শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-তাঁরা আমাদের পথ দেখিয়েছেন
-
পত্রপত্রিকার পাতার গুরুত্বপূর্ণ খবরের বিশ্লেষণ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১৪ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- রুম্পার দেহে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: চিকিৎসক -দৈনিক ইত্তেফাক
- ডিজিটাল আইনে সংগ্রাম সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা -দৈনিক যুগান্তর
- চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে -দৈনিক প্রথম আলো
- সরকার জাতির সমস্ত অর্জন ধ্বংস করে দিয়েছে: ফখরুল -দৈনিক মানবজমিন
- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা -বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কোর্টে মহুয়া-দৈনিক আনন্দবাজার
- অর্থনীতির বেহাল দশা, এবার দেশের বাইরেও প্রতিবাদ করবে কংগ্রেস-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- আম্বেদকরের সংবিধান ধ্বংস করছে মোদি সরকার’, জনসমাবেশ থেকে তোপ দাগলেন প্রিয়াঙ্কা -দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. ‘ভারতের এনআরসি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি’- একথা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কীভাবে দেখছেন বিষয়টিকে?
২. গোপনে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে সৌদি আরব: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দিয়েছে খবরটি। আসলে বাস্তবতা কী?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল ৭টা ১ মিনিটে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল। এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-তাঁরা আমাদের পথ দেখিয়েছেন-দৈনিক প্রথম আলো
আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রহরের এই দিনে হানাদার বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছিলেন দেশের অগ্রণী কিছু মানুষ। আর এক দিন পরই ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস। ৯ মাসের স্বাধীনতাসংগ্রামে লক্ষ–কোটি নারী–পুরুষের আত্মত্যাগ আর সমগ্র দেশবাসীর অবর্ণনীয় দুঃখ–কষ্টের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তাই ৪৯ বছর আগের এ দিনটি আমাদের কাছে একাধারে অনেক দুঃখ আর বেদনার এবং অনেক আনন্দ ও বিজয়েরও।
এই ১৪ এবং ১৬ ডিসেম্বর এলেই আমাদের স্মৃতিতে ৩০ লাখ শহীদের সঙ্গে ভেসে ওঠে বিশেষ কিছু নাম, তাঁরা শহীদ বুদ্ধিজীবী, তাঁরা ছিলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ, আমাদের আলোর পথ দেখিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের অনেককেই ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বাসা থেকে তুলে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
সরকার জাতির সমস্ত অর্জন ধ্বংস করে দিয়েছে: ফখরুল-দৈনিক মানবজমিন
বর্তমান সরকার বাংলাদেশ এবং জাতির সমস্ত অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বিজয়ের ঠিক পূর্বমূহুর্তে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিলো। দেশের যারা শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবী, যারা দেশ গঠন করবেন তাদেরকে নির্মূল করে দিতে চেয়েছিলো পাক হানাদার বাহিনী। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টার পরও ১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়েছিলো। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরও বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে টিকে আছে। কিন্তু আজকে দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন তার সহধর্মিনী, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দী হয়েছিলেন তাকে আজ কারাগারে থাকতে হচ্ছে। আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যে দেশ স্বাধীন হয়েছিলো সেই দেশকে এই অগণতান্ত্রিক সরকার খান খান করে দিয়েছে।
ডিজিটাল আইনে সংগ্রাম সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা-দৈনিক যুগান্তর
দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ উল্লেখ করে ‘দৈনিক সংগ্রাম’ প্রতিবেদন প্রকাশ করায় শুক্রবার পত্রিকাটির কার্যালয় ভাঙচুর করেছে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের একদল নেতা-কর্মী।মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সেক্রেটারি আল মামুনের নেতৃত্বে নেতা–কর্মীরা বিকেল ৫টার দিকে কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ভাঙচুর চালায়। তারা কার্যালয়ে ঢুকে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন, কম্পিউটার ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যায়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি’কে তেজগাঁও পুলিশের উপ-কমিশনার মো. আনিসুর রহমান জানান, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আফজাল হোসেনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এদিকে দৈনিক প্রথম আলো, ইত্তেফাক ও যুগান্তরসহ প্রায় সব দৈনিকে লেখা হয়েছে,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল কাদের মোল্লাকে শহীদ বলায় ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে-দৈনিক প্রথম আলো
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের মানুষের পকেটের ব্যয় বেড়েই চলেছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ১ কোটি ১৪ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যের জন্য রাষ্ট্রীয় আর্থিক নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পূরণে জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
রুম্পার দেহে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: চিকিৎসক-দৈনিক ইত্তেফাক
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার দেহে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রিপোর্টে এমনটিই জানানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকা মেডিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ।
রুম্পার ময়নাতদন্তকারী এই চিকিৎসক বলেন, ময়নাতদন্তের তিনটি প্রতিবেদনের মধ্যে একটি হাতে এসেছে। এর মধ্যে মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রিপোর্ট এসেছে, সেখানে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পরবর্তী সময়ে দেওয়া হবে।
রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে, না আত্মহত্যা করেছেন-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এর আগে রুম্পার মামলার তদারক কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) উপ-কমিশনার রাজিব আল মাসুদ জানিয়েছিলেন, রুম্পা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি বলেন, রুম্পার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সিদ্ধেশ্বরী নিউসার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
একটি সূত্র জানায়, ঘটনার দিন মৃত্যুর আগে রুম্পা রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী নিউ সার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পঞ্চম তলায় তার এক বান্ধবীর বাসায় যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে আব্দুর রহমান সৈকতের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথা বলে কান্নাকাটি করেন। সে সময় তিনি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত ছিলেন। বান্ধবী তাকে বুঝিয়েও মন ভালো করতে পারেননি। এক পর্যায়ে তিনি বান্ধবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় ফেরার কথা জানান। তবে তিনি আর বাসায় ফেরেনি বলে তদন্তে জানা গেছে।
রুম্পার বান্ধবী এ বিষয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন, সৈকতের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থেকে রুম্পা চরমভাবে মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিল। এই নিয়ে রুম্পা তার বাসায় এসে কান্নাকাটির এক পর্যায়ে কিছুটা অস্বাভাবিক হয়ে পড়েছিল।
ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় রমনা থানার এসআই আবুল খায়ের সেই রাতেই অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর ১১ ডিসেম্বর রুম্পার বন্ধু আব্দুর রহমান সৈকতকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
৪ ডিসেম্বর রাতে সিদ্ধেশ্বরী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন রাতে স্বজনেরা রমনা থানায় লাশের ছবি দেখে রুম্পার পরিচয় শনাক্ত করেন।
রুম্পার বাবা মো. রুকুন উদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত। মা নাহিদা আক্তার পারুল গৃহিণী। এক ভাই ও এক বোনের রুম্পা সবার বড় ছিলেন। রাজধানী ঢাকার শান্তিবাগে একটি ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করতেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করাতেন রুম্পা।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
জেলায় জেলায় আজও রেল-সড়ক অবরোধ, স্টেশনে আগুন, বাসে ভাঙচুর-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানেও কাজ হল না। শনিবার সকাল থেকেই নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় শুরু হয় বিক্ষোভ, রেল-সড়ক অবরোধ। কোথাও আবার বাস-গাড়িতে ভাঙচুর চালোনোর মতো ঘটনা ঘটছে। বিক্ষোভ ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির পাশাপাশি শুক্রবারে এই আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের আঁচ এ রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে,অসমে শিথিল কার্ফু, আপাত স্বাভাবিক তবে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা।
নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কোর্টে মহুয়া-দৈনিক আনন্দবাজার
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনী নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল মোদী সরকার। শুক্রবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট খুলতেই তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তৃণমূল সাংসদের পরে আজ কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ জয়রাম রমেশও সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনীকে অসাংবিধানিক বলে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেছেন। এর পর ‘রিহাই মঞ্চ’ ও ‘সিটিজেনস এগেন্সট হেট’ নামক দু’টি অসরকারি সংগঠনও সুপ্রিম কোর্টে একসঙ্গে মামলা করেছে
অর্থনীতির বেহাল দশা, এবার দেশের বাইরেও প্রতিবাদ করবে কংগ্রেস-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে সংসদের অন্দরে একাধিকবার সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতারা। মোদি সরকার আসল সমস্যা থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে বলেও একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত এহেন জ্বলন্ত ইস্যুতেও পথে নেমে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি কংগ্রেসের কোনও শীর্ষ নেতাকে। তাতে কী! দেশের অন্দরে পথে নামা হয়নি তো কী হয়েছে, এবার দেশের বাইরে প্রতিবাদ জানাবে কংগ্রেস। ভারতের অর্থনীতির নিয়মিত অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে ভারতের বাইরে বিশ্বের আটটি দেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সবচেয়ে পুরনো দল।
এদিকে দৈনিক আজকালের একটি খবরের শিরোনাম, আম্বেদকরের সংবিধান ধ্বংস করছে মোদি সরকার’, জনসমাবেশ থেকে তোপ দাগলেন প্রিয়াঙ্কা
বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, দিল্লির রামলীলা ময়দানে জড়ো হয়েছেন কংগ্রেস নেতারা। জনসমাবেশের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভারত বাঁচাও’। সেই মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এই সরকারের বিরুদ্ধে জোট বাঁধুন। রুখে দাঁড়ান। এঁদের আটকাতে না পারলে বাবাসাহেবের সংবিধান ধ্বংস করবে এঁরা।’ সম্প্রতি সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তারপর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি সেই বিলে স্বাক্ষর করায় বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে। নতুন নাগরিক আইন যে সংবিধান বিরোধী, সেকথা আগেই লোকসভা এবং রাজ্যসভায় জানিয়েছে কংগ্রেস। এই আইনের বিরুদ্ধে দেশজুড়েও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৪