বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবর
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন: নোবেলজয়ী ইউনূসের বিরুদ্ধে নিপীড়ন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ১৪ অক্টোবর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- এ দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল-কালের কণ্ঠ
- ২০১৮ সালেই র্যাবে মার্কিন সহায়তা বন্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-প্রথম আলো
- বিএনপি নেতারা জনগণের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনীতি করছেন: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
-
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন নোবেলজয়ী ইউনূসের বিরুদ্ধে নিপীড়ন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ-দৈনিক মানবজমিন
- ভারত-শ্রীলঙ্কা কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই, বাংলাদেশেও হবে না’: কৃষিমন্ত্রী-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের সেই ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স জানতে পরীক্ষার আবেদন খারিজ বারাণসী আদালতে-আনন্দবাজার পত্রিকা
- বিমানে রয়েছে বোমা! উড়ো ফোনে আতঙ্ক ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে-আজকাল
- বোরখা-হিজাব পরলেই ৮০ হাজার টাকা জরিমানা, সুইজারল্যান্ডে চালু নয়া নিয়ম-সংবাদ প্রতিদিন
এবারে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
২০১৮ সালেই র্যাবে মার্কিন সহায়তা বন্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-প্রথম আলো
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, ২০১৮ সালেই বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) সহযোগিতা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, র্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
ওয়াশিংটনে গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে নেড প্রাইস বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তিনি এ কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে গত বছরের ডিসেম্বরে র্যাব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান ছয়জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নেড প্রাইসকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই র্যাব সৃষ্টি হয়েছে।
এ দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল-কালের কণ্ঠ
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনীতি করার পরিবেশ নেই, এ দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল এবং সংবিধানের মধ্যে যেসব বিধান রয়েছে সেগুলো মেনেই রাজনীতি করে। পার্লামেন্টে যাওয়ার জন্য নির্বাচন করে।
মির্জা ফখরুল আজ শুক্রবার দুপুরে (১২টায়) তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়ির বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন, সহ-সভাপতি আল মামুন, অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফসহ বিএনপির অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের যে প্রধান সহযোগী দল জাতীয় পার্টির প্রধানও বলেছেন বাংলাদেশে একনায়কতন্ত্র চলছে। আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত হয়েছে, বাংলাদেশ একনায়কতান্ত্রিক দেশ, যেখানে গণতন্ত্র নেই। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলসহ গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের দাবিতে বিএনপি আন্দোলন করছে।
বিএনপি নেতারা জনগণের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনীতি করছেন: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
বিএনপি নেতাদের আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপরিণামদর্শী বিএনপি নেতারা বৈশ্বিক সংকটের বাস্তবতা অনুধাবন না করেই গলার জোরে কথা বলছেন এবং জনগণের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করছেন। তিনি শুক্রবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট সংকট বিশ্বব্যাপী, বিশ্বের সব দেশই এ সংকট মোকাবিলা করছে। আগামীতে সংকট গভীরতর হলে তা কীভাবে মোকাবিলা করবে তার দিশা খুঁজছে সরকার। অথচ বিএনপি মহাসচিব এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করছেন। ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, সৃষ্ট এই সংকটে তা হলে কি বিশ্বের সব দেশের প্রধানমন্ত্রীই পদত্যাগ করবেন?
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপ নয়। বিশ্বব্যাপী এ সংকট আমাদের সৃষ্ট না হলেও তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়েছে।
ভারত-শ্রীলঙ্কা কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই, বাংলাদেশেও হবে না’: কৃষিমন্ত্রী-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই। শ্রীলঙ্কা, জাপান কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই। বাংলাদেশেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। নির্বাচন পরিচালনা করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।’ আজ শুক্রবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দের দুইদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশের কৃষির বিষয়ে ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলায়। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এখন রফতানিতেও অনেক এগিয়েছে। বাংলাদেশের আম বিশ্বের সবচেয়ে সুস্বাদু। ড্রাগন, স্ট্রবেরি এখন বাংলাদেশেই হয়। গ্রীষ্মকালীন টমেটো, শিমসহ অন্যান্য সবজিও এখন সারাবছরই থাকে। এ সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে হবে।’
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন নোবেলজয়ী ইউনূসের বিরুদ্ধে নিপীড়ন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ-দৈনিক মানবজমিন
ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন ২০০৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তখন দেশবাসী এই বিজয়কে রাজপথে উদযাপন করেছেন। ১৯৮০ এর দশকে ছোট পরিসরে উচ্চ সুদে দরিদ্রদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ প্রবর্তন করেছিলেন ড. ইউনূস। তিনি এই পথের প্রবর্তন করায় বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে আনতে সহায়ক হয়েছে। দেশে ও বিদেশে তিনি হয়ে ওঠেন বহুল প্রিয় নাম। কিন্তু দেশে বিষয়টি পাল্টে গেছে। বর্তমান বাংলাদেশে তাকে উদযাপন করার চেয়ে বেশি শিকারে পরিণত হতে হয়। এ মাসে তাকে নিজের ব্যবসার বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে উপস্থিত হতে হবে দুর্নীতি দমন কমিশনে। তার সহযোগীদের ক্রমবর্ধমান তালিকার সঙ্গে তিনিও দেশত্যাগে বিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ার ঝুঁকিতে আছেন।
এক দশক ধরে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী যে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন, সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ঘটনা হলো দুর্নীতি দমন কমিশনে ড. ইউনূসকে উপস্থিত হতে সমন জারি। সরকার দাবি করে, তাদের লক্ষ্য হলো দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা। কিন্তু ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত এটাই সাক্ষ্য দেয় যে, বাংলাদেশে একনায়কতন্ত্রের উত্থান ঘটছে।
বিমানে রয়েছে বোমা! উড়ো ফোনে আতঙ্ক ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে-আজকাল
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমাতঙ্ক।
বৃহস্পতিবার রাত ১১.১৫ নাগাদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি হুমকি ফোন আসে। এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি জানায় মস্কো থেকে দিল্লিগামী এসউই ২৩২ বিমানে বোমা রাখা হয়েছে। হুমকি ফোনের পর বিমানবন্দর চত্বরে শোরগোল পড়ে যায়। হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়। বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। খবর পেয়ে বিমানবন্দের হাজির হয় দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা। খবর যায় বম্ব স্কোয়াডেও। এরপর শুক্রবার ভোর রাত ৩.২০ নাগাদ বিমানটি ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটিতে ৩৮৬ জন যাত্রী এবং ১৬ জন বিমানকর্মী ছিলেন। তাঁদের সকলকে সুরক্ষিতভাবে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। এরপর ওই বিমানে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। যদিও বিমানের ভিতর থেকে কোনও বোমা উদ্ধার হয়নি। তবে এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি বিমানবন্দরে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। পাশাপাশি যে নম্বর থেকে ফোনটি এসেছিল এবং সেটি কে করেছিল তারও সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।
বোরখা-হিজাব পরলেই ৮০ হাজার টাকা জরিমানা, সুইজারল্যান্ডে চালু নয়া নিয়ম-সংবাদ প্রতিদিন
বোরখা (Burqa) ও হিজাব (Hijab) পরলেই জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিল সুইজারল্যান্ড সরকার। এই মর্মে আইন তৈরি করার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। জনসাধারণের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে বোরখা ও হিজাব পরলেই এক হাজার মার্কিন ডলারের জরিমানা গুণতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৮২ হাজার টাকা। এই আইন পাশ করানোর জন্য পার্লামেন্টে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে।
গত বছরেই প্রকাশ্যে বোরখা পরা নিয়ে গণভোট করা হয়েছিল সুইজারল্যান্ডে (Switzerland)। সেখানে ৫১.৬ শতাংশ মানুষ রায় দিয়েছিলেন, নিষিদ্ধ করা হোক বোরখা পরা। যদিও ইসলাম বিরোধী হিসাবে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল এই দেশ, তা সত্বেও মানুষের রায়কে সম্মান দিয়ে বোরখা পরাকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয় সুইজারল্যান্ডে। দীর্ঘ আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দণ্ডবিধির আওতায় আনা হবে হিজাব-বোরখা পরার অপরাধকে। সেই সঙ্গে মোটা টাকার জরিমানার অঙ্কও স্থির করা হয়।
তবে সুইস সরকারের তরফে বলা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া তাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখেই এই পোশাকগুলি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু সন্ত্রাসবাদী হামলার সময়ে দেখা গিয়েছে, আততায়ীরা নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখার জন্য বোরখা পরেছে। সুইস সরকারের একাংশের দাবি, বোরখা-হিজাবের মতো পোশাক নিষিদ্ধ করে দিলে নারী-পুরুষের মধ্যে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে অনেকেরই অনুমান, সুইজারল্যান্ডের সরকার অতি দক্ষিণপন্থী। দেশে বসবাসকারী মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয় বলেই দাবি সরকারের বিরুদ্ধে।
জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের সেই ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স জানতে পরীক্ষার আবেদন খারিজ বারাণসী আদালতে-আনন্দবাজার পত্রিকা
জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে পাওয়া তথাকথিত ‘শিবলিঙ্গে’র কার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে বয়স নির্ধারণের আর্জিতে সায় দিল না বারাণসী জেলা আদালত। মসজিদ চত্বরে ওজুখানায় শিবলিঙ্গের উপস্থিতি দাবি করে তার বয়স জানার জন্য ‘কার্বন ডেটিং’ পরীক্ষার যে আবেদন জানানো হয়েছিল সিনিয়র বিচারক অজয়কুমার বিশ্বেশ শুক্রবার তা খারিজ করে বলেছেন, ‘‘শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য জ্ঞানবাপী চত্বরে কোনও রকম বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজ করা যাবে না।’’ বারাণসী জেলা আদালতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আবেদনের বিরোধিতা করেছিল ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’। বিচারক বিশ্বেশ তা মেনে নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগস্টে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর ‘মা শৃঙ্গার গৌরী’ (ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত) এবং মসজিদের অন্দরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করে তা পূজার্চনার অনুমতি চেয়ে যে মামলা দায়ের করেছিলেন তারই প্রেক্ষিতে মসজিদের অন্তদের ভিডিয়ো সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বারাণসীর নিম্ন আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর। এর পরেই হিন্দু পক্ষের তরফে প্রাপ্ত নমুনাগুলির কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদন জানানো হয় গত ২২ সেপ্টেম্বর।
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।