অক্টোবর ২৭, ২০১৯ ১৩:০৮ Asia/Dhaka
  • ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাবশালীরা বেকায়দায় : ক্রোক হচ্ছে অবৈধ সম্প

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৭ অক্টোবর রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনার প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতেই দেখে নেব ঢাকা ও কোলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রধান প্রধান বাংলা দৈনিকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিরোনাম:

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাবশালীরা বেকায়দায় : ক্রোক হচ্ছে অবৈধ সম্পদ- দৈনিক যুগান্তর
  • ব্যাংকের টাকা লুটকারী শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতারাও আওতায় আসছে- দৈনিক ইত্তেফাক
  • বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, টিকলেন ১ হাজার ৬৫০ জন- দৈনিক প্রথম আলো।
  • হেবরনে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়ক হবে : ফিলিস্তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • ৩ মাসে ২৮,০০০ কোটি টাকা ঋণ সরকারের- দৈনিক মানবজমিন
  • ‘কাউন্সিলরদের অপকর্মের দায় ডিএনসিসি নেবে না’- দৈনিক ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • কালীপুজোয় আমন্ত্রিত হয়ে আজ মমতার বাড়িতে ধনখড়- দৈনিক আনন্দবাজার
  • মুখ্যমন্ত্রী পদের ভাগ চায় শিবসেনা, চাপে বিজেপি: কুর্সি ভাগের লিখিত আশ্বাস চান উদ্ধব- দৈনিক বর্তমান
  • হাতি পড়েছে পাঁকে, কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকছেন দলিত, মুসলিমরা- দৈনিক আজকাল।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা‍! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:

ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাবশালীরা বেকায়দায় : ক্রোক হচ্ছে অবৈধ সম্পদ- দৈনিক যুগান্তর

ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দখলসহ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ‘প্রভাবশালীদের’ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক। এরই মধ্যে তাদের ব্যাংক লেনদেন স্থগিত করা হচ্ছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। প্রথম ধাপের তালিকায় আছেন ৫০ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ২১ প্রভাবশালীর নাম আছে। তারা যাতে সম্পদ স্থানান্তর-হস্তান্তর, পাচার বা বিক্রি করতে না পারেন সেজন্য দুদক এ উদ্যোগ নিয়েছে।

সম্পদ ক্রোকের জন্য কমিশনের অনুমতি নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের মধ্যে আছে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ। তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। এছাড়া অন্যান্য সংস্থাও অনুসন্ধান-তদন্তে একযোগে কাজ করছে। দুদকের এক মহাপরিচালকের তত্ত্বাবধানে ও এক পরিচালকের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের টিম এদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে।

ওই কর্মকর্তাদের হাতে অনুসন্ধানের অন্য যেসব কাজ ছিল সেগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলেন, তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগোচ্ছেন। দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, অন্তত ১শ’ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রক্রিয়াধীন। কাজ শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। এ তালিকা আরও দীর্ঘ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, দুদক এখন আর নখ-দন্তহীন বাঘ নয়। দুদক এখন একটি শক্তিশালী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।  দুদক সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রভাবশালীদের অবৈধ স্থাবর- অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করার জন্য আদালতে আবেদন করা হচ্ছে।

ব্যাংকের টাকা লুটকারী শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতারাও আওতায় আসছে- দৈনিক ইত্তেফাক

টাকা পাচার থামছে না, বরং সুযোগ থাকায় পাচারের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। কোনো মর্টগেজ ছাড়াই ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে লুটপাট করা হয়েছে। এসব টাকা বিদেশে পাচার করে কেউ কেউ মার্কেট বানিয়েছেন। শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতারাও ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রকাশ্যে। এসব দুর্নীতিবাজ ধরা পড়বেন, নাকি চুনোপুঁটি ধরেই অভিযান শেষ হয়ে যাবে—এমন অনেক প্রশ্ন দেশবাসীর পাশাপাশি পলাতকদেরও। চলমান অভিযানের আওতায় আসছেন ব্যাংক লুটপাটকারী ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতারা।

টাকার পাহাড় গড়া অনেকে চলমান অভিযানের মধ্যে বিদেশে পালিয়ে গেছেন। কেউ আছেন সিঙ্গাপুরে, কেউ মালয়েশিয়ায় আবার কেউ কেউ গেছেন ইন্দোনেশিয়ায়। সিঙ্গাপুরে পালিয়ে থাকা এমন এক ডজন লোকের সঙ্গে ইত্তেফাকের এই প্রতিনিধির কথা হয়। তারা কীভাবে টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করেছেন, এখনো চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির টাকার ভাগ বসদের কীভাবে দেন—সবকিছুই বিস্তারিত তুলে ধরেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, ‘অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আমাদের বসরা হলেন মাফিয়া। তাদের যেন গ্রেফতার করা হয়। রাষ্ট্রের বড়ো আর্থিক ক্ষতির কারণ এমন লোকজন কেন বহাল তবিয়তে থাকবেন? ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটকারী এবং ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলকারী এমন মাফিয়ারা এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতারাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেন?’

তারা আরো বলেন, ‘আমরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করে টাকা কামাই করেছি ঠিকই, কিন্তু ঐ টাকার ভাগ তো অনেককে দিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একশ্রেণির কর্মকর্তাদেরও টাকা দেওয়া হয়েছে। তারা তো সব জানেন, আমরা কীভাবে টাকা কামিয়েছি।’ তবে তারাও অভিযানের আওতায় আসবেন বলে একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সিঙ্গাপুরে পলাতক থাকা যুবলীগের নেতা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বিএনপির নেতাসহ আরো অনেকে আছেন, যারা নিয়মিত মেরিনা বে ক্যাসিনোতে যান। সেখানে ক্যাসিনো খেলা অবস্থায় ১০ জনের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তবে তারা নাম প্রকাশ না করতে বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘জীবন নিয়ে পালিয়ে এখানে এসেছি। আমাদের বাঁচতে দেন।’

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, টিকলেন ১ হাজার ৬৫০ জন- দৈনিক প্রথম আলো

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিভিন্ন বিভাগে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ হাজার ১৬১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৬৫০ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তিন ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের পর এদের মধ্য থেকে ১ হাজার ৬০ জন এবার বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

শনিবার রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে ভর্তি পরীক্ষার এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। গত ৬ অক্টোবর শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে ক্ষোভ ও শোকের পরিস্থিতির মধ্যেই ১৪ অক্টোবর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকাশিত ফলাফলে স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৫৫ জন আর অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ৯৫ জন। প্রকৌশল বিষয়ক বিভিন্ন বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য ১ হাজার ৫ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ৪৯৫ জন।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা এসব শিক্ষার্থীকে আগামী ৬ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে বুয়েটের ওয়েবসাইটে (www.buet.ac.bd) বিভাগ নির্বাচন বা পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর ২০ নভেম্বর ওই ওয়েবসাইটেই বিভাগ নির্বাচন তালিকা প্রকাশ করবে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

হেবরনে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়ক হবে : ফিলিস্তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী- দৈনিক নয়াদিগন্ত

ফিলিস্তিন তাদের হেবরন শহরের একটি সড়ক বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকি আজ ১৮তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে দ্বিপক্ষীয় বুথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে একথা বলেন।

তিনি এই সড়কের নামফলক উন্মোচনের জন্য প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাৎ শেষে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের অনুরোধ জানান।  তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিন্তিন ইস্যু উত্থাপনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

৩ মাসে ২৮,০০০ কোটি টাকা ঋণ সরকারের- দৈনিক মানবজমিন

সঞ্চয়পত্র বিক্রি ব্যাপক হারে কমে যাওয়া ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক না হওয়াসহ নানা কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণ নেয়ার হার বেড়েই চলেছে। ফলে পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংকিং খাত থেকে যে পরিমাণ ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে তার ৬১ শতাংশই অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে নিয়ে ফেলেছে সরকার। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। কিন্তু জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ মাসেই এ খাত থেকে ২৮ হাজার ৭১০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, আর্থিক খাতে অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহে উল্টো গতি বিরাজ করছে। অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বেশি হারে বাড়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। বরং গত বছরের তুলনায় কমেছে।

অর্থাৎ বেসরকারি খাতের চেয়ে সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বেশি মাত্রায় বেড়েছে। এতে বেসরকারি খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, মূলত রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী না হওয়ায় এবং সঞ্চয়পত্র থেকে গ্রাহক মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় বিক্রি ব্যাপক হারে কমে গেছে। ফলে, অনেকটা বাধ্য হয়েই এখন ব্যাংকিংখাত থেকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। ব্যাংকিংখাত থেকে সরকারের ঋণ নেয়া বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

‘কাউন্সিলরদের অপকর্মের দায় ডিএনসিসি নেবে না’- দৈনিক ইনকিলাব

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম বলেছেন, কোনো কাউন্সিলরের অপকর্মের দায় সিটি কর্পোরেশন নেবে না। যার যার অপকর্মের দায় তাকেই নিতে হবে। গতকাল শনিবার কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে সরকারি তিতুমীর কলেজে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, কিছু কাউন্সিলরের নানা অপকর্মের জন্য আমার দুঃখ হয়। আমি নিজে চাঁদাবাজি করি না, কাউকে চাঁদা দিইও না। কেউ যদি মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, দখলদারী করে থাকে আইনশৃঙ্খলা-বাহিনী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। এখানে সিটি কর্পোরেশনের কিছু বলার নেই।

মেয়র বলেন, ফুটপাত উচ্ছেদ করতে গেলে ৯৯ ভাগ লোক খুশি হলেও এক ভাগের কম লোক অখুশি হয়। তারা ফুটপাতে ব্যবসা করে, চাঁদাবাজি করে। সবচেয়ে দুঃখ লাগে দখল করতে তারা কারও কারও ছবি-ব্যানার টানিয়ে নেয়। আমাদের অবস্থান পরিস্কার, আমরা ফুটপাত দখলকারীদের প্রশ্রয় দেব না। তিনি বলেন, নারীরা যেন তাদের অভিযোগ জানাতে পারেন, সেজন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে অভিযোগ বাক্স বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাদের নাম ঠিকানা আমরা গোপন রাখব। পরে তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পুলিশের কাছে পাঠাব। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

অপরাধ, জঙ্গিবাদ, মাদকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে এক্ষেত্রে সহায়তা করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান আতিক। কমিউনিটি পুলিশিং দিবস উপলক্ষে সুধী সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ।

সভায় ডিএনসিসির ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন গুলশান ও আশপাশের এলাকার সড়কে সিসি ক্যামেরা বসানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাড্ডা, ভাটারা, কালাচাঁদপুর, মহাখালী এলাকার সড়কে সিসি ক্যামেরা নেই। এসব এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসালে চুরি, ছিনতাই ও মাদক নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:

কালীপুজোয় আমন্ত্রিত হয়ে আজ মমতার বাড়িতে ধনখড়- দৈনিক আনন্দবাজার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ভাইফোঁটা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়ে উঠছে না। তাই বিকল্প সিদ্ধান্তে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কালীপুজোয় উপস্থিত হতে পারেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল।তাঁর এই যাওয়া নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছিল। তবে সবটাই রাজভবন-কেন্দ্রিক। মুখ্যমন্ত্রী বা নবান্নের তরফে তেমন কিছু জানা যায়নি। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার উত্তরবঙ্গ সফর সেরে ফেরার পরে মমতার পক্ষ থেকে রাজ্যপালকে জানানো হয়, ভাইফোঁটার দিন সম্ভব হবে না। কালীপুজোর দিন ধনখড় এলে স্বাগত। সেই মতো রাজ্যপাল আজ, রবিবার সন্ধ্যায় সস্ত্রীক মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কালীপুজোয় উপস্থিত হবেন বলে রাজভবন থেকে জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে,বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।

শনিবার বারাসতে দু’টি কালীপুজোর উদ্বোধন করে ধনখড় বলেন, ‘‘ভাইফোঁটার দিনটা ভাই-বোনের জন্য বিশেষ দিন।ওই দিন আমি স্ত্রীকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি যেতে চেয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী চিঠি দিয়ে আমাকে কালীপুজোর দিন ওঁর বাড়ির পুজোয় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। খুব খুশি হয়েছি আমরা। স্ত্রীকে নিয়েই  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পুজোয় যাব।’’মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই মুখ্যমন্ত্রী ভাইফোঁটার দিনটি তাঁর ‘বৃহত্তর পরিবার’-কে নিয়েই উদ্‌যাপন করেন। ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ দিবস হিসেবেও ভ্রাতৃদ্বিতীয়া পালন করেন তিনি। আর চিরাচরিত ভাবে ওই দিন তাঁর নিজস্ব কিছু কর্মসূচিও থাকে। সে কারণে ওই দিন রাজ্যপালের মতো অতিথিকে আপ্যায়ন করার যথেষ্ট অবকাশ তাঁর হবে না।

মুখ্যমন্ত্রী পদের ভাগ চায় শিবসেনা, চাপে বিজেপি: কুর্সি ভাগের লিখিত আশ্বাস চান উদ্ধব- দৈনিক বর্তমান

শর্তের নাম ফিফটি-ফিফটি! প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিয়ে এই ফর্মুলা যতটা না শঙ্কা তৈরি করছে, তার থেকেও এই শর্তটি মেনে নেওয়া নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের কাছে বেশি অস্বস্তিকর। কারণ এই শর্ত গ্রহণ করে শিবসেনার সঙ্গে জোট সরকার গড়ার অর্থই হল, এটা স্বীকার করে নেওয়া যে, সম্ভাব্য সরকারের চালিকাশক্তি আসলে উদ্ধব থ্যাকারেই। অথচ একক বৃহত্তম দল হিসেবে শিবসেনার থেকে অনেক বেশি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কিন্তু, বিজেপি একক গরিষ্ঠতার অনেক আগেই থমকে যাওয়ায় শিবসেনার সমর্থন ছাড়া সরকার গঠন অসম্ভব। তাই সম্পূর্ণ কৌশলগতভাবে বিজেপির দুর্বল অবস্থানকেই চেপে ধরতে চাইছেন উদ্ধব।

এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে শিবসেনার শর্ত হল, ফিফটি-ফিফটি মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ, আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাবে দুই জোট শরিক। শনিবার শিবসেনার বিধায়ক দলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হরিয়ানায় আঞ্চলিক দল এবং কিছু নির্দল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে মিলিজুলি সরকার গড়ে বিজেপি রাজ্য দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছে বটে, কিন্তু মহারাষ্ট্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোটের কাছে থাকলেও, সরকার গঠনে নাজেহাল বিজেপি। কারণ, শিবসেনার চরম চাপের রাজনীতি।

থ্যাকারে পরিবারের পক্ষ থেকে এই প্রথম কোনও সদস্য ভোট রাজনীতিতে প্রার্থী হয়েছিলেন। বালাসাহেব থ্যাকারে কিংবা পুত্র উদ্ধব কখনও ভোটে লড়াই করেননি। তাঁরা মাতশ্রী থেকে চালিকাশক্তি হয়েছেন দলের। কিন্তু, এবার প্রথম উদ্ধব পুত্র তথা তরুণ আদিত্য ভোটে জিতেছেন। ইতিমধ্যেই সেই আদিত্যকে আড়াই বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ দিতে হবে বলে শিবসেনা অনড়। যা চরম উদ্বেগে ফেলেছে বিজেপিকে। কারণ, মহারাষ্ট্রে এরকম ক্ষমতা বিভাজনের অর্থ শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক ভাবেও বিজেপির বিপুল শক্তিক্ষয়ের সম্ভাবনা।

হাতি পড়েছে পাঁকে, কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকছেন দলিত, মুসলিমরা- দৈনিক আজকাল

উত্তরপ্রদেশে বিধানসভার উপনির্বাচনে একটাও আসন জেতেনি কংগ্রেস। কিন্তু ২০১৭–‌র বিধানসভা ভোটের তুলনায় ভোট বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। গভীর সঙ্কটে বিএসপি। উপনির্বাচনে ১১টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে জামানত জব্দ হয়েছে ৬ কেন্দ্রে। বিএসপি–‌র বিপর্যয় ঘটেছে হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রেও। উত্তরপ্রদেশে অনেক আসনেই মায়ার দলকে পিছনে ফেলে উঠে এসেছে কংগ্রেস। দেখা যাচ্ছে, দলিত ও মুসলিমরা বিএসপি–‌কে ছেড়ে ফের ঝুঁকছে কংগ্রেসের দিকে। ফলে, ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচানোই এখন বড় দায় হয়ে মায়াবতীর।

উত্তরপ্রদেশে গঙ্গো আসনে বিজেপি পেয়েছে ৩০.৪১ শতাংশ ভোট, কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ২৮ শতাংশ ভোট পেয়ে। বিএসপি পেয়েছে মাত্র ১৪.৩৭% ভোট। অন্যদিকে, গোবিন্দনগর কেন্দ্রে ২০১৭ সালে কংগ্রেস যেখানে পেয়েছিল ২২.০২ শতাংশ ভোট, সেখানে এবার পেয়েছে ৩২.৪৩ শতাংশ ভোট। বিএসপি প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৪.৫২% ভোট। ২০১৭–‌র বিধানসভা ভোটে রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট ছিল ৬.২৫ শতাংশ। এবার উপনির্বাচনে বেড়ে হয়েছে ১১.৪৯ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্রিয়াঙ্কা জোরদার প্রচারে নামলে ভোট আরও বাড়ত।

উপনির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষে যখন স্বস্তির হাওয়া, তখন রীতিমতো পাঁকে পড়েছে বিএসপি–‌র হাতি। জামানত বাঁচাতে মোট ভোটের ১৬.৬৬% পেতে হয়। অথচ বিএসপি প্রার্থীরা রামপুরে ২.১৪%, লখনউ ক্যান্টনমেন্টে ৯.৬৪%, জাইদপুরে ৮.২১% ও প্রতাপগড়ে ১২.৭৪% ভোট পেয়েছেন। এমনকি দলের নিরাপদ আসন বালহায় সপা–‌র চেয়ে ৫% ভোট কম পেয়ে তৃতীয় স্থানে বিএসপি প্রার্থী। এই কেন্দ্রে বিএসপি–‌র প্রাপ্ত ভোট মাত্র ১৭%।  সপা এবং আরএলডি প্রার্থী না দেওয়া সত্ত্বেও ইগলাস কেন্দ্র থেকে জিততে পারেনি বসপা। গত মাসে হামিরপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও জামানত জব্দ হয়েছিল বিএসপি প্রার্থীর।

তো শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই। এ আসর নিয়ে আবার আমরা হাজির হব আগামীকাল।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।