ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮ ১৭:৫৪ Asia/Dhaka

বাংলাদেশে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কমিশনারদের মধ্যে ভিন্নমত, গ্রেফতার, প্রচারে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা নূহ উল আলম লেনিন এবং বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে।

সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ ও উপস্থাপনা করেছেন গাজী আবদুর রশীদ

  • বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা নূহ-উল আলম লেনিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে তবে তা বাইরে আসাটা বাঞ্ছনীয় নয়। এটি অনাকাঙ্খিত। এটা দেশের মধ্যে, ভোটারদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। রেডিও তেহরানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে, তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও মেজরিটির সিদ্ধান্তই বাস্তবায়িত হবে তিনি জানান। এটি হওয়া ছাড়া অন্য কোনো গত্যান্তর নেই বলেও নূহ উল আলম মন্তব্য করেন।
  • লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বর্তমানে যেমনটি আছে সেটি আরও ভালো হলে ভালো হতো। তবে এখনও পর্যন্ত গুরুতরভাবে বলা যাবে না যে নির্বাচনের পরিবেশ নেই।
  • নির্বাচনে বিক্ষিপ্তভাবে হামলার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে বর্তমানেও ঘটছে। তবে আমরা কোনোভাবেই একে স্বাগত জানাই না।
  • গ্রেফতারের বিষয়টিকে পলিটিসাইজড করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি মনে করি সবচেয়ে উত্তম হতো যদি নির্বাচন কমিশন কোনো নীতিমালা ঠিক করে দিত। 

 ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

  • বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রেডিও তেহরানকে বলেছেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর গুলি হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কিভাবে বলেন যে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। এটি আসলে একটি হাস্যকার ব্যাপার।
  • আমার ভয়ের জায়গাটা হচ্ছে ৩০ তারিখ আদৌ ভোটাররা তাদের ভোট দিতে যাবেন কী না? কারণ পূর্বপরিকল্পিত উপায়ে চারদিকে ভয়টা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে এমন ভয় এসেছে যে নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে শেষে জীবনটাই না চলে যায়!
  • সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় একটা বিষয় খুব স্পষ্ট যে সরকারি দল যেকোনো উপায়ে চাচ্ছে যে বিরোধীদলকে নির্বাচনের মাঠের বাইরে রাখতে।

রেডিও তেহরান:  জনাব নূহ-উল আলম লেনিন -জাতীয় নির্বাচনে বিশেষ করে বিরোধী দলগুলোর বড় দাবি ছিল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। প্রধান নিবাচন কমিশনার বলেছেন, এটা নিশ্চিত হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা ঠিক নয়। দুজনের বক্তব্যকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

নূহ-উল আলম লেনিন: দেখুন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল। যদিও দলীয়ভাবে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করা হয়। ফলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকার বা আওয়ামী লীগের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। এখন নির্বাচন কমিশনে-কমিশনারদের মধ্যে দ্বিমত থাকতেই পারে। ৫ জন কমিশনার ৫ রকম ভাবতে পারেন। তবে ডেমোক্রেটিক নর্মস হচ্ছে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্তব্যরতদের মধ্যে যদি কোনো মতভিন্নতা থাকে সেটা তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবেন। তবে আমরা দেখলাম একজন নির্বাচন কমিশনার তার ভিন্নমত বাইরে প্রকাশ করলেন। আমাদের দেশের ইতিহিাসে এটা একটা নতুন নজির যে একজন নির্বাচন কমিশনার তার বিভক্ত মত বাইরে প্রকাশ করলেন।

রেডিও তেহরান: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, আওয়ামী লীগ নেতা নূহ উল আলম লেনিন যেমনটি বললেন, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে তবে সে বিষয়টি বাইরে আসা উচিত ছিল না। এটিকে অনাকাঙ্খিত  বলে তিনি মন্তব্য করেন। তো আপনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অপর একজন কমিশনারের বক্তব্যের মধ্যে যে তফাৎ এবং দুরকম বক্তব্য-এ বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা: দেখুন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে আসলে কি বোঝেন সেটা নিয়ে আমার একটা বিরাট প্রশ্ন আছে। কারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অনেক আগ থেকে দেখছি অর্থাৎ আমি বলতে চাইছি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার যে তিনটা সময় থাকে- 

১) নির্বাচন পূর্ববর্তী

২) একটা নির্বাচনের দিন 

৩) এবং নির্বাচন পরবর্তী।

আমরা নির্বাচনের আগের সময়টি পার করছি। আর এই সময়টাতে আমরা দেখছি একটি দল গত দেড়বছর থেকে সরকারি খরচে, সবপন্থা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে। সেখানে আরেকটি দলের নেতাকর্মীদের মাঠেই নামতে দেয়া হচ্ছে না। আর প্রচারণা তো অনেক পরের ব্যাপার।

আপনারা জানেন যে, একেক জনের বিরুদ্ধে কয়েক শ' করে মামলা-গায়েবি মামলা, ঘটেনি এমন বিষয়েও মামলা দেয়া হয়েছে। আর এখন যেহেতু নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় চলে এসেছে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। এইসময় আমরা যা দেখতে পাচ্ছি বিগত কোনো নির্বাচনে এমনটি দেখিনি। প্রার্থী, সিনিয়র লিডার এবং কর্মীদের ওপর সহিংস হামলা হচ্ছে। তাদের ওপর গুলি হচ্ছে, তাদেরকে রক্তাক্ত করে ফেলা হচ্ছে। আমাদের কর্মীদের সাদা পোশাকের পুলিশ তুলে নিয়ে যাচ্ছে এবং বলা হচ্ছে এক অথবা দুই ডিসেম্বরের পর তোমরা ছাড়া পাবে। এরকমটি একটি অবস্থায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কিভাবে বলেন যে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। এটি আসলে একটি হাস্যকার ব্যাপার।

আর বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনাররা নিজেরাও একমত নয়। এরকম একটি  অবস্থায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড শব্দটাই তো আমাদের চলতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে আমি মনে করি। তাছাড়া সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন হচ্ছে। যারা সংসদ সদস্য আছেন তারা কিন্তু তাদের সব ক্ষমতা ও প্রভাব নিয়েই নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। এরকমটি একটি অবস্থায় কোনোভাবেই আমরা বলতে পারিনা যে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড আছে।

তাছাড়া নির্বাচনটি কিভাবে হবে, আদৌ কী রুপ নেবে ৩০ তারিখ সেটা একটি বড় প্রশ্ন।

রেডিও তেহরান: জনাব নূহ উল আলম লেনিন, এই যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এর মধ্যদিয়ে নির্বাচন কমিশনের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা বা দ্বন্দ্ব দেখতে পাচ্ছেন আপনি?

নূহ উল আলম লেনিন: দেখুন, তাদের অভ্যন্তরে কী আছে সেটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। আমার মনে হয় সমন্বয়হীনতার বিষয় এখানে নেই। তারা এক জায়গায় বসেন। তবে তাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে তবে তা বাইরে আসাটা বাঞ্ছনীয় নয় বলে আমি মনে করি। এটা দেশের মধ্যে, ভোটারদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আর সেকথাটাই আমি বলেছি। তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও মেজরিটির সিদ্ধান্তই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসাবে পাবলিকলি জানা যেত এবং সেটিই বাস্তবায়িত হতো। এখনও সেটিই হবে। এটি হওয়া ছাড়া অন্য কোনো গত্যান্তর নেই।

রেডিও তেহরান: নূহ উল আলম লেনিন, আপনার কাছে আরও একটি বিষয় জানতে চাইব। সেটি হচ্ছে, দেশের নির্বাচনী সামগ্রিক পরিবেশ থেকে আপনার কী মনে হয় যথাযথ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে।

নূহ উল আলম লেনিন: দেখুন, আমি মনে করি যে ব্যাকগ্রাউন্ডে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যে লেভেল বর্তমানে আছে সেটি আরও ভালো হলে ভালো হতো। তবে এখনও পর্যন্ত গুরুতরভাবে বলা যাবে না যে নির্বাচনের পরিবেশ নেই।

আর লেভেল প্লেয়িংএর দৃষ্টিভঙ্গি একেক জনের একেক রকমের। স্বাভাবিকভাবে আমি মনে করি সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ সৃষ্টি হওয়া উচিত সেরকম একটি পরিবেশ আছে বলেই বিরোধীদলগুলোসহ সকল দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা যে ঘটছে না তা না। আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নির্বাচনে সহিংসতা বিক্ষিপ্তভাবে হামলার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে বর্তমানেও ঘটছে। তবে এধরনের ঘটনাকে আমরা কোনোভাবেই স্বাগত জানাই না। তবে এটা এমন কিছু না যে এরকম ঘটনা কখনও ঘটেনি। আমাদের দেশে গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্রে একটু একটু করে বা হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোতে হচ্ছে। এবারেই প্রথম দলীয় সরকার রেখে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে।

রেডিও তেহরান: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, নূহ উল আলম নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে যেমনটি বললেন। তো দীর্ঘ সময় পর এবার দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যা দেখলেন তাতে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা: দেখুন এটি খুব বড় একটি প্রশ্ন। নির্বাচনে অনেকগুলো স্টেকহোল্ডার থাকে। রাজনৈতিক দলগুলো, প্রার্থীরা এবং ভোটাররা। এখন প্রার্থীরা বা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নানান চাপে থাকা সত্ত্বেও সীমিত পরিসরে যেটুকু পারছে সেটুকু নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছে। বিএনপি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে, পরিস্থিতি যাইহোক না কেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে। তবে আমার ভয়ের জায়গাটা হচ্ছে ভোটারদের মধ্যে একধরনের ভয় ও আতঙ্ক লক্ষ্য করছি।  তাতে ৩০ তারিখ আদৌ ভোটাররা তাদের ভোট দিতে যাবেন কী না? কারণ পূর্বপরিকল্পিত উপায়ে চারদিকে ভয়টা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে এমন ভয় এসেছে যে নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে শেষে জীবনটাই না চলে যায়! 

রেডিও তেহরান: জনাব নূহ উল আলম লেনিন, বিরোধীদলগুলোর আরেকটি বড় অভিযোগ যে তারা প্রচার প্রচারণা চালাতে পারছে না। তাদেরকে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের ওপর চলছে গ্রেফতার, হামলা-মামলা। তাদের এ অভিযোগ সম্পর্কে আপনি কি বলবেন?

নূহ উল আলম লেনিন: হ্যাঁ সেটা আছে। যাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন মামলা ছিল এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল তাদেরকে পুলিশ খুঁজে বেড়াত। তারা হয়ত তখন আত্মগোপনে ছিল। এখন নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা মনে করেছে এই সুযোগে জনগণের মধ্যে মিশে যাই। এটা যে অন্যায় এবং অস্বাভাবিক তাও না। আর এইসব গ্রেফতার সব যে রাজনৈতিক মামলার কারণে হচ্ছে তাও না। এখানে স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যুতে পরস্পরের দেয়া মামলায় অনেকে গ্রেফতার হচ্ছেন। কিন্তু বিষয়টিকে পলিটিসাইজড করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি মনে করি সবচেয়ে উত্তম হতো যদি নির্বাচন কমিশন কোনো নীতিমালা ঠিক করে দিত। 

রেডিও তেহরান: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আপনার কাছে সবশেষে জানতে চাইব, আপনাদের দলের নেতাকর্মীরা প্রচার ও জনসংযোগ করতে পারছে না, বাধা দেয়া হচ্ছে এবং নেতাকর্মীদের ওপর চলছে গ্রেফতার  হামলা –মামলা। তো এ প্রেক্ষাপটে সামগ্রিকভাবে আপনি কী ভাবছেন নির্বাচনে আসলে কী হতে যাচ্ছে ? 

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা: সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় একটা বিষয় খুব স্পষ্ট যে সরকারি দল যেকোনো উপায়ে চাচ্ছে যে বিরোধীদলকে নির্বাচনের মাঠের বাইরে রাখতে। আপনারা হয়তো খেয়াল করে থাকবেন সরকারি দলের সিনিয়র লিডারদের মুখে আমরা শুনেছি এমনকি সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন যে বিএনপি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বিনেপি ভুয়া ব্যালোট পেপার ছাপাচ্ছে। এইকথাগুলো মাঠে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব কথা একটা ইঙ্গিতবহন করছে সেটি হচ্ছে সরকার প্রচণ্ডরকম চাপে আছে এবং ভয়ে আছে। তারা ভাবছে এবার যদি মোটামুটি একটা নির্বাচন হয়ে যায়-৩০ তারিখ কী ঘটবে তা বলা যায় না।ওই দিন সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নাও থাকতে পারে। আর সবকিছু যদি তাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকে তাহলে পরিণতিটা কী হবে তা নিয়ে একটা ভয়-ভীতি ও শঙ্কা তাদের মধ্যে কাজ করছে। ক্ষমতা হারানোর একটা তীব্র ভীতি আছে সরকারি দলের মধ্যে। সুতরাং সরকার আসলে কতটুকু  চায় যে নির্বাচনটা সুষ্ঠুভাবে হোক, নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক হোক সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। সুতরাং শেষ মূহুর্তে সরকার কী করবে আমরা জানিনা। তবে বিরোধীদল বা বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে এটা খুব স্পষ্টভাবে বলেছে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৫