করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা বিশ্বজুড়ে: মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২ ফেব্রুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- বাংলাদেশে চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক বন্ধ-দৈনিক ইত্তেফাক
- সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক মানবজমিন
- মিন্নির জামিন বাতিলের শুনানি শেষ, তদন্তের নির্দেশ-দৈনিক যুগান্তর
- যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আমাদের ভোট প্রদানের হার ভালো বলতেই হবে: তথ্যমন্ত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
- বর্তমানে খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন নেই বললেই চলে: খাদ্যমন্ত্রী-দৈনিক সমকাল
- আগামীতে নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট না রাখার পক্ষে নানক-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- পার্ক সার্কাসের CAA বিরোধী আন্দোলন মঞ্চে অঘটন, অসুস্থ হয়ে মৃত্যু আন্দোলনকারীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- কেরলে ফের করোনার হানা, চিন থেকে ফিরলেন আরও ৩২৩ জন ভারতীয়-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বাড়ল বরাদ্দ, একলাখে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়ে ৬০০ কোটি করলেন অর্থমন্ত্রী-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
ঢাকা সিটি নির্বাচন সম্পর্কিত ফলোআপ খবর পরিবেশিত হয়েছে প্রায় সব জাতীয় দৈনিকে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে- আতিকুল ইসলাম ও শেখ ফজলে নুর তাপস মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তবে বিএনপি নানা অভিযোগে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে আজ হরতাল করেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমর্থন জানিয়েছিল হরতালে। আর দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, নিরুত্তাপ হরতাল হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক। অন্যদিকে দৈনিক মানবজমিন লিখেছে, রাজধানীতে গণপরিবহন কম। ইত্তেফাকের অন্য কয়েকটি খবরের শিরোনাম এরকম, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখওয়াত হোসেন বলেছেন, ভোটাররা আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের জনপ্রিয়তা ও ইভিএমে ভোটের পরীক্ষা হয়ে গেল। তিনি ঢাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আর দৈনিক প্রথম আলোর খবরে লেখা হয়েছে, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনগুলোতে গড়পড়তা ২৪ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট প্রদানের নজির রয়েছে। সে তুলনায় আমাদের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৫ শতাংশ ভোট প্রদানকে ভালো বলতেই হবে।’
পশ্চিমা গণমাধ্যম বিবিসির চোখে ঢাকার নির্বাচন এ শিরোনামে দৈনিক মানবজমিনে তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনটি।
এতে লেখা হয়েছে, ঢাকার দুই সিটিতে প্রথমবারের মতো ইভিএম-এ ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাবহুল এ ভোটে জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল, ইভিএম বিড়ম্বনা নিয়ে নানা অভিযোগ ছিলো গতকাল দিনভরই। সরকার প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের অভিযোগের পাহাড় ভোটগ্রহণের শুরু থেকেই। বেশিরভাগ কেন্দ্র থেকেই তাদের এজেন্ট বের করে দেয়া হয়। ভোটার উপস্থিতির হতাশাজনক পরিস্থিতির খবর ওঠে আসে গণমাধ্যমে। এর মধ্যেই কেউ কেউ ভোট দিতে গেলেও ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে বের করে দেয়া হয়। বিবিসি বাংলা নির্বাচন নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোটার উপস্থিতি, ইভিএম ব্যবহার এবং পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি নিয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরেছেন বিবিসির সংবাদদাতারা।বিবিসি বলছে, এবারের নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রেই রয়েছে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়টি। অনেক কেন্দ্রেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও ভোটার দেখা গেছে অল্প কয়েকজন। চোখে পড়েনি ভোটারদের লাইন।ঢাকার দু’টি সিটি করপোরেশনের এসব ভোট কেন্দ্রে সকালে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। ভোটকেন্দ্রগুলো ভোটারের অভাবে খাঁ খাঁ করছিল। কোনও কোনও কেন্দ্রে লম্বা সময় অপেক্ষা করে দুই তিনজন করে ভোটার চোখ পড়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের চাইতে কর্মকর্তাদের সংখ্যা বেশি এমনটাই মনে হয়েছে। কোথাও ভোটারদের কোন লাইন দেখা যায়নি।ঢাকা দক্ষিণের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম: উত্তর সিটি করপোরেশনের মতো দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রায় একই ধরণের চিত্র দেখেছেন সংবাদদাতা সায়েদুল ইসলাম।প্রশ্নের তীর নির্বাচন কমিশন আর প্রার্থীদের দিকে: প্রধান নির্বাচন কমিশনার থেকে শুরু করে মেয়র প্রার্থীদেরও এই ইস্যুতেই নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এই ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ হিসেবে বিএনপি প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রগুলোকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা ক্ষমতাসীন দলের লোকজনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিএনপির প্রার্থীরা সরাসরি অভিযোগ করেন যে তাদের ১০০ জন এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।
‘মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে, তাই তারা ভোট দিতে আসেনি’: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, ভোটকেন্দ্রগুলো ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে, এ কারণে মানুষ ভোট দিতে আসেনি। কিন্তু তাদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। দলটির সিনিয়র নেতা আমির হোসেন আমু এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ পৃথক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ভোটের তারিখ হঠাৎ করে পরিবর্তন করায় ভোটের তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি শনিবারে পড়েছে। এ কারণে অনেক ভোটার ঢাকার বাইরে চলে গেছে বলে তারা মনে করছেন। এছাড়া কেন্দ্রে কোন পোলিং এজেন্টকে যেতে বাধা দেয়া হয়নি বলেও তারা দাবি করেন। কেন্দ্র কারও দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল না বলেও তারা জানান।
প্রার্থীদের দায়ী করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার: এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবার ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার দায় চাপিয়েছেন প্রার্থীদের ওপর। তার মতে, প্রার্থীদের দায়িত্ব ছিল ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার। আবার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের বক্তব্যও আলোচনায় এসেছে, যেমন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেছেন যে বাংলাদেশ যে উন্নতির দিকে যাচ্ছে, তার প্রমাণ, ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া। ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসও এ বিষয়ে বলেছেন, উন্নত দেশে ভোটার উপস্থিতি কম হয়।
ভোট দেয়া-না-দেয়ায় কিছু আসে যায় না- বলছেন ভোটাররা: উত্তর সিটিতে কেন্দ্রের বাইরে বেশ কয়েকজন ভোটারকে দেখা গেলেও তাদের মধ্যে ভোট দিতে অনাগ্রহ দেখা যায়। এর কারণ জানতে চাইলে তারা বলেছেন যে, বাংলাদেশের যে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। ভোট দেয়া না দেয়া তাদের কাছে একই অর্থ বহন করে। ভোট দিলেও যিনি জিতবেন, না দিলেও তিনিই জিতবেন। দক্ষিণ সিটির এমন কয়েকজন ভোটারদের কাছে বিবিসির সংবাদদাতা জানতে চেয়েছিলেন, যে তারা কেন ভোট দিতে যাননি। উত্তরে ওই ভোটাররা বলছেন যে, তাদের ভোট দেয়া না দেয়ায় কিছু যাবে আসবে না। কারণ বিজয়ী কে হবেন, সেটা তারা জানেন। তাই তারা আর ভোট দেয়ার দরকার মনে করেননি।
পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে না দেয়ার অভিযোগ: বিবিসির কাদির কল্লোল জানাচ্ছেন, কেন্দ্রগুলোয় ঘুরেছের তার কোনটিতেই তিনি বিএনপির এজেন্ট দেখেননি। এগুলোর একটিতে বিএনপির এজেন্ট আসার পর কেন্দ্র থেকে তাকে বের করার দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে বিএনপি এজেন্টদের প্রবেশ করতেই দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ এসেছে।
এদিকে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে অভিযোগের পর অভিযোগ করছে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ তাদের অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
ইভিএম ভোট নিয়ে জটিলতা: এবারের পুরো নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম-এর মাধ্যমে। এর আগে জাতীয় নির্বাচনে হাতে গোনা কয়েকটি বুথে ইভিএম থাকলেও পুরোপুরি ইভিএমে ভোটগ্রহণ এটাই প্রথম। এই ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখেছেন।
কোন কোন কেন্দ্রে এটাও দেখা গেছে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার গোপন কক্ষে ঢুকে ভোটারদের ভোট দেয়ার পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছেন, যেটা কিনা নির্বাচনী নিয়ম বহির্ভূত।
এছাড়া বিবিসির সংবাদদাতা দেখতে পেয়েছেন যে ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের যে এজেন্ট বা নির্বাচন কর্মকর্তা আছেন তারা পর্দায় ঘেরা জায়গাটিতে ঢুকে ভোটারকে বলছেন যে তিনি যেন এই বাটনটি চাপেন। প্রিজাইডিং অফিসারদের এসব অভিযোগের কথা জানালেও তারা সব অস্বীকার করেন। কোন নির্বাচনী কর্মকর্তা অভিযোগ না করা পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়া যাবে না বলে তারা উল্লেখ করেন।আবার আরেকটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটগ্রহণ শুরুর তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রের পাঁচটি ইভিএম মেশিন অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
ভোটারদের মধ্যে যে শ্রমজীবী মানুষরা আছেন তারা একেবারেই বুঝতে পারছিলেন না যে কিভাবে ভোট দেবেন। এ অবস্থায় তারা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছিলেন নির্বাচনী কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসীন দলের এজেন্টদের ওপর। আবার তারা যে ভোট দিয়েছেন সেটা ঠিকভাবে গণনা করা হবে কিনা। এটা নিয়েও অনেকের প্রশ্ন রয়েছে।
সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের সঙ্গে আমাদের এতো ভালো সম্পর্ক তারপরও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। এ বিষয়ে তিনি একটি যৌক্তিক সমাধান আশা করছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইতালি সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। আগামী ৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সফরে ইতালি যাবেন।
মন্ত্রী বলেন, সীমান্তে যেনো একটা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে ভারতের হাইকমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। কখনো কখনো রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এনে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সীমান্তে একটি হত্যাকা-ও না ঘটানো এবং প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার না করার যে কমিটমেন্ট ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে করা হয়েছে, সেটা তাদেরকে স্মরণ করে দেয়া হয়। এটা খুবই দুঃখজনক যে, এতোকিছুর পরও সীমান্তে হত্যা থামছে না।
মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে-করোনাভাইরাসে চীনের বাইরে প্রথম মৃত্যু ফিলিপাইনে-দৈনিক মানবজমিন
মহামারি রূপ নেয়া করোনাভাইরাসে এবার প্রথমবারের মতো চীনের বাইরে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। চীনের বাইরে ফিলিপাইনে মারা গেছেন ৪৪ বছর বয়সী এক চীনা নাগরিক। তিনি চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ফিলিপাইনে গিয়েছিলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ফিলিপাইনে যাওয়ার আগেই ওই ব্যক্তি সংক্রমিত হয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪০০০ মানুষ। ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য বিভাগ বলেছে, উহান থেকে রাজধানী ম্যানিলাতে যাওয়ার পর ওই চীনা নাগরিকের মারাত্মক নিউমোনিয়া দেখা দেয়।যারা সম্প্রতি চীন সফরে গিয়েছেন এমন বিদেশী সব পর্যটকের জন্য আপাতত দরজা বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। একই রকম ব্যবস্থা নিয়েছে নিউজিল্যান্ড, রাশিয়া, জাপান, পাকিস্তান ও ইতালি।
বাংলাদেশে চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক বন্ধ-দৈনিক ইত্তেফাক
বাংলাদেশে আসার জন্য চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনা ভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানান।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
পার্ক সার্কাসের CAA বিরোধী আন্দোলন মঞ্চে অঘটন, অসুস্থ হয়ে মৃত্যু আন্দোলনকারীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
একটানা ২৬ দিন ধরে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) বিরোধী আন্দোলন চলছে পার্ক সার্কাসে। ওই মঞ্চেই মৃত্যু হল আন্দোলনকারী এক প্রৌঢ়ার। শনিবার রাতে আচমকাই বুকে যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর। তড়িঘড়ি চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়। তবে শেষরক্ষা হল না। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় ওই আন্দোলনকারীর।
CAA-NRC বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবাদের নতুন পথ দেখিয়েছে দিল্লির শাহিনবাগ। রাজধানীর আন্দোলনকারীদের মতোই কলকাতার পার্ক সার্কাস ময়দানেও অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন কয়েকশো মহিলা। বিভিন্ন বয়সের মহিলারা অবস্থানে অংশ নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য একটাই, ‘CAA-NRC মানছি না, মানব না।
কেরলে ফের করোনার হানা, চিন থেকে ফিরলেন আরও ৩২৩ জন ভারতীয়-দৈনিক আনন্দবাজার
ফের নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সন্ধান মিলল কেরলে। তিন দিন আগেই দেশের মধ্যে প্রথম বার ওই রাজ্যে এই ভাইরাসের আক্রমণ ঘটেছিল। রোববার এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘‘নোভেল করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে কেরলে। ওই আক্রান্ত এর আগে চিনে ভ্রমণ করেছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’এই ভাইরাসে আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর থেকে গোটা রাজ্যে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে কেরল সরকার। ৭০ জনকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।গতকাল ৩২৪ জন ভারতীয়কে উহান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ বিমান।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বাড়ল বরাদ্দ, একলাখে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়ে ৬০০ কোটি করলেন অর্থমন্ত্রী-দৈনিক আজকাল
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তার খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। দেশের অর্থনীতিতে যত মন্দাই থাকুক মোদির নিরাপত্তায় পান থেকে চুন খসার জো নেই। এবার বাজেটেও নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তায় কার্যত কল্পতরু হয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। একেবারে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে দেওয়ায় এসপিজির জন্য বাজেট বেড়ে দাঁড়াল ৬০০ কোটি টাকা।
২০১৯ সালের বাজেটে ৪২০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার খরচ করা হয় ৫৪০ কোটি। সেটাই এবার বেড়ে হল ৬০০ কোটি টাকা। বর্তমানে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এসপিজি’র নিরাপত্তা পান। ৩০০০ সদস্যের এই বাহিনী মোদির নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকেন। নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্প স্বচ্ছ ভারত মিশনে বরাদ্দ কমেছে। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও প্রকল্পের ভবিষ্যত্ও প্রশ্নের মুখে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় এত বিপুল পরিমান টাকা বেড়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২