জ্বালাও-পোড়াও করলে বিএনপিকে দাঁতভাঙা জবাব: কাদের
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২২ আগস্ট বুধবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আজ ঢাকা থেকে কোনো পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। তাই আমরা ঢাকার দৈনিকগুলোর অনলাইন সংস্করণ এবং কোলকাতা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকার বিশেষ বিশেষ খবর দিয়ে আজকের আসর সাজিয়েছি। ঢাকার পত্রপত্রিকায় ঈদ উদযাপনকালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বক্তব্য বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। দৈনিকগুলোর কয়েকটি শিরোনাম তুলে ধরছি:
- সবাইকে মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির: সমকাল
- গণভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর: কালেরকণ্ঠ
- কারাফটক পর্যন্তও যেতে পারলেন না তাঁরা : প্রথম আলো
- বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভারাক্রান্ত মনে ঈদ উদযাপন করছে: ফখরুল : যুগান্তর
- জ্বালাও-পোড়াও করলে বিএনপিকে দাঁতভাঙা জবাব: কাদের- আরটিভি
- ঈদের নামাজে এখন আর বোমা হামলা হয় না: তথ্যমন্ত্রী- ইত্তেফাক
কোলকাতার শিরোনাম
- কুরবানির মাংসের খুশবু আসবে না হেঁশেল থেকে: আনন্দবাজার
- গোমাংস ভক্ষণকারীদের সাহায্য নয়, কেরল বিপর্যয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ধর্মগুরুর: সংবাদ প্রতিদিন
- কেরালার বন্যাত্রাণে বিদেশি সাহায্য নেবে না ভারত: এইসময় অনলাইন
- ঈদের নামাজের জন্য জায়গা দিল মন্দির: আজকাল
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:

সবাইকে মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির: সমকাল
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মানবতাই ধর্মের মূল বাণী। ধর্ম মানুষকে ন্যায়-নীতি ও কল্যাণের পথ দেখায়। মানবসেবার দিকনির্দেশনা দেয়। তাই সব অশুভ ও অকল্যাণকে পরিহার করে মানব কল্যাণে আমাদের আত্মনিয়োগ করতে হবে।
বুধবার বঙ্গভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, কোরবানি মানুষকে ত্যাগের পাশাপাশি ধৈর্য্য ধারণের শিক্ষা দেয়। ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ত্যাগ ও ধৈর্য্যের গুরুত্ব অপরিসীম। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও পরমতসহিষ্ণুতা প্রদর্শনের মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে একটি সমতাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা। আসুন, কোরবানির শিক্ষা কাজে লাগিয়ে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলি। সাম্য আর মৈত্রীর বন্ধন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক- এটাই প্রত্যাশা করি।

গণভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর: কালেরকণ্ঠ
বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে গণভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষ খুশি হয়ে থাকলে আগামী নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, স্বজন হারানোর শোকের মাস আগস্ট। সেই বেদনা নিয়েও দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সরকারের উন্নয়নের বার্তা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জানাতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।
কারাফটক পর্যন্তও যেতে পারলেন না তাঁরা : প্রথম আলো
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পুরোনো ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারের ফটকের সামনেই যেতে পারেননি দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের পর দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে জ্যেষ্ঠ নেতারা পুরোনো ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে ফটকের দিকে যান। এ সময় পুলিশ নাজিমউদ্দিন রোডে তাঁদের আটকে দেয়।
ব্যারিকেডের কাছে দায়িত্বপালনরত পুলিশ কর্মকর্তার কাছে মির্জা ফখরুল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠি দেখান। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের কাছে কারও সাক্ষাতের বিষয় জানা নেই। পরে পুলিশের লোহার ব্যারিকেডের পেছনে আধা ঘণ্টার মতো অবস্থান শেষে বিএনপির নেতারা চলে যান। সেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল এমন আচরণের নিন্দা জানান।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভারাক্রান্ত মনে ঈদ উদযাপন করছে: ফখরুল : যুগান্তর
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দী থাকায় দলের নেতা-কর্মীরা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ঈদ উদযাপন করছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শেরে বাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
নেতা-কর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী থাকায় অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ঈদ পালন করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর আগে কোরবানির ঈদের দিন খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের জন্য নেতা কর্মীরা আসতেন। কিন্তু আজকে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। কারণ আমাদের চেয়ারপারসন আজ এখানে নেই।
জ্বালাও-পোড়াও করলে বিএনপিকে দাঁতভাঙা জবাব-কাদের : আরটিভি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন- বিএনপি যদি নির্বাচনে না এসে ২০১৪ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াও সন্ত্রাস ও সহিংসতার আশ্রয় নেয়, তাহলে তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।
বুধবার নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ওটার হাট ঈদগাঁ ময়দানে ঈদ-উল-আজহার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের আরও বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কোনও ধরনের নাশকতার সৃষ্টি করা হলে-জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা প্রতিহত করা হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আসতে বিএনপির কোনও ভয় নেই। কারণ নির্বাচন সরকার পরিচালনা করবে না। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কাজেই নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্কার কোনও অবকাশ নেই।
ঈদের নামাজে এখন আর বোমা হামলা হয় না- তথ্যমন্ত্রী: ইত্তেফাক
তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার জঙ্গি-সন্ত্রাস মোকাবেলা করেছেন বলে আজ আর ঈদগাহে জঙ্গি হামলা হয় না। কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের হযরত সোলাইমান শাহ (রাঃ)’র মাজার শরীফ সংলগ্ন মসজিদের ঈদগাহে নামাজ আদায় শেষে তিনি পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ আজ শান্তিতে রয়েছে। কোন অবস্থাতেই আর এদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হতে দেয়া হবে না।
ঈদের নামাজের জন্য জায়গা দিল মন্দির: আজকাল
বন্যায় প্রাণ বাঁচানোই চ্যালেঞ্জ। ইদের মরসুমে ধর্মপালন করা তো প্রায় অসম্ভবই হয়ে দাঁড়াচ্ছিল কেরলের মুসলিমদের কাছে। এই পরিস্থিতিতে অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির রাখলেন কেরলের হিন্দুরা। কেরলের ত্রিশূর জেলার মালা এলাকায় বন্যার কারণে মসজিদ চলে গিয়েছে জলের তলায়। তবে এমন কোনও বড় ক্ষতি হয়নি পুরাপিল্লিকাভু রক্তেশ্বরী মন্দিরের। তাই ইদের নামাজ পড়ার জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হল ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকার সব মসজিদই জলের তলায় চলে গিয়েছে। তাই বন্যার সময় মুসলিমদের উৎসবপালনে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই কারণেই মন্দিরে নমাজ পড়তে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন স্থানীয় হিন্দুরা। মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেছেন, ‘আমরা প্রথমে মানুষ। তারপরে হিন্দু। যাঁরা সারাবছর আমাদের সঙ্গে থাকেন, সুখদুঃখ ভাগ করে নেন, তাঁদের বিপদে আমাদের এগিয়ে আসা উচিৎ। আমরা সকলেই ঈশ্বরের সন্তান। বিপদের দিনে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে চাই।
কুরবানির মাংসের খুশবু আসবে না হেঁশেল থেকে: আনন্দবাজার
ভিন রাজ্যের বন্যা তাঁদের ইদের আনন্দকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে! প্রিয়জন রয়ে গিয়েছেন বন্যাবিধ্বস্থ কেরলে। আর নদিয়া জেলার প্রত্যন্ত প্রান্তের গ্রামে উদ্বেগে-আতঙ্কে ইদের দিন কাটাতে চলেছেন তাঁদের স্ত্রী-পুত্র-পরিবার। টানাটানির সংসারে এ বারের ইদে হেঁশেল থেকে ভেসে আসবে না কুরবানির মাংসের সুগন্ধ, নতুন জামাকাপড় উঠবে না ছোটদের পরনে। এ বারের ইদ শুধুই বিষাদের আর অপেক্ষার। টেলিফোনে তাঁরা খবর পেয়েছেন, ঘরের লোক বেঁচে আছে, স্বান্ত্বনা বলতে এইটুকুই। কিন্তু তাতে চিন্তামুক্ত হতে পারছেন না।
গোমাংস ভক্ষণকারীদের সাহায্য নয়’, কেরল বিপর্যয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ধর্মগুরুর: সংবাদ প্রতিদিন
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত কেরল। বন্যা কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের প্রাণ। বন্যা দুর্গতদের হাহাকারে ভারি বাতাস। এমনই পরিস্থিতিতেও ধর্মের নামে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু চক্রপাণি মহারাজ। টেলিভশনের পর্দায় তাঁর বক্তব্য, ‘গোমাংস ভক্ষণকারীদের কোনও সাহায্য করা উচিত নয়।’
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ওই ধর্মগুরু বলেন, “শুধুমাত্র নিরামিষাশী বন্যা দুর্গতদের সাহায্য করা উচিত। যারা গোমাংস ভক্ষণ করে তাদের কোনও সাহায্য করা উচিত নয়।” তাঁর এই বয়ান ইতিমধ্যে উসকে দিয়েছে বিতর্ক। চক্রপাণির মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অনেকেই। ধর্মের নাম এহেন কুৎসিত বয়ান কখনওই সমর্থনযোগ্য নয় বলেই মত বিদ্বজনের। তবে এটাই প্রথম নয়। ইতিমধ্যেই, কুকুর হত্যা, শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ ও গোমাংস খাওয়া। কেরলের বন্যা কেন হল তা নিয়ে এই ‘তিন অপব্যাখ্যা’ ও ‘কুৎসিত সমালোচনায়’ ছেয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যেই এই বদমায়েশি চলছে বলে মতপ্রকাশ করেছে কেরলের পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশ। আসলে ধর্মীয় স্বার্থসিদ্ধি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এগুলি করা হচ্ছে বলে মনে করছেন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। প্রকাশ্যে এহেন বয়ানবাজি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কেরালার বন্যাত্রাণে বিদেশি সাহায্য নেবে না ভারত: এইসময় অনলাইন
কেরালার বন্যাত্রাণে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক দেশ। ইউএই, কাতার এবং মালদ্বীপ কেরালা পুর্নগঠনের জন্য আর্থিক সাহায্য করার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। কেরালার দুর্যোগ মোকাবিলায় বহু টাকার প্রয়োজন থাকলেও বিদেশি সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেরালার বন্যায় ৭০০ কোটি টাকা সাহায্যের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ইউনাইটেড আরব এমিরেটস-এর প্রধানমন্ত্রী রশিদ আল মাকতুম। ভারতের সঙ্গে আরব দুনিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে মান্যতা দিয়েই বিপর্যয়ের সময় কেরালার পাশে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে ইউএই। টুইটারে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ৩৫ কোটি টাকা সাহায্যের প্রস্তাব করেছে কাতার। মালদ্বীপ দিতে চেয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা।
সবাইকেই ধন্যবাদ জানিয়ে সরকারি আর্থিক সাহায্যের প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে ভারত। তবে গোটা দুনিয়া থেকে বেরসরকারি উদ্যোগে যা সাহায্য আসছে, তা নিতে কোনও আপত্তি নেই কেন্দ্রের। বিদেশি সাহায্য ছাড়াই ভারত এই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় সক্ষম বলে জানানো হয়েছে। এর আগেও ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ডের বন্যায় একই ভাবে বিদেশি সাহায্য নিতে অস্বীকার করেছিল তত্কালীন ইউপিএ সরকার। ’
তো শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই। এ আসর নিয়ে আবার আমরা হাজির হব আগামীকাল।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২২
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন