেরিফাইড পেপার অডিট ট্রেইল' (ভিভিপিএটি) নেই, যার ফলে কমিশন ভোটের যে ফলাফল ঘোষণা করবে তা-ই চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে এবং এটি পুনঃগণনা বা নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকবে না। এ কারণেই কমিশন কর্তৃক গঠিত কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান প্রয়াত জামিলুর রেজা চৌধুরী ২০১৮ সালে ইভিএম কেনার সুপারিশে স্বাক্ষর করেননি। প্রসঙ্গত, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাদের ইভিএমে ভিভিপিএটি যুক্ত করা হয়।
প্রযুক্তির কারণে ইভিএম ব্যবহার করে ডিজিটাল জালিয়াতিও করা যায়। বায়োমেট্রিক্সভিত্তিক ইভিএম অনেক ভোটারকেই শনাক্ত করতে পারে না, ফলে কমিশন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদেরকে তাদের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে যন্ত্রটি খুলে দেওয়ার তথা ইভিএমকে ওভাররাইড করার ক্ষমতা দিয়ে থাকে। যে কোনো ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের মতো প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে ইভিএমের ফলাফল নিয়েও কারসাজি করা যায়। এছাড়া নির্বাচনের সময়ে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত কারিগরি টিমও নির্বাচনী ফলাফল বদলে দিতে পারেন।
গত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অন্তত দুইবার ফলাফল প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে, যা কেবল ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমেই সম্ভব। এছাড়াও আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে, ইভিএম ব্যবহার করার কারণে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
কমিশনের সিদ্ধান্তের অযৌক্তিকতার আরেকটি কারণ হলো, ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিতর্ক থাকা এবং এ ব্যাপারে ঐকমত্য তৈরি না হওয়া। সম্প্রতি কমিশনের ডাকা সংলাপে যে ২২টি দল ইভিএম নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেছে তার মধ্যে ১৪টি দল এটি নিয়ে তাদের সংশয় ও সন্দেহের কথা স্পষ্টভাবেই বলেছে। এর মধ্যে ৯টি দল সরাসরি ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মত দিয়েছে। আওয়ামী লীগসহ ৪টি দল ইভিএমে ভোট চেয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ যে ৯টি দল ইসির সংলাপ বর্জন করেছিল, তারাও ইভিএমের বিপক্ষে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নিজেও সংলাপের সময়ে বলেছিলেন, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ইভিএমে বিশ্বাস করছে না। তাই ইভিএমের ওপর অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের এ অবিশ্বাস আমাদের আগামী নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করার পথে একটি বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে আমাদের আশঙ্কা।
তৃতীয়ত, একাদশ নির্বাচনের আগে ইভিএম ক্রয়ে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার (৪৫০ মিলিয়ন ডলার) মতো ব্যয় হয়েছে। ১৫০টি ইভিএমে নির্বাচন করতে হলে নতুন মেশিন কেনায় অন্তত অর্ধ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ ধরনের বিপুল ব্যয় কতটুকু যৌক্তিক তা ভেবে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও ভোটারদের আস্থাহীনতার কারণে পৃথিবীর অনেক দেশই এখন ইভিএম ব্যবহার থেকে সরে আসছে। প্রযুক্তির দিক থেকে অনেক উন্নত জার্মানি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসও ইভিএম ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। পৃথিবীর ১৭৮টির মধ্যে বর্তমানে শুধু ১৩টি দেশ তাদের সব নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করছে।
ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি উল্লেখ করেছেন যে, তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত আমলে নেওয়া হয়নি। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ যে গুরুত্বহীন ছিল তা সুস্পষ্ট হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আগামীতে কমিশনের সাথে নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলের সংলাপও অর্থহীন হয়ে পড়েছে।
আমরা মনে করি, ইভিএম ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের যে আস্থাহীনতা তা দূর না করেই ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত আগামী নির্বাচন নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হবে ও আরেকটি অনাকাক্ষিত বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করবে। তাই আমরা নিম্নলিখিত স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিবর্গ আমাদের নির্বাচন কমিশনকে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিরা হলেন, ব্যারিস্টার আমির-উল ইসলাম, ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. আকবর আলি খান, বিচারপতি মো. আবদুল মতিন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, আলী ইমাম মজুমদার, ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক পারভীন হাসান, অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, ড. শাহদীন মালিক, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. শহিদুল আলম, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ড. আহসান মনসুর, সাবেক সচিব আবদুল লতিফ মন্ডল, শামসুল হুদা, প্রকৌশলী বিডি রহমতুল্লাহ, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ, লুবনা মরিয়ম, অধ্যাপক স্বপন আদনান, শারমিন মুরশিদ, অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম, সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, আবু সাঈদ খান, কামাল আহমেদ, জাকির হোসেন, মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, শিরিন হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাইফুর রহমান, ফারুক ফয়সাল, সঞ্জীব দ্রং, সালমা আলী, ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
এখন ৮৭টি ছোট বড় সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় : কাদের: দৈনিক নয়াদিগন্ত
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বছরই আমাদের মেগা প্রকল্প কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন হবে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ করেছি। আমার হাতে এখন ৮৭টি ছোট বড় সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়।
তিনি বলেন, পৃথিবীর বহু জায়গায় সীমান্ত সড়ক আছে, আমাদের সীমান্তে তিন শ’ কিলোমিটার সড়কের কাজ সেনাবাহিনী শুরু করেছে। পাহাড় অঞ্চলের কাজ ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটা বিশাল পরিবর্তন এসেছে, সে কারণে সেসব অঞ্চলের পণ্য দ্রুত শহরে চলে আসতে পারছে।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এসব কথা জানান। এতে সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংলাপ উপস্থাপনা করেন বিএসআরএফ সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জট খুলেছে। পুরনো সাড়ে ১১ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স যেগুলো পেন্ডিং ছিলো সেগুলো দিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে ভোগান্তিও অনেকটা দূর হবে। ড্রাইভিংয়ের বিষয়ে অনেক কিছু করার আছে। এই যে ঝাঁকে ঝাঁকে তিন চাকার গাড়ি রাস্তায় চলে বিশেষ করে মহাসড়কে, সেজন্য সড়ক দুর্ঘটনা কম হলেও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। ইজিবাইকে বাসের ধাক্কা লাগলে আটজন থাকলে সবাই মারা যাচ্ছে। মোটরসাইকেল মোটামুটি কন্ট্রোলে নিয়ে এসেছি। ঢাকা সিটিতে দু’জন থাকলে মাথায় হেলমেট থাকছে। রোড সেফটি এ মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।
জলমগ্ন রাস্তাঘাট, বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভারী বৃষ্টিতে স্তব্ধ বেঙ্গালুরুর জনজীবন-দৈনিক আজকাল
অতিভারী বৃষ্টিতে রীতিমতো নাকাল অবস্থা। জল থইথই তথ্যপ্রযুক্তি নগরীর রাস্তাঘাট। একটানা বৃষ্টির জেরে থমকে বেঙ্গালুরুর জনজীবন।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, একটানা বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছে। আইটি সংস্থার কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিমান ওঠানামায় সমস্যা হলেও, আজ থেকে আবার সময়মতো চলছে সবকিছুই। পানীয় জলের সমস্যাও মিটেছে। তবে রাস্তাঘাটের অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।
জলমগ্ন এয়ারপোর্ট রোডে বাস আটকে থাকতেও দেখা গিয়েছে। বেলাগেরে-পানাথুর রোড পুরোপুরি জলের তলায়। মহাদেবপুরার অন্তত ৩০টি আবাসনের একতলা এবং বেসমেন্ট জলের নীচে। যেখানে নৌকায় করে সাধারণ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্তারা। জানিয়েছেন, এর ফলে তাঁদের বহু কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে এই ক্ষতিপূরণ নিয়ে আজ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা।
অন্যদিকে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অতিভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হবে কর্নাটকে, বিশেষত বেঙ্গালুরুতে। উত্তর কন্নড়, দক্ষিণ কন্নড়, শিবমোগ্গাতে হলুদ সতর্কতা জারি। উপকূলবর্তী এলাকার জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
গোমাংস খাওয়ার অভিযোগ, রণবীর-আলিয়াকে মহাকাল মন্দিরে ঢুকতেই দিল না বজরং দল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
রণবীর কাপুরের (Ranbir Kapoor) পুরনো সাক্ষাৎকারের জেরে মুক্তির আগে বেশ বিপাকে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ (Brahmastra) টিম। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ছবি বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। এবার মহাকাল মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল রণবীর এ আলিয়াকে। বজরং দলের বিক্ষোভের জেরে মন্দিরে ঢুকতেই পারলেন রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor) ও আলিয়া ভাট (Alia Bhatt)। পুজো শুধুমাত্র দিতে পারলেন ছবির পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায় (Ayan Mukherji)।
বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল রণবীরের ‘রকস্টার’ সিনেমার মুক্তির সময়। সেই সিনেমার প্রচারের সময়ই অভিনেতা জানিয়েছিলেন, তাঁর পরিবার পেশোয়ারে থাকত। তাই নানা ধরনের মাংস খেতে পছন্দ করেন তাঁরা। রণবীর নিজেও গোমাংস খেতে ভালবাসেন বলেও জানান। পুরনো সেই সাক্ষাৎকার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ মুক্তির আগে নতুন করে ভাইরাল হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। ছবি বয়কটের ডাকও দেওয়া হয়। এমনকী, আলিয়া ভাটকেও হিন্দুবিরোধী তকমা দেওয়া হয়।
আবার ১৪ দিনের জেল হেফাজত অনুব্রতের, আদালতে পরবর্তী শুনানি আগামী ২১ সেপ্টেম্বর-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
আবার ১৪ দিনের জেল হেফাজত অনুব্রতের। আগামী শুনানি রয়েছে ২১ সেপ্টেম্বর। এখন যদি অনুব্রত মণ্ডলের জামিন হয়ে যায় তদন্ত একদমই করা যাবে না। এমনটাই দাবি করলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী কালীচরণ মিশ্র। অনুব্রতের হয়ে বীরভূম জেলার আইনজীবী অনুপম আঢ্য এবং আইনজীবী মলয় মুখোপাধ্যায় আসানসোল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জামিনের জন্য সওয়াল করেন। সিবিআইয়ের দাবি, গরুর হাট থেকে গরু যেত বাংলাদেশ সীমান্তে। তার পুরো তথ্য দেওয়া হয়েছে সিডিতে। শুল্ক দফতর কোনও কোন পদক্ষেপ করলে স্থানীয়রাই বিভিন্নভাবে বাধা দিতেন। আর পুরোটাই হত অনুব্রতের অঙ্গুলিহেলনে।#
পার্সটুডে/বাবুুল আখতার/৭