নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করলেন ভারতের মুসলিম এমপি আহমদ হাসান
ভারতে ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিলের ফলে সবচেয়ে বিপর্যকর অবস্থায় পড়েছে সাধারণ মানুষ। রেডিও তেহরানকে দেয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আহমদ হাসান ইমরান। তিনি বলেন, নোট বাতিলের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতি। নোট বাতিলের পর দেশে এক ধরনের ইমার্জেন্সি চলছে। পুরো সাক্ষাৎকারটি উপস্থাপন করা হলো। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ ও উপস্থাপনা করেছেন গাজী আবদুর রশীদ।
রেডিও তেহরান: ভারতে হঠাৎ করেই ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিল করা হয়েছে। কী কারণে নরেন্দ্র মোদির সরকার এ কাজ করল বলে আপনার মনে হয়?
আহমাদ হাসান ইমরান: দেখুন, আজ থেকে বেশ কয়েকদিন আগে মোদিজি রেডিও এবং টেলিভিশনে একটি ভাষণ দিলেন। তাতে তিনি বললেন, আজ মাত্র কয়েকঘণ্টা পর অর্থাৎ মধ্যরাত থেকে ভারতে যত ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট আছে তা বাতিল হয়ে যাবে। এই টাকা আর কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা নিতে পারবেন। এর বাইরে এই টাকার নোট বাতিল বলে গণ্য হবে- এটি তখন সাদা কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছু নয়। রুপি বাতিলের ঘোষিত কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল ৩টি বিষয়।
প্রথমত- প্রচুর অবৈধ অর্থ যার কোনো ট্যাক্স দেয়া হতো না অথচ ভারতের মুদ্রা বাজারে তা চালু রয়েছে। পুঁজিপতি এবং বড় বড় লোকেরা অবৈধভাবে এসব রুপি ব্যবহার করছেন।
দ্বিতীয়ত- দেশে জাল নোট রয়েছে। এসব ফেক নোট, জালনোটের কারবারীরা তৈরি করে। এই জালনোটের ফলে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তৃতীয়ত- সন্ত্রাসীদের কাছে প্রচুর ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট রয়েছে। তারা ভারতের বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। তাদেরকে জব্দ করতে হলে এই নোট রাখা যাবে না।
এই তিনটি কারণে ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিলের ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বললেন- কালো ধন উদ্ধার হবে, জাল নোট বন্ধ হবে এবং সন্ত্রাসীরা জব্দ হবে।
এগুলো ছিল প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উদ্দেশ্য। কিন্তু এজন্য সরকার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নি যার মাধ্যমে এতবড় একটা সিদ্ধান্তকে সামলানো যাবে। গৃহবধূ, কৃষক, মজদুর, ছোটো কারবারী তাদের হাতে তো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটই থাকে এবং এই টাকাই ব্যবহার করে। কিন্তু বাতিল হওয়ার পর বলা হলো- রুপি জমা দেয়ার পর ব্যাংক থেকে সপ্তাহে ৪ হাজারের বেশি রুপি তোলা যাবে না। তাছাড়া অনেক রুপি জমা করা যাবে কিন্তু ১০ হাজার রুপির বেশি তোলা যাবে না- এভাবে নানা শর্তারোপ করা হলো।
মানুষের কষ্টার্জিত টাকা মানুষ ব্যবহার করতে পারবে না তার ইচ্ছেমতো -এটা কি হয়! এরফলে সারা ভারতে খুব বড় রকমের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলো। সবশ্রেণির মানুষ বিশেষ করে গরীব মানুষের খাবারের পয়সা পর্যন্ত রইল না; তারা পড়েছে সবচেয়ে কঠিন সংকটে।
রেডিও তেহরান: দু’রকমের নোট বাতিল করার কারণে ভারতের ভেতরে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ আকস্মিকভাবে কষ্টে পড়েছেন বলে আমরা খবর পাচ্ছি। আসলে সেখানকার পরিস্থিতিটা কেমন?
আহমাদ হাসান ইমরান: দেখুন, পরিস্থিতি আসলে ভয়াবহ। মানুষ তার পরিশ্রমের মাধ্যমে উপার্জিত রুপি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারছে না। ভারতের আইনে কোথাও বলা নেই যে, আপনার উপার্জিত সমস্ত টাকা ব্যাংকে রাখতে হবে। তবে টাকা থাকলে তার ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে কিন্তু সমস্ত টাকা ব্যাংকে রাখতে হবে -একথা বলা নেই কোথাও। এছাড়া, আমাদের দেশসহ পৃথিবীর সব দেশে একটা প্রথাগত নিয়ম রয়েছে সেটা হচ্ছে- সবাই সব টাকা ব্যাংকে রাখে না। বিশেষ করে কৃষকরা ব্যাংকে টাকা রাখে না, গ্রহবধূরা রাখে না। মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত বহু পরিবার বাড়িতে টাকা রেখেছে তাদের মেয়ের বিয়ে দেয়ার জন্য, চিকিৎসার জন্য বা ছেলে-মেয়েদের স্কুল-কলেজের খরচ জোটানোর জন্য।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় রয়েছে। সেটি হচ্ছে- ভারতে সব জায়গায় ব্যাংক এখনও পৌঁছায় নি। তাছাড়া যেখানে ব্যাংক আছে সেখানেও সমস্ত লোকের টাকা ব্যাংকে আছে এমন নয়। অনেক লোকের ব্যাংক হিসাবও নেই। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় যা দাঁড়িয়েছে তাতে সবকিছুই ব্যাংকের মাধ্যমে করতে হবে। টাকা ব্যাংকে জমা দিলে সেখান থেকে সপ্তাহে ৪ হাজার বা তার চেয়ে কিছু বেশি টাকা দেয়া হবে।
এছাড়া, বলা হচ্ছে এটেএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে। কিন্তু ভারতে কতজন লোকের এটিএম কার্ড আছে! সর্বসাকুল্যে ২০ ভাগ লোকের এটিএম কার্ড আছে কিনা তাতে সন্দেহ আছে। তারপরও এক একটা এটিএম বুথে ৩/৪ কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা লাইন হয়েছে টাকা তোলার জন্য। অথচ এটিএম থেকে টাকা পাওয়া যাবে মাত্র ২ হাজার রুপি। সম্প্রতি তা বেড়ে আড়াই হাজার টাকা করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে- ব্যাংকে বা এটিএম বুথের লাইনে বহু লোকের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। যখন দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও টাকা তুলতে পারছে না- তখন বাড়িতে ছেলে মেয়ে বা পরিবারের মুখে কি তুলে দেবেন সেই ভাবনায় অনেকে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছেন। এ অবস্থার ফলে ভারতের অর্থনীতি বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি একেবারেই থমকে গেছে। ছোটো বড় কারখানার মালিকরা তাদের শ্রমিককে বেতন দিতে পারছেন না। হাসপাতালে রোগী ভর্তি হতে পারছে না। স্কুল-কলেজে ছাত্ররা ভর্তি হতে পারছে না। দেখা যাচ্ছে- নোট বাতিলের ঘটনায় মানুষের রোগও বেড়ে গেছে।
রেডিও তেহরান: কোনো কোনো আলোচনায় উঠে আসছে যে, প্রতিবেশী একটি দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ ৫০০ ও ১০০০ রুপির জালনোট ছাপিয়ে ভারতে সরবরাহ করায় সেখানকার অর্থনীতি নাকি খুব বেশি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছিল। ফলে সরকার এ দু রকমের নোট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এ বক্তব্য কতটা সত্য?
আহমাদ হাসান ইমরান: না, এ অভিযোগ একেবারে সত্য তা বলবো না। তবে জালনোটের বিষয়টি নিয়ে প্রকট সমস্যা দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ এতে প্রতারিত হচ্ছে এবং সরকারও মুশকিলে পড়েছে। তবে হ্যাঁ, সত্য যে- দেশ জালনোট রয়েছে। কিন্তু কত জালনোট রয়েছে সে সম্পর্কে সংসদের গত অধিবেশনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছিলেন, চলমান মুদ্রার ০.৪৬ শতাংশ জাল নোট রয়েছে। পরিসংখ্যনের দিক থেকে এটা বড় কোনো সমস্যা নয়। এ ব্যাপারে ভারতজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হচ্ছে। সাধারণ মানুষ দুদিন রোজগার করছে আর দুদিন ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়াচ্ছে। দোকান-বাজার-কারখানা সব জায়গায় একটা বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এ সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, আগাম কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে মানুষকে এভাবে কষ্টে ফেলার অধিকার কোনো সরকারের থাকতে পারে না। আমার নিজের টাকা আমি ব্যবহার করতে পারব না -এ অবস্থা দেশের এবং মানুষের জন্য মঙ্গলজনক নয়।
তিনি এ নিয়ে কয়েকটি দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। প্রথমটি হচ্ছে রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সম্মিলিতভাবে সরকারের এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া। দ্বিতীয়ত- এ ব্যাপারে জনগণের সংকট সমাধানে বিকল্প ব্যবস্থা করতে বাধ্য করানো। তৃতীয়ত- নোট বাতিলের পদক্ষেপ প্রত্যাহার করা।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন- নোট বাতিলের কারণে ভারতে একটা ইমার্জেন্সি বা অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা এসে গেছে। মমতা ব্যানার্জি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা ও লোকসভার সব এমপি-কে নিয়ে এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছিলেন। মমতার এ প্রতিনিধিদলে- দিল্লির ক্ষমতাসীন দল আম আদমী পার্টির সদস্যরাও ছিলেন। তাছাড়া, শিবসেনা যারা বিজেপি'র বন্ধু তাদের সদস্যরাও মমতার সঙ্গে ছিলেন। ফলে মমতা ব্যানার্জির আন্দোলনের সঙ্গে বহু দলের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। এর বাইরে যেসব দল আছে তারাও জানিয়েছে- নোট বাতিল ইস্যুতে তারা প্রেসিডেন্টের কাছে যাবে। কাশ্মিরের ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আব্দুল্লাহও মমতার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেছেন- সাধারণ মানুষকে এমন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে যে, তারা শূন্য হয়ে গেছে। নোট বাতিলের ফলে সবচেয়ে বেশি মুসিবতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সেই সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরে এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
রেডিও তেহরান: আপনার বিশ্লেষণে মোদি সরকারের এ পদক্ষেপ কতটা অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট আর কতটা রাজনৈতিক?
আহমাদ হাসান ইমরান: অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন করেছেন আপনি। অনেকের অভিমত- এরসাথে রাজনীতিও জড়িয়ে থাকতে পারে। কারণ সামনে রয়েছে ভারতের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। আর ২০১৯ সালে যে লোকসভা নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে এই বিধানসভা নির্বাচনের বিজয়ীরা একটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। ফলে উত্তর প্রদেশের নির্বাচন বিধানসভা নির্বাচন এবং ভারতের রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই নির্বাচনে প্রচুর টাকা ব্যয় হয়। সেখানকার যে রাজনৈতিক দল আছে যেমন বহুজন সমাজ পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, বিজেপি এবং কংগ্রেস। সেখানে এখন ক্ষমতায় রয়েছে সমাজবাদী পার্টি কিন্তু সামগ্রিকভাবে লোকসভায় তারা বিরোধীদল। তো বিরোধীদলগুলো নির্বাচনের জন্য যে টাকা সংগ্রহ করেছিল এই নোট বাতিলের ফলে সেই টাকা তারা ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু অনেকে বলছে- বিজেপি আগাম খবরের ভিত্তিতে আগেই টাকাগুলো সাদা করে নিয়েছে এবং ব্যাংকে বা অন্যভাবে রেখেছে। ফলে ক্ষমতাসীন বিজেপি'র জন্য খুব একটা অসুবিধা হবে না। এরকম কথা বলা হচ্ছে। তবে তার কতটা সত্যতা আছে সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে। তবে অবশ্যই এরমধ্যে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। এর দ্বারা বড় লোকরা সুবিধা পাচ্ছে বিশেষ করে শিল্পপতিরা। আর শিল্পপতিদের বেশিরভাগই বিজেপির বন্ধু। এ বিষয়টি বিশ্লেষকরা বিচার বিবেচনা করছেন। তবে, একথা ঠিক আমরা কেউ চাই না ভারতের অর্থনীতিতে কালো টাকা থাকুক। কিন্তু এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হোক সেটাও আমরা মানতে পারি না। এর আগে বলা হচ্ছিল- দু সপ্তাহে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন- এ সংকট সমাধানে কমপক্ষে ৫০ দিন সময় তাকে দিতে হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫০ দিন পরও কতটা সংকট দূর হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
রেডিও তেহরান: ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিলের ফলে ভারতের ভেতরে ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আপনার মনে হয়? এর কোনো সুদুরপ্রসারি প্রভাব কী আপনি দেখছেন?
আহমাদ হাসান ইমরান: জ্বি, প্রতিবেশী দেশগুলোতে তো কিছু সমস্যা হচ্ছেই। প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ ব্যাঙ্গালুরে যান। কেউ আসেন ব্যবসার জন্য আবার কেউ আসেন চিকিৎসার জন্য। সেগুলো ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া পর্যটনের জন্যও বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ ভারতে আসেন। সেটিও ব্যাহত হচ্ছে। তবে যারা ভারতে এসেছেন তারা এখানে এসেই আগে টাকা বা ডলার পরিবর্তন করে ভারতীয় রুপি করেন এবং তা বড় নোট হিসেবে ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোটই নিয়ে থাকেন।
আমার একটা পত্রিকা রয়েছে ‘কলম’। এ ব্যাপারে কলমের সাংবাদিকরা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে, তাতে দেখা গেছে- যারা বাংলাদেশ থেকে এসে টাকা বা ডলার ভারতীয় মুদ্রায় পরিবর্তন করেছেন তারা ব্যপক সমস্যায় পড়েছেন। চিকিৎসা বা বেড়ানো দূরের কথা তারা হোটেলের ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছেন না। আর এই পরিবর্তিত রুপি নিয়ে তারা কি করবেন। তাদের তো এখানে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। তারা খুব বেশি রকম মুশকিলে পড়েছেন।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২১