পত্রপত্রিকার পাতার অনুষ্ঠান কথাবার্তা
১২ জানুয়ারি প্রকাশিত বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবরাখবর
শ্রোতাবন্ধুরা! পত্রপত্রিকার পাতার বিশ্লেষণমূলক অনুষ্ঠান কথাবার্তার আজকের আসরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি আশরাফুর রহমান। ১২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকা ও কোলকাতা থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিকগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন খবরকে শীর্ষ শিরোনাম করা হয়েছে। প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। তারপর দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
ঢাকার পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম
- সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান: ১৬ জানুয়ারি সারা দেশে বিরোধীদের সমাবেশ- নয়াদিগন্ত
- সংসদে শেখ হাসিনা : আ.লীগ সরকারকে উৎখাতের শক্তি এখনো তৈরি হয়নি: ভোরের কাগজ
- বিএনপিকে রাজপথে ছাড় নয়, বার্তা আ.লীগের: প্রথম আলো
- অর্থবছরের ছয় মাস: বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার নিল ৬৬ হাজার কোটি টাকা: প্রথম আলো
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চার চ্যালেঞ্জ: জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমবে দেড় শতাংশ- যুগান্তর
- ইভিএমে ধীরগতি নিয়ে ইসি’র উদ্বেগ: মানবজমিন
- ৬৯টি রাশিয়ান জাহাজকে নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশ: কালেরকণ্ঠ
কোলকাতার পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম
- 'অত্যন্ত নিম্নমানের কাশির ওষুধ', উজবেকিস্তানে শিশুমৃত্যুর কাণ্ডে ভারতীয় সংস্থাকে তুলোধনা হু-র: আজকাল
- ব্যবসায়ীর বাড়িতে নগদ থাকবে না? কোটি কোটি টাকা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী: আনন্দবাজার
- সরকারি খরচে দলের প্রচার! ১৬৮ কোটির নোটিস কেজরিওয়ালকে! সিল হতে পারে আপের দপ্তর: সংবাদ প্রতিদিন
- হাইকোর্টের ৭৯% বিচারপতি উচ্চবর্ণের: ৫ বছরের রিপোর্ট পেশ কেন্দ্রের: পূবের কলম
বিশ্লেষণের বিষয়:
প্রশ্ন. বিএনপিকে রাজপথে ছাড় নয়, বার্তা আ.লীগের। প্রথম আলোর এই শিরোনাম সম্পর্কে কী বলবেন আপনি?
প্রশ্ন. ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট রায়িসি। প্রশ্ন হচ্ছে- কতটা সম্ভাবনা রয়েছে এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়ার?
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর বিস্তারিত
সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান: ১৬ জানুয়ারি সারা দেশে বিরোধীদের সমাবেশ- নয়াদিগন্ত
১০ দফা দাবিতে রাজধানীসহ সারা দেশে গতকাল বুধবার যুগপৎভাবে গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন দল ও জোট। গণ-অবস্থান থেকে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নেতারা বলেছেন, জোর করে ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ। জনগণ জেগে উঠেছে। গণ-আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পতন ঘটানো হবে।
সংসদে শেখ হাসিনা : আ.লীগ সরকারকে উৎখাতের শক্তি এখনো তৈরি হয়নি: ভোরের কাগজ
আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের মতো কোন শক্তি এখনো বাংলাদেশে তৈরি হয়নি বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী মিলিটারি ডিক্টেটরের পকেট থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়নি। আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে এদেশের মাটি ও মানুষের কাছ থেকে। কাজেই আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত আছে। আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়াসহ অনেকেই চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে। কিন্তু পারেননি। পারবেও না ইনশাল্লাহ। আওয়ামী লীগে টিকে আছে-থাকবে। এ সময় তিনি বলেন, আপনারা ঘাবড়াবেন না, ঘাবড়ানোর কিছু নেই, আমরা (আ.লীগ) আছি না। জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপিকে রাজপথে ছাড় নয়, বার্তা আ.লীগের: প্রথম আলো
বিরোধী দল বিএনপির গণ-অবস্থান কর্মসূচির দিন রাজধানী ঢাকায় পাঁচটি স্থানে সমাবেশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো। এসব সমাবেশে যদিও আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, এটা পাল্টাপাল্টি নয়। কিন্তু তাঁদের বক্তৃতা ছিল মূলত বিএনপিকে লক্ষ্য করে। বিএনপিকে রাজপথে ছাড় দেওয়া হবে না—এসব সমাবেশ থেকে ঘুরেফিরে এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা ও মন্ত্রীরা।
অর্থবছরের ছয় মাস: বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার নিল ৬৬ হাজার কোটি টাকা: প্রথম আলো
গত ৬ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৬৫ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা ধার করেছে বাংলাদেশ সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া এ ঋণের টাকা থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৩৩ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকার ঋণ শোধ করেছে সরকার।
এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ বাড়লেও কমেছে বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ। এতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২২) ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট বা প্রকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা।
বাজারে টাকার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ট্রেজারি ব্যবস্থাপনার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ শোধের এ কৌশল নেওয়া হয়েছে। কারণ, ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা জমা দিয়ে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার কিনেছে বিভিন্ন ব্যাংক। এতে ব্যাংকগুলোতে তারল্যসংকট তৈরি হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ শোধ করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চার চ্যালেঞ্জ: জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমবে দেড় শতাংশ- যুগান্তর
চলতি বছরে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে চার ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এগুলো হচ্ছে-জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবে কৃষি উৎপাদন কমবে, বৈশ্বিকভাবে খাদ্য পণ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিতে থাকতে হবে।
আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রায় ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে, শিল্প কারখানা ও গৃহসামগ্রীর কাজে জ্বালানির সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি খরচও বাড়বে। এসব কারণে গত বছরের চেয়ে চলতি বছরে অর্থনীতিতে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এতে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার আরও কমে যাবে।
মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনীতি চলতি বছরে আরও কঠিন মন্দার মুখোমুখি হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
ইভিএমে ধীরগতি নিয়ে ইসি’র উদ্বেগ: মানবজমিন
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট বিলম্বিত হওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বলেছেন, ইভিএমে ভোটগ্রহণের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন তিনি। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন। গত ২৭শে ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ হয়। সেখানে ইভিএমের ভোট বিকাল সাড়ে চারটায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয় রাত আটটায়। ফলে এ নিয়ে সাংবাদিক এবং মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা শুনতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সিইসি বলেন, সম্প্রতি রংপুরে সিটি করপোরেশনে যে নির্বাচনটি হয়েছে নির্বাচন সুন্দর হয়েছে, সুষ্ঠু হয়েছে, অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। কিন্তু কিছু সংকটের কথা বলা হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে চেষ্টা করবো সংকটগুলো ওভারকাম করার। একই সঙ্গে আপনাদের বলছি, অন্যান্য নির্বাচনগুলোতে কিন্তু আমরা এ সমস্যাগুলো পাইনি।
৬৯টি রাশিয়ান জাহাজকে নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশ: কালেরকণ্ঠ
রাশিয়ার ৬৯টি পণ্যবাহী বড় জাহাজকে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরে ভিড়তে না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এই জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ৪ জানুয়ারি একটি নির্দেশনা কার্যকরের জন্য নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। নৌ মন্ত্রণালয় থেকে পরদিন সেই নির্দেশনা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে কার্যকরের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশে এক সঙ্গে এত জাহাজ নিষিদ্ধ করার ঘটনা এটিই প্রথম।
সম্প্রতি রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের নির্মানাধীন রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের পণ্য নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে। মার্কিন দুতাবাস বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করলে সরকার জাহাজটিকে বন্দরে ভিড়তে বাধা দেয়। এরপর 'উরসা মেজর' জাহাজটি পণ্য না নামিয়েই বাংলাদেশ ত্যাগ করে এবং কলকাতার হলদিয়া বন্দরে গিয়ে ভিড়ে। সেই ঘটনার পর হৈ চৈ হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার এই নির্দেশনা দিল।
ভারতের খবরের বিস্তারিত
'অত্যন্ত নিম্নমানের কাশির ওষুধ', উজবেকিস্তানে শিশুমৃত্যুর কাণ্ডে ভারতীয় সংস্থাকে তুলোধনা হু-র: আজকাল
ভারতীয় সংস্থার দুই কাশির ওষুধকে অত্যন্ত নিম্নমানের বলে দাগিয়ে দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। উজবেকিস্তানে ভারতীয় সংস্থার কাশির সিরাপ খেয়ে ১৮ জন শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল গোটা বিশ্ব। শিশুমৃত্যুর জন্য ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল উজ়বেকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক। এরপরই তদন্ত শুরু করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
হু-র তরফে এবার বিবৃতি দিয়ে জানানো হল, অম্ব্রোনল ও ডক-১ ম্যাক্স ওষুধ দু'টি শিশুদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। নয়ডার ম্যারিওন বায়োটেক সংস্থার দু'টি ওষুধ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে অস্বাভাবিক মাত্রায় ডাইইথিলিন গ্লাইকল (ডিইজি) এবং ইথিলিন গ্লাইকলের (ইজি) উপস্থিতি দেখা গেছে। যা ওষুধের গুণমান পর্যন্ত পার করতে পারেনি। যা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। এই ওষুধ খেলে কেউ গুরুতর অসুস্থ বা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। সেই কারণেই ভারতীয় সংস্থার তৈরি দু'টি কাশির সিরাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সতর্কবার্তার পরই উত্তর প্রদেশ ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তরফে ওই সংস্থার উৎপাদন লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীর বাড়িতে নগদ থাকবে না? কোটি কোটি টাকা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী: আনন্দবাজার
জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়িতে ‘কুবেরের ধন’! তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১১ কোটি টাকা। কোথা থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা এল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
ব্যবসায়ীর বাড়িতে নগদ অর্থের প্রয়োজন হয় নানা কারণে। আয়কর দফতর আগে থেকে তাঁকে জানালে তিনি হিসাব দিতে পারতেন। আয়কর হানায় টাকা উদ্ধার নিয়ে এই ব্যাখ্যাই দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন। বিড়ির কারখানা, চালকল-সহ নানা ব্যবসা রয়েছে জাকিরের। বুধবার তাঁর কারখানা, গুদাম এবং দফতরে হানা দিয়ে ১৫ কোটি টাকা উদ্ধার করেছেন আয়কর আধিকারিকরা। এমনটাই জানা গিয়েছে আয়কর সূত্রে। যার হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও আয়কর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। এই বিষয় নিয়ে যা বলার তিনি আদালতেই বলবেন বলে জানিয়েছেন জাকির।
সরকারি খরচে দলের প্রচার! ১৬৮ কোটির নোটিস কেজরিওয়ালকে! সিল হতে পারে আপের দপ্তর: সংবাদ প্রতিদিন
সরকারি খরচে দলের বিজ্ঞাপন। দিল্লির শাসক দল আম আদমি পার্টির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এই অভিযোগ করে আসছে বিরোধীরা। আপ (AAP) বরাবর সেই অভিযোগ অস্বীকারও করে আসছে। কিন্তু এবার প্রশাসনের মাধ্যমে কেজরিওয়ালের দলের উপর চাপ সৃষ্টির পন্থা নিল কেন্দ্র।
দিল্লির শাসকদলকে সরকারি খরচে দলের বিজ্ঞাপন করার অভিযোগে ১৬৪ কোটি টাকা জরিমানার নোটিস পাঠিয়েছেন দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা (VK Saxena)। ১০ দিনের মধ্যে সেটা না দিলে আপের সদর দপ্তর সিল করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। আপের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং ২০১৬ সালের সরকারি বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ কমিটির নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা।
হাইকোর্টের ৭৯% বিচারপতি উচ্চবর্ণের: ৫ বছরের রিপোর্ট পেশ কেন্দ্রের: পূবের কলম
আইন ও ন্যায়বিচার সংক্রান্ত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে কেন্দ্রীয় সরকার হাইকোর্টে নিযুক্ত বিচারপতিদের খতিয়ান দিতে গিয়ে বিচার ব্যবস্থায় 'সামাজিক বৈচিত্রের ছবি' তুলে ধরল।
কেন্দ্রীয় সরকার স্ট্যাডিং কমিটিকে জানিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাইকোর্টে যে বিচারপতিদের নিযুক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ হলেন উচ্চবর্ণের।
২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাইকোর্টে মোট ৫৩৭ জন বিচারপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ হলেন উচ্চবর্ণের। অপরদিকে ১১ শতাংশ ওবিসি শ্রেণির, ২.৬ শতাংশ সংখ্যালঘু ও এসসি/এসটি থেকে নিযুক্ত হয়েছেন ১.৩ শতাংশ।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।